অনলাইন ডেস্ক
সাপের কামড়ে মানুষ মারা যাবে—এ তো চিরচেনা খবর! কিন্তু এবার খবর উল্টো। বিহারের এক প্রত্যন্ত গ্রামে ১ বছরের এক শিশু কামড়ে মেরে ফেলেছে বিষধর গোখরাকে! চোখ কপালে তুলে দেওয়া এ ঘটনা ঘটেছে রাজ্যের পশ্চিম চম্পারণ জেলার মোহাচ্ছি বাংকটওয়া গ্রামে। স্থানীয়রা বলছেন, এমন ঘটনা তাঁরা জীবনে কখনো দেখেননি—শুধু সিনেমাতেই সম্ভব বলে মনে হতো!
শিশুর পরিবারের লোকজন জানান, ছোট্ট গোবিন্দ কুমার ঘরে খেলছিল। খেলতে খেলতে কোথা থেকে যেন একটি গোখরা সাপ এসে পড়ে সামনে। অন্য কোনো বাচ্চা হলে হয়তো কেঁদে উঠত, কিন্তু গোবিন্দ সাহসী—সে ভয় না পেয়ে সাপটিকে তুলে নেয় মুখে। তারপর? মুখে নিয়ে কামড়ানো শুরু করে!
ঠিক তখনই ঘরে ঢোকেন শিশুটির দাদি। চোখের সামনে এমন দৃশ্য দেখে তিনি তো প্রায় অজ্ঞান! তাঁর চিৎকারে সবাই দৌড়ে আসে। দেখা যায়—বাচ্চা মাটিতে অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে আর পাশেই নিথর হয়ে পড়ে আছে সেই বিষধর গোখরা!
বাচ্চাটিকে সঙ্গে সঙ্গে গ্রাম্য স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখান থেকে পাঠানো হয় বেড়িয়া শহরের সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। হাসপাতালের সুপার ডা. দুবাকান্ত মিশ্র বলেন, ‘শিশুটিকে আমাদের কাছে পাঠানো হয়েছে পর্যবেক্ষণের জন্য। এখনো পর্যন্ত তার শরীরে বিষক্রিয়ার কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি, তবে আমরা সতর্ক রয়েছি।’
দুবাকান্ত আরও বলেন, ‘পরিবারের ভাষ্যমতে, গোবিন্দ নিজেই সাপটিকে হাতে তুলে নেয় এবং এক কামড়েই সেটিকে মেরে ফেলে। এটা সত্যিই অবাক করার মতো ঘটনা।’
এদিকে ঘটনার পর গোটা এলাকায় চলছে একটাই আলোচনা, ‘গোবিন্দ আমাদের হিরো!’ কেউ বলছেন, ‘বিহারের বাস্তব নাগিন পাওয়া গেছে’ তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো—তিনি মানুষ, তাও এক বছরের শিশু! স্থানীয় এক বাসিন্দার মন্তব্য, ‘ছোট্ট ছেলেটা যা করল, তা বলিউডের সিনেমাকেও হার মানায়! ওকে এখনই সিনেমায় নেওয়া উচিত!’
সাপ মারার এমন অভিনব কায়দা দেখে চিকিৎসকেরাও অবাক! যদিও তাঁরা স্পষ্ট করেছেন, এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন কেউ না করে, সাপ কোনো খেলার বস্তু নয়। তবে গোবিন্দ কুমার আপাতত হাসপাতালে সুস্থ রয়েছে এবং পর্যবেক্ষণে আছে। আর গ্রামে? সেখানে এখন গোবিন্দ মানেই ‘সর্পজয়ী’ এক মহাবীর!
সাপের কামড়ে মানুষ মারা যাবে—এ তো চিরচেনা খবর! কিন্তু এবার খবর উল্টো। বিহারের এক প্রত্যন্ত গ্রামে ১ বছরের এক শিশু কামড়ে মেরে ফেলেছে বিষধর গোখরাকে! চোখ কপালে তুলে দেওয়া এ ঘটনা ঘটেছে রাজ্যের পশ্চিম চম্পারণ জেলার মোহাচ্ছি বাংকটওয়া গ্রামে। স্থানীয়রা বলছেন, এমন ঘটনা তাঁরা জীবনে কখনো দেখেননি—শুধু সিনেমাতেই সম্ভব বলে মনে হতো!
শিশুর পরিবারের লোকজন জানান, ছোট্ট গোবিন্দ কুমার ঘরে খেলছিল। খেলতে খেলতে কোথা থেকে যেন একটি গোখরা সাপ এসে পড়ে সামনে। অন্য কোনো বাচ্চা হলে হয়তো কেঁদে উঠত, কিন্তু গোবিন্দ সাহসী—সে ভয় না পেয়ে সাপটিকে তুলে নেয় মুখে। তারপর? মুখে নিয়ে কামড়ানো শুরু করে!
