ভিডিও দেখার অভিজ্ঞতাকে আর্কষণীয় করে তুলতে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ফিচার যুক্ত করে ইউটিউব। এবার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের অ্যাপের জন্য নতুন একটি মিনি প্লেয়ার যুক্ত করবে প্ল্যাটফর্মটি। এটি অ্যাপের মধ্যে পিকচার–ইন–পিকচার মোড (পিআইপি) হিসেবে কাজ করে। অর্থ্যাৎ স্ক্রিনের যে কোনো জায়গায় রাখা যাবে ভিডিও প্লেয়ারটিকে। আর প্লেয়ারটির ব্যকগ্রাউন্ডে ইউটিউবের বাকি তথ্যগুলো দেখা যাবে।
বর্তমানে ইউটিউবের মিনি প্লেয়ারটি স্ক্রিনের একদম নিচের দিকে থাকে। এটি ২০১৮ সালে ইউটিউবে যুক্ত করা হয়। ইউটিউব অন্য কোনো ভিডিও সার্চ করার সময় এই প্লেয়ারের মাধ্যমে ভিডিওটি ছোট আকারে স্ক্রিনের নিচের দিকে দেখা যায়। সেই সঙ্গে ভিডিও সংশ্লিষ্ট চ্যানেলের নাম ও ভিডিও পজ এবং প্লে বাটন দেখা যায়। তবে মিনি প্লেয়ারটি আপডেট করা হলে এতে বেশ কিছু পরিবর্তন দেখা যাবে।
তবে নতুন মিনি প্লেয়ারটি পিক–ইন–পিকচার উইন্ডোর মতো থাকবে। ফলে ইউটিউব ব্রাউজ করার পাশাপাশি একটি মিনি উইন্ডোতে ভিডিও দেখা যাবে।
মিনি প্লেয়ারটি একটি আয়তাকার উইন্ডোর মতো। এর সঙ্গে প্লে, পজ, ১০ সেকেন্ড স্কিপ বাটন থাকবে। ফোন বা অ্যাপের থিম অনুযায়ী প্লেয়ারটির ব্যাকগ্রাউন্ড ডার্ক বা লাইট মোডে থাকবে।
ব্যবহারকারীরা চাইলে মিনি প্লেয়ারকে বড় করতে পারবে ও পুরো স্ক্রিনজুড়ে ভিডিও দেখতে পারবেন। এছাড়া মিনি প্লেয়ারের ওপর চাপ দিয়ে ধরে টেনে স্ক্রিনের যে কোনো জায়গায় রাখা যাবে। আর প্লেয়ারটির ডান পাশে থাকা কোনায় থাকা ‘x’ বাটনে ট্যাপ করে প্লেয়াটি বন্ধ করা যাবে।
বর্তমানে নতুন মিনি প্লেয়ারটি পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। ফিচারটি বিনামূল্যে নাকি সাবস্ক্রিপশন কিনে ব্যবহার করতে হবে তা এখনো স্পষ্ট নয়।
ইউটিউব অ্যাপ থেকে বের হয়েও প্ল্যাটফর্মটি ভিডিও দেখা যায়। এটি ইউটিউবের আরেকটি পিকচার–ইন পিকচার মোড ফিচার। তবে এই ফিচার ব্যবহারের জন্য ইউটিউবের সাবস্ক্রিপশন প্ল্যান কিনতে হয়।
তথ্যসূত্র: অ্যান্ড্রয়েড অথোরিটি
ভিডিও দেখার অভিজ্ঞতাকে আর্কষণীয় করে তুলতে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ফিচার যুক্ত করে ইউটিউব। এবার অ্যান্ড্রয়েড ফোনের অ্যাপের জন্য নতুন একটি মিনি প্লেয়ার যুক্ত করবে প্ল্যাটফর্মটি। এটি অ্যাপের মধ্যে পিকচার–ইন–পিকচার মোড (পিআইপি) হিসেবে কাজ করে। অর্থ্যাৎ স্ক্রিনের যে কোনো জায়গায় রাখা যাবে ভিডিও প্লেয়ারটিকে। আর প্লেয়ারটির ব্যকগ্রাউন্ডে ইউটিউবের বাকি তথ্যগুলো দেখা যাবে।
বর্তমানে ইউটিউবের মিনি প্লেয়ারটি স্ক্রিনের একদম নিচের দিকে থাকে। এটি ২০১৮ সালে ইউটিউবে যুক্ত করা হয়। ইউটিউব অন্য কোনো ভিডিও সার্চ করার সময় এই প্লেয়ারের মাধ্যমে ভিডিওটি ছোট আকারে স্ক্রিনের নিচের দিকে দেখা যায়। সেই সঙ্গে ভিডিও সংশ্লিষ্ট চ্যানেলের নাম ও ভিডিও পজ এবং প্লে বাটন দেখা যায়। তবে মিনি প্লেয়ারটি আপডেট করা হলে এতে বেশ কিছু পরিবর্তন দেখা যাবে।
