অনলাইন ডেস্ক
জেনারেটিভ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির চাহিদা মেটাতে বিশাল অবকাঠামো নির্মাণে ব্যয় সামলাতে এবার বাইরের বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে কাজ করতে চাইছে মেটা। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২ বিলিয়ন বা ২০০ কোটি ডলারের ডেটা সেন্টারের সম্পদ বিক্রির পরিকল্পনা করেছে কোম্পানি। গত বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) মেটার এক ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এসব সম্পদের মধ্যে রয়েছে ডেটা সেন্টার নির্মাণের জন্য জমি ও কিছু নির্মাণাধীন ভবন। এসব সম্পদ বিক্রি করে বা তৃতীয় পক্ষের হাতে তুলে দিয়ে সেই অংশীদারদের সঙ্গে একসঙ্গে ডেটা সেন্টার তৈরি করতে চায় মেটা। এতে কোম্পানির নিজের খরচ কিছুটা কমবে।
প্রযুক্তি জায়ান্টদের মধ্যে এটি একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। আগে যেখানে এই কোম্পানিগুলো নিজেদের অর্থেই অবকাঠামোগত সম্প্রসারণ করত, এখন বিশাল ব্যয়ভার সামলাতে তারা বাইরের অংশীদারদের দিকে ঝুঁকছে।
গত বুধবার কোম্পানির আয়ের প্রতিবেদনের পর এক কনফারেন্স কলে মেটার চিফ ফিন্যান্স অফিসার সুসান লি বলেন, ‘আমরা আর্থিক অংশীদারদের সঙ্গে একত্রে ডেটা সেন্টার নির্মাণের উপায় খুঁজছি। যদিও এখনো বেশির ভাগ ব্যয় অভ্যন্তরীণভাবে মেটা মেটাবে, তবু কিছু প্রকল্পে ‘গুরুত্বপূর্ণ পরিমাণ’ বাইরের অর্থায়ন আসতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, এখনো কোনো চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। তবে বৃহস্পতিবারের ত্রৈমাসিক নথি থেকে বোঝা যায়, পরিকল্পনাগুলো এখন অনেকটাই পাকাপোক্ত।
মেটার পরিচালনা পর্ষদ নির্দিষ্ট কিছু ডেটা সেন্টার সম্পদ বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে গত জুনে। এতে করে ২০৪ কোটি ডলারের জমি ও নির্মাণাধীন সম্পদ ‘হেল্ড-ফর-সেল’ ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ, এসব জমি ও সম্পদ এখন কোম্পানি ব্যবহার করবে না, বিক্রির জন্য সংরক্ষণ করেছে।
আগামী ১২ মাসের মধ্যে এসব সম্পদ একটি তৃতীয় পক্ষকে হস্তান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে, যারা মেটার সঙ্গে যৌথভাবে ডেটা সেন্টার নির্মাণে অংশ নেবে।
এই পুনঃশ্রেণীকরণে মেটা কোনো লোকসান দেখায়নি। এটি সম্পদের বহনযোগ্য মূল্য অথবা বিক্রয়মূল্য (যেটি কম) ধরে হিসাব করা হয়েছে। ৩০ জুন পর্যন্ত কোম্পানির মোট ‘হেল্ড-ফর-সেল’ সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩২৬ বিলিয়ন ডলার।
মেটা এ বিষয়ে সংবাদমাধ্যমকে কোনো মন্তব্য দেয়নি।
মেটার প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ বলেন, কোম্পানি ভবিষ্যতে এআই-ভিত্তিক সুপারইন্টেলিজেন্স তৈরির জন্য ‘সুপারক্লাস্টার’ নামের ডেটা সেন্টার নির্মাণে শত শত বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে।
তিনি আরও জানান, ‘এর মধ্যে একটি ডেটা সেন্টারের জায়গা যুক্তরাষ্ট্রের ম্যানহাটন শহরের বড় একটি অংশের সমান।’
গত বুধবার, কোম্পানি তাদের বার্ষিক মূলধন ব্যয়ের পূর্বাভাসের নিম্নসীমা ২ বিলিয়ন ডলার বাড়িয়ে ৬৬ থেকে ৭২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করেছে।
এদিন বিজ্ঞাপন বিক্রিতে প্রত্যাশার চেয়ে ভালো ফলাফল দেখিয়েছে মেটা। এআই-নির্ভর বিজ্ঞাপন লক্ষ্য নির্ধারণ এবং কনটেন্ট ডেলিভারিতে উন্নতির কারণে এই প্রবৃদ্ধি হয়েছে। কোম্পানির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এসব আয়ের মাধ্যমে এআই অবকাঠামোর জন্য বাড়তি ব্যয় কিছুটা সামলানো যাচ্ছে।
তথ্যসূত্র: রয়টার্স
জেনারেটিভ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির চাহিদা মেটাতে বিশাল অবকাঠামো নির্মাণে ব্যয় সামলাতে এবার বাইরের বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে কাজ করতে চাইছে মেটা। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২ বিলিয়ন বা ২০০ কোটি ডলারের ডেটা সেন্টারের সম্পদ বিক্রির পরিকল্পনা করেছে কোম্পানি। গত বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) মেটার এক ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এসব সম্পদের মধ্যে রয়েছে ডেটা সেন্টার নির্মাণের জন্য জমি ও কিছু নির্মাণাধীন ভবন। এসব সম্পদ বিক্রি করে বা তৃতীয় পক্ষের হাতে তুলে দিয়ে সেই অংশীদারদের সঙ্গে একসঙ্গে ডেটা সেন্টার তৈরি করতে চায় মেটা। এতে কোম্পানির নিজের খরচ কিছুটা কমবে।
