ট্রাম্প গত শুক্রবার এই বৈঠকের ঘোষণা দেন। সেদিনই ছিল রাশিয়াকে যুদ্ধবিরতির জন্য তাঁর দেওয়া সময়সীমার শেষ দিন। এর আগে তিনি হুমকি দিয়েছিলেন, যদি ৮ আগস্টের মধ্যে রাশিয়া যুদ্ধ থামাতে রাজি না হয়, তবে কঠোর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে। তবে সময়সীমা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ট্রাম্প জানান, তিনি সরাসরি পুতিনের
ইউক্রেনে যুদ্ধ চালিয়ে নিতে সামরিক উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে সরঞ্জাম সংগ্রহ করছে রাশিয়া। আর এর মাঝেই পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে দেশটির একটি রাষ্ট্রায়ত্ত বিস্ফোরক প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান চীন থেকে প্রযুক্তি আমদানি করে এমন এক মধ্যস্থতাকারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জার্মানির সিমেন্স কোম্পানির তৈরি যন্ত্রপাতি...
ট্রাম্প মনে করছেন, তাঁর ব্যক্তিত্বের প্রভাব দিয়ে সরাসরি আলোচনায় ক্রেমলিনকে যুদ্ধ থামানোর বিষয়ে রাজি করানো সম্ভব। ছয় মাসের স্থবিরতার পর ট্রাম্প-পুতিনের মুখোমুখি বৈঠক হয়তো ক্রেমলিনকে যুদ্ধ থামাতে রাজি করাতে পারে, কিন্তু পুতিন সম্প্রতি স্পষ্ট করেছেন, তাঁর কাছে রাশিয়া ও ইউক্রেনের জনগণ এক এবং যেখানে রুশ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন শিগগির এক বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছে ক্রেমলিন। ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধ থামাতে আলোচনার অংশ হিসেবে এই বৈঠকের আয়োজন করা হচ্ছে।