বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) রাতভর টানা ভারী বৃষ্টিতে সড়কের নন্দারাম, চাইল্ল্যাতলী ও চম্পকনগর এলাকায় পাহাড় ধসে পড়ে। বড় বড় পাথর ও গাছপালাসহ বিপুল পরিমাণ মাটি সড়কের ওপর পড়ে থাকায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে উভয় পাশে শত শত যানবাহন আটকে যায়। নারী ও শিশুসহ যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
সেখানে সূর্যোদয়ের পর সাদা মেঘে ঢেকে থাকে প্রকৃতি। আছে পাহাড়, ঝরনা আর বন। এই অপার্থিব সৌন্দর্য দেখতেই সেখানে ভিড় করে মানুষ। এর নাম সাজেক ভ্যালি। প্রতিবছর হাজার হাজার পর্যটক প্রকৃতির এই সৌন্দর্য উপভোগ করতে উপস্থিত হয়। কিন্তু ইদানীং কথা উঠছে সাজেকের পরিবহন ব্যয় নিয়ে।
পাহাড়, সবুজ গাছপালা আর ছায়াঘেরা পথজুড়ে সাজেক যেন এক মেঘকপ্রেমিক ভূখণ্ড। এখানে ভোরের আলো ফোটার আগেই চারপাশ ঢেকে যায় নরম তুলার মতো মেঘে। পাহাড় আর মেঘের এই মিতালি দেখে যেকেউ বিমোহিত হবেন। আর পাহাড়ের সৌন্দর্য আরও কয়েক গুণ বেড়ে যায় বর্ষায়। মূলত পাহাড়ে যাওয়ার আদর্শ সময় এ ঋতু।
খাগড়াছড়িকে টাটা জানিয়ে রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি আর্মি ক্যাম্পে পৌঁছে গাড়ি ব্রেক করল। একজন গিয়ে সবার নাম-ঠিকানা লিখিয়ে এল। নিরিবিলি পাহাড়ি আঁকাবাঁকা পথে গাড়ি চলছে। যত এগিয়ে যাই, সামনের পাহাড় যেন ততই দূরে সরে যায়। যাচ্ছি আর থামছি। চারপাশের মায়াময় প্রকৃতি আমাদের আচ্ছন্ন করে রাখে।