বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মর্মান্তিক বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় আজ সকাল পর্যন্ত বার্ন ইনস্টিটিউটে ৩২ জন ভর্তি ছিলেন। তাঁদের মধ্যে তিনজনের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় দুপুরে তাঁদের ছাড়পত্র দেওয়া হয়। তাঁরা পরে চিকিৎসার জন্য আবারও হাসপাতালে আসবেন। গতকাল বুধবার পর্যন্ত দুজন আইসিইউতে ছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজনের
উত্তরা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ট্র্যাজেডিতে দগ্ধদের মধ্যে আরও একজনকে ছাড়পত্র দিয়েছেন চিকিৎসকেরা। তাঁর নাম ফারজানা ইয়াসমিন (৪৫)। মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষিকা তিনি। এ ঘটনায় এখনো আইসিইউতে ভর্তি দুজন।
মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের উত্তরা ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলছেন শিক্ষকেরা। স্কুলে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় ভয় ও আতঙ্কে থাকা শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সাহস জোগানোর চেষ্টা করছেন তাঁরা। পাশাপাশি স্কুল ক্যাম্পাসেও শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কাউন্সেলিং কার্যক্রম চলছে।
আগুনে দগ্ধ রোগীদের শারীরিক আঘাতের সঙ্গে সঙ্গে প্রবল মানসিক ধাক্কাও সইতে হয়। শিশুদের ক্ষেত্রে মানসিক আঘাতের মাত্রাটা বেশি। রাজধানীর মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় আহত শিশুদের ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। হঠাৎ বিমান ধসে আগুন ধরে যাওয়া, চোখের সামনে সহপাঠীদের...