তবে নতুন মিনি প্লেয়ারটি পিক–ইন–পিকচার উইন্ডোর মতো থাকবে। ফলে ইউটিউব ব্রাউজ করার পাশাপাশি একটি মিনি উইন্ডোতে ভিডিও দেখা যাবে।
মিনি প্লেয়ারটি একটি আয়তাকার উইন্ডোর মতো। এর সঙ্গে প্লে, পজ, ১০ সেকেন্ড স্কিপ বাটন থাকবে। ফোন বা অ্যাপের থিম অনুযায়ী প্লেয়ারটির ব্যাকগ্রাউন্ড ডার্ক বা লাইট মোডে থাকবে।
ব্যবহারকারীরা চাইলে মিনি প্লেয়ারকে বড় করতে পারবে ও পুরো স্ক্রিনজুড়ে ভিডিও দেখতে পারবেন। এছাড়া মিনি প্লেয়ারের ওপর চাপ দিয়ে ধরে টেনে স্ক্রিনের যে কোনো জায়গায় রাখা যাবে। আর প্লেয়ারটির ডান পাশে থাকা কোনায় থাকা ‘x’ বাটনে ট্যাপ করে প্লেয়াটি বন্ধ করা যাবে।
বর্তমানে নতুন মিনি প্লেয়ারটি পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। ফিচারটি বিনামূল্যে নাকি সাবস্ক্রিপশন কিনে ব্যবহার করতে হবে তা এখনো স্পষ্ট নয়।
ইউটিউব অ্যাপ থেকে বের হয়েও প্ল্যাটফর্মটি ভিডিও দেখা যায়। এটি ইউটিউবের আরেকটি পিকচার–ইন পিকচার মোড ফিচার। তবে এই ফিচার ব্যবহারের জন্য ইউটিউবের সাবস্ক্রিপশন প্ল্যান কিনতে হয়।
তথ্যসূত্র: অ্যান্ড্রয়েড অথোরিটি
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক চ্যাটজিপিটির পরামর্শ মেনে খাদ্যাভাস পরিবর্তন করায় নিউইয়র্কের ৬০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসকদের মতে, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে খাদ্যাভ্যাসে প্রায় সম্পূর্ণভাবে লবণ বাদ দিয়ে ফেলেন ওই ব্যক্তি, যার ফলে তার শরীরে বিপজ্জনকভাবে সোডিয়ামের ঘাটতি দেখা দেয়।
১৮ দিন আগেঅ্যাপলের অ্যাপ স্টোর নীতিমালা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি উদ্যোক্তা এবং এক্সএআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক। নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে পিন করা একটি পোস্টে মাস্ক দাবি করেন, অ্যাপল ইচ্ছাকৃতভাবে ওপেনএআই ছাড়া অন্য কোনো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক কোম্পানিকে অ্যাপ স্টোরের র্য
১৮ দিন আগেবিশ্বের জনপ্রিয় এআই চ্যাটবট চ্যাটজিপিটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই সম্প্রতি তাদের সর্বশেষ সংস্করণ জিপিটি-৫ উন্মোচন করেছে। প্রতিষ্ঠানটি দাবি করছে, এই মডেলটি মানুষের পিএইচডি লেভেলের দক্ষ!
১৮ দিন আগেস্মার্টফোন আসক্তি অনেকের কাছে ব্যাপক মাথাব্যথার কারণ। বিরতিহীন স্মার্টফোন স্ক্রলিংয়ের কারণে অন্যান্য কাজে মনোযোগ নষ্ট হয়। তা ছাড়া মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তবে স্মার্টফোনের আসক্তি কমানো যায় স্মার্টফোন দিয়েই। বিভিন্ন অ্যাপ দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তি থেকে বেরিয়ে আসা যায়। দেখে নিন
১৮ দিন আগে