পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টির কারণে সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। গত সোমবার (৪ আগস্ট) থেকে পানি বাড়তে শুরু করেছে। এতে নদীতীরবর্তী পাঁচ উপজেলা সিরাজগঞ্জ সদর, কাজীপুর, বেলকুচি, শাহজাদপুর ও চৌহালীতে ভাঙন-আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
সিরাজগঞ্জে বেড়েই চলেছে যমুনা নদীর পানি। পানি বাড়ার কারণে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ভাটপিয়ারি ও কাজীপুরের বিভিন্ন স্থানে নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। ভাঙন রোধ ও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবিতে আজ শনিবার সকালে সদর উপজেলার ভাটপিয়ারিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। এদিকে অভ্যন্তরীণ ফুলজোর, বাঙ্গালী, হুরাসাগর, ইছামতী
যমুনা সেতু থেকে খুলে ফেলা হচ্ছে রেললাইন। গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে সেতুর পূর্ব পাড় থেকে রেললাইন খুলে ফেলার কাজ শুরু করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। এর আগে নবনির্মিত যমুনা রেলওয়ে সেতু গত ১৮ মার্চ চালু হওয়ার পর থেকে যমুনা সেতুর ওপর দিয়ে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।
বেলা ৩টার দিকে আরিচা ঘাট থেকে ১৮ জন যাত্রী নিয়ে কাজিরহাটের উদ্দেশে রওনা দেয় রহিজউদ্দিনের মালিকানাধীন একটি স্পিডবোট। গোয়ালন্দ উপজেলার দেওলিয়া মৌজার কাছে পৌঁছালে নদীতে প্রচণ্ড ঢেউ ও প্রবল স্রোতের কারণে বোটটির তলা ফেটে যায়। এ সময় আশপাশে থাকা একটি লঞ্চ ও একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা দ্রুত এগিয়ে এসে যাত্রীদের