প্রযুক্তি জায়ান্টদের মধ্যে এটি একটি বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। আগে যেখানে এই কোম্পানিগুলো নিজেদের অর্থেই অবকাঠামোগত সম্প্রসারণ করত, এখন বিশাল ব্যয়ভার সামলাতে তারা বাইরের অংশীদারদের দিকে ঝুঁকছে।
গত বুধবার কোম্পানির আয়ের প্রতিবেদনের পর এক কনফারেন্স কলে মেটার চিফ ফিন্যান্স অফিসার সুসান লি বলেন, ‘আমরা আর্থিক অংশীদারদের সঙ্গে একত্রে ডেটা সেন্টার নির্মাণের উপায় খুঁজছি। যদিও এখনো বেশির ভাগ ব্যয় অভ্যন্তরীণভাবে মেটা মেটাবে, তবু কিছু প্রকল্পে ‘গুরুত্বপূর্ণ পরিমাণ’ বাইরের অর্থায়ন আসতে পারে।’
তিনি আরও বলেন, এখনো কোনো চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। তবে বৃহস্পতিবারের ত্রৈমাসিক নথি থেকে বোঝা যায়, পরিকল্পনাগুলো এখন অনেকটাই পাকাপোক্ত।
মেটার পরিচালনা পর্ষদ নির্দিষ্ট কিছু ডেটা সেন্টার সম্পদ বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে গত জুনে। এতে করে ২০৪ কোটি ডলারের জমি ও নির্মাণাধীন সম্পদ ‘হেল্ড-ফর-সেল’ ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অর্থাৎ, এসব জমি ও সম্পদ এখন কোম্পানি ব্যবহার করবে না, বিক্রির জন্য সংরক্ষণ করেছে।
আগামী ১২ মাসের মধ্যে এসব সম্পদ একটি তৃতীয় পক্ষকে হস্তান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে, যারা মেটার সঙ্গে যৌথভাবে ডেটা সেন্টার নির্মাণে অংশ নেবে।
এই পুনঃশ্রেণীকরণে মেটা কোনো লোকসান দেখায়নি। এটি সম্পদের বহনযোগ্য মূল্য অথবা বিক্রয়মূল্য (যেটি কম) ধরে হিসাব করা হয়েছে। ৩০ জুন পর্যন্ত কোম্পানির মোট ‘হেল্ড-ফর-সেল’ সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩২৬ বিলিয়ন ডলার।
মেটা এ বিষয়ে সংবাদমাধ্যমকে কোনো মন্তব্য দেয়নি।
মেটার প্রধান নির্বাহী মার্ক জাকারবার্গ বলেন, কোম্পানি ভবিষ্যতে এআই-ভিত্তিক সুপারইন্টেলিজেন্স তৈরির জন্য ‘সুপারক্লাস্টার’ নামের ডেটা সেন্টার নির্মাণে শত শত বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে।
তিনি আরও জানান, ‘এর মধ্যে একটি ডেটা সেন্টারের জায়গা যুক্তরাষ্ট্রের ম্যানহাটন শহরের বড় একটি অংশের সমান।’
গত বুধবার, কোম্পানি তাদের বার্ষিক মূলধন ব্যয়ের পূর্বাভাসের নিম্নসীমা ২ বিলিয়ন ডলার বাড়িয়ে ৬৬ থেকে ৭২ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করেছে।
এদিন বিজ্ঞাপন বিক্রিতে প্রত্যাশার চেয়ে ভালো ফলাফল দেখিয়েছে মেটা। এআই-নির্ভর বিজ্ঞাপন লক্ষ্য নির্ধারণ এবং কনটেন্ট ডেলিভারিতে উন্নতির কারণে এই প্রবৃদ্ধি হয়েছে। কোম্পানির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এসব আয়ের মাধ্যমে এআই অবকাঠামোর জন্য বাড়তি ব্যয় কিছুটা সামলানো যাচ্ছে।
তথ্যসূত্র: রয়টার্স
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক চ্যাটজিপিটির পরামর্শ মেনে খাদ্যাভাস পরিবর্তন করায় নিউইয়র্কের ৬০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসকদের মতে, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে খাদ্যাভ্যাসে প্রায় সম্পূর্ণভাবে লবণ বাদ দিয়ে ফেলেন ওই ব্যক্তি, যার ফলে তার শরীরে বিপজ্জনকভাবে সোডিয়ামের ঘাটতি দেখা দেয়।
১৮ দিন আগেঅ্যাপলের অ্যাপ স্টোর নীতিমালা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি উদ্যোক্তা এবং এক্সএআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক। নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে পিন করা একটি পোস্টে মাস্ক দাবি করেন, অ্যাপল ইচ্ছাকৃতভাবে ওপেনএআই ছাড়া অন্য কোনো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক কোম্পানিকে অ্যাপ স্টোরের র্য
১৮ দিন আগেবিশ্বের জনপ্রিয় এআই চ্যাটবট চ্যাটজিপিটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই সম্প্রতি তাদের সর্বশেষ সংস্করণ জিপিটি-৫ উন্মোচন করেছে। প্রতিষ্ঠানটি দাবি করছে, এই মডেলটি মানুষের পিএইচডি লেভেলের দক্ষ!
১৮ দিন আগেস্মার্টফোন আসক্তি অনেকের কাছে ব্যাপক মাথাব্যথার কারণ। বিরতিহীন স্মার্টফোন স্ক্রলিংয়ের কারণে অন্যান্য কাজে মনোযোগ নষ্ট হয়। তা ছাড়া মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তবে স্মার্টফোনের আসক্তি কমানো যায় স্মার্টফোন দিয়েই। বিভিন্ন অ্যাপ দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তি থেকে বেরিয়ে আসা যায়। দেখে নিন
১৮ দিন আগে