বাগেরহাটের রামপালে ইউনিয়ন বিএনপির সম্মেলনকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। রোববার বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কয়েক দফা এ সংঘর্ষ হয়। এ সময় প্রতিপক্ষের লোকজনকে মারধরের পাশাপাশি বাজারের অন্তত ২০টি দোকান ও পাশের কয়েকটি বাড়িঘর ভাঙচুর করেছেন নেতা-কর্মীরা।
বাগেরহাট-৩ আসনে থাকা মোংলা ও রামপালকে ভেঙে পৃথক করা ও বাগেরহাট-৪ আসন বিলুপ্তের প্রস্তাবের প্রতিবাদে মোংলায় বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ হয়েছে। মোংলা পৌর বিএনপির আয়োজনে আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে পৌর মার্কেট চত্বর থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশ থেকে শেখ হাসিনা পালিয়েছে কিন্তু তাঁর সিস্টেম রয়ে গেছে। চাঁদার জন্য ঢাকায় একজনকে পাথর দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। রামপালে এখন ঘের দখল চলে। কোথাকার কোন পালিয়ে থাকা নেতারা ঘেরের দখল নিতে চায়।
শনিবার দুপুর ২টায় বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার ফয়লায় একটি পথসভায় যোগ দেবেন এনসিপি নেতারা। বিকেলে বাগেরহাট শহরের খানজাহান আলী (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত, ‘জুলাই শহীদ’ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং শহরের রেলরোড চত্বরে আরেকটি পথসভায় অংশ নেবেন তাঁরা।