ঠিক তখনই ঘরে ঢোকেন শিশুটির দাদি। চোখের সামনে এমন দৃশ্য দেখে তিনি তো প্রায় অজ্ঞান! তাঁর চিৎকারে সবাই দৌড়ে আসে। দেখা যায়—বাচ্চা মাটিতে অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে আর পাশেই নিথর হয়ে পড়ে আছে সেই বিষধর গোখরা!
বাচ্চাটিকে সঙ্গে সঙ্গে গ্রাম্য স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়, সেখান থেকে পাঠানো হয় বেড়িয়া শহরের সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। হাসপাতালের সুপার ডা. দুবাকান্ত মিশ্র বলেন, ‘শিশুটিকে আমাদের কাছে পাঠানো হয়েছে পর্যবেক্ষণের জন্য। এখনো পর্যন্ত তার শরীরে বিষক্রিয়ার কোনো লক্ষণ দেখা যায়নি, তবে আমরা সতর্ক রয়েছি।’
দুবাকান্ত আরও বলেন, ‘পরিবারের ভাষ্যমতে, গোবিন্দ নিজেই সাপটিকে হাতে তুলে নেয় এবং এক কামড়েই সেটিকে মেরে ফেলে। এটা সত্যিই অবাক করার মতো ঘটনা।’
এদিকে ঘটনার পর গোটা এলাকায় চলছে একটাই আলোচনা, ‘গোবিন্দ আমাদের হিরো!’ কেউ বলছেন, ‘বিহারের বাস্তব নাগিন পাওয়া গেছে’ তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো—তিনি মানুষ, তাও এক বছরের শিশু! স্থানীয় এক বাসিন্দার মন্তব্য, ‘ছোট্ট ছেলেটা যা করল, তা বলিউডের সিনেমাকেও হার মানায়! ওকে এখনই সিনেমায় নেওয়া উচিত!’
সাপ মারার এমন অভিনব কায়দা দেখে চিকিৎসকেরাও অবাক! যদিও তাঁরা স্পষ্ট করেছেন, এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যেন কেউ না করে, সাপ কোনো খেলার বস্তু নয়। তবে গোবিন্দ কুমার আপাতত হাসপাতালে সুস্থ রয়েছে এবং পর্যবেক্ষণে আছে। আর গ্রামে? সেখানে এখন গোবিন্দ মানেই ‘সর্পজয়ী’ এক মহাবীর!
ডলফিনকে প্রাণিজগতের সবচেয়ে বুদ্ধিমান প্রজাতির একটি হিসেবে গণ্য করা হয়। সমুদ্রজীব বিজ্ঞানীদের মতে, ডলফিন শুধু শিকার ধরতে নয়, নিজেদের আনন্দ কিংবা কৌতূহল মেটাতেও নানা ধরনের বুদ্ধি খাটায়। এবার সেই বুদ্ধিমত্তার নতুন এক দিক উঠে এসেছে বিবিসি ওয়ানের নতুন তথ্যচিত্রে—যেখানে দেখা গেছে, তরুণ ডলফিনেরা পাফার মাছ।
১৮ দিন আগেতবে এটি মোটেও শখ করে বাজানো হয় না। বরং, নতুন এই ফ্যাশন গরুকে আরামদায়ক রাখার চেষ্টার পাশাপাশি দুধের মান এবং উৎপাদন বাড়ানোর নতুন উপায় হিসেবেও দেখা হচ্ছে। এই প্রবণতা টিকটকসহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এবং কোটি কোটি দর্শক এর ভিডিও দেখে মুগ্ধ হয়েছেন।
১৯ দিন আগেগত ১৫ বছরে ব্রিটেনে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে একমাত্র স্থিতিশীলতার প্রতীক ল্যারি—ডাউনিং স্ট্রিটের বিখ্যাত বিড়াল। এই ট্যাবি বিড়াল এরই মধ্যে পাঁচ প্রধানমন্ত্রীর ‘অধীনে’ ডাউনিং স্ট্রিটের ‘চিফ মাউজার’ বা প্রধান ইঁদুর শিকারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে ফেলেছে। বর্তমানে সে ষষ্ঠ প্রধানমন্ত্রীর অধীনে দায়িত্ব
২০ দিন আগেডেনমার্কের একটি চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ সেখানকার মাংসাশী প্রাণীদের খাদ্য হিসেবে ছোট পোষা প্রাণী দান করার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
২১ দিন আগে