কুড়িগ্রামের উলিপুরে তিস্তা নদীবেষ্টিত চরাঞ্চলে তীব্র ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত কয়েক দিনের ব্যবধানে শতাধিক পরিবারের বাড়িঘর ও ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভিটেমাটি হারিয়ে মাথা গোঁজার ঠাঁই খুঁজে পাচ্ছে না ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো। ভাঙনের কারণে হুমকির মুখে রয়েছে শত শত বাড়ি, মসজিদ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শত শত
কুড়িগ্রামের উলিপুরে রাতের অন্ধকারে রড ছাড়াই আরসিসি সড়কে ঢালাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের বাধার মুখে কাজ ফেলে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন ও শ্রমিকেরা। গতকাল শনিবার রাত ১১টার দিকে উলিপুর পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নাজমার বাড়ির সামনে থেকে নাড়িকেলবাড়ী খামার সরকারি
২০২৪ সালের ১৯ জুলাই জুমার নামাজ শেষে বাড্ডা এলাকায় বের হলে তিনি পুলিশের গুলিতে আহত হন। একটি গুলি তাঁর ডান চোখের পাশে লেগে মাথার পেছন দিয়ে বের হয়ে যায়। পথচারীরা তাঁকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এলাকাবাসী ও নিহতের স্বজনেরা জানান, চিলমারী উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের ফকিরপাড়া গ্রামের শাহের আলী খন্দকারের ছেলে মুকুল খন্দকার পাশের উলিপুর উপজেলার ধামশ্রেণী ইউনিয়নের বড়াইবাড়ি এলাকার আহাম্মদ খন্দকারের বাড়িতে গাছ কাটতে যান। কাটার একপর্যায়ে একটি গাছ উল্টে তাঁর ওপর পড়ে।