অনলাইন ডেস্ক
শিশু হিসেবে দাবি করা আশ্রয়প্রার্থীদের বয়স নির্ধারণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্রিটিশ সরকার। গত মঙ্গলবার এক লিখিত বিবৃতিতে বিষয়টি জানিয়েছেন অভিবাসনমন্ত্রী অ্যাঞ্জেলা ঈগল।
তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো এমন এক প্রযুক্তি ব্যবহার করা, যা মুখাবয়ব বিশ্লেষণের মাধ্যমে নির্ভরযোগ্যভাবে বয়স অনুমান করতে পারে।
ঈগল বলেন, ‘আমরা সিদ্ধান্তে এসেছি যে, খরচের দিক থেকে সবচেয়ে কার্যকর সমাধান হতে পারে ফেসিয়াল এইজ এস্টিমেশন প্রযুক্তি। এতে এআই ব্যবহার করে এমন সব ছবির ওপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, যেখানে ব্যক্তির প্রকৃত বয়স জানা যাবে। এর ফলে যার বয়স নিয়ে সন্দেহ আছে, তার বয়স নির্ধারণে প্রযুক্তিটি নির্দিষ্ট মাত্রার নির্ভুলতা দিতে সক্ষম।’
তিনি জানান, একটি পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে এ প্রযুক্তির কার্যকারিতা পরীক্ষার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আগামী বছর এই পদ্ধতিকে আনুষ্ঠানিক বয়স যাচাইয়ের প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।
সরকারের এই পদক্ষেপ এসেছে এমন এক সময়ে, যখন বর্ডার ও ইমিগ্রেশনের প্রধান পরিদর্শক ডেভিড বোল্ট একটি কঠোর প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন। সেখানে তিনি বয়স নির্ধারণের ক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের অব্যবস্থাপনার কড়া সমালোচনা করেন।
ডেভিড বোল্ট বলেন, ‘ডোভার প্রসেসিং সেন্টারে যেসব কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে কিশোর আশ্রয়প্রার্থীদের যেতে হয়, তা বয়স নির্ধারণ আরও কঠিন করে তোলে। অনেকেই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি এমন তরুণদের কথা শুনেছি, যারা মনে করে হোম অফিস তাদের বিশ্বাস করেনি। তাদের আশা ভেঙে গেছে এবং মানসিক স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে।’
প্রসঙ্গত, রিফিউজি কাউন্সিলের এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ১৮ মাসের মধ্যে কমপক্ষে ১ হাজার ৩০০ শিশুকে ভুলভাবে প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস (এলএসই) ও ইউনিভার্সিটি অব বেডফোর্ডশায়ারের গবেষকেরা সম্প্রতি সুপারিশ করেছেন, যাতে ‘লোন চাইল্ড’ বা একক শিশু আশ্রয়প্রার্থীদের নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা হোম অফিসের কাছ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
তবে সমালোচনার মুখেও সরকারের পক্ষ থেকে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ঘোষণা এসেছে। গত সোমবার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব পিটার কাইল জানান, ওপেনএআইয়ের (চ্যাটজিপিটি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান) সঙ্গে একটি চুক্তি হয়েছে, যার মাধ্যমে বিচার বিভাগ, নিরাপত্তা ও শিক্ষা খাতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হবে।
এদিকে, হোম অফিস ইতিমধ্যে ভুয়া বিয়ে শনাক্তে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করছে, যদিও সেই প্রযুক্তি কিছু নির্দিষ্ট জাতিগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করার অভিযোগে সমালোচনার মুখে পড়েছে।
উল্লেখ্য, চলতি বছর যুক্তরাজ্যের বড় রিটেইলার প্রতিষ্ঠান জন লুইস অনলাইনে ছুরি বিক্রির ক্ষেত্রে গ্রাহকের বয়স যাচাইয়ের জন্য প্রথমবারের মতো ফেসিয়াল এইজ এস্টিমেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করার ঘোষণা দেয়।
সরকার বলছে, যখন কেউ দাবি করেন তিনি ১৮ বছরের নিচে, অথচ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সন্দেহ থাকে, তখন দ্রুত ও সহজভাবে যাচাইয়ের জন্য এই প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা দিতে পারে।
তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
শিশু হিসেবে দাবি করা আশ্রয়প্রার্থীদের বয়স নির্ধারণে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্রিটিশ সরকার। গত মঙ্গলবার এক লিখিত বিবৃতিতে বিষয়টি জানিয়েছেন অভিবাসনমন্ত্রী অ্যাঞ্জেলা ঈগল।
তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো এমন এক প্রযুক্তি ব্যবহার করা, যা মুখাবয়ব বিশ্লেষণের মাধ্যমে নির্ভরযোগ্যভাবে বয়স অনুমান করতে পারে।
ঈগল বলেন, ‘আমরা সিদ্ধান্তে এসেছি যে, খরচের দিক থেকে সবচেয়ে কার্যকর সমাধান হতে পারে ফেসিয়াল এইজ এস্টিমেশন প্রযুক্তি। এতে এআই ব্যবহার করে এমন সব ছবির ওপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, যেখানে ব্যক্তির প্রকৃত বয়স জানা যাবে। এর ফলে যার বয়স নিয়ে সন্দেহ আছে, তার বয়স নির্ধারণে প্রযুক্তিটি নির্দিষ্ট মাত্রার নির্ভুলতা দিতে সক্ষম।’
তিনি জানান, একটি পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে এ প্রযুক্তির কার্যকারিতা পরীক্ষার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আগামী বছর এই পদ্ধতিকে আনুষ্ঠানিক বয়স যাচাইয়ের প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে।
সরকারের এই পদক্ষেপ এসেছে এমন এক সময়ে, যখন বর্ডার ও ইমিগ্রেশনের প্রধান পরিদর্শক ডেভিড বোল্ট একটি কঠোর প্রতিবেদন প্রকাশ করেছেন। সেখানে তিনি বয়স নির্ধারণের ক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের অব্যবস্থাপনার কড়া সমালোচনা করেন।
ডেভিড বোল্ট বলেন, ‘ডোভার প্রসেসিং সেন্টারে যেসব কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে কিশোর আশ্রয়প্রার্থীদের যেতে হয়, তা বয়স নির্ধারণ আরও কঠিন করে তোলে। অনেকেই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি এমন তরুণদের কথা শুনেছি, যারা মনে করে হোম অফিস তাদের বিশ্বাস করেনি। তাদের আশা ভেঙে গেছে এবং মানসিক স্বাস্থ্যের মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে।’
প্রসঙ্গত, রিফিউজি কাউন্সিলের এক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ১৮ মাসের মধ্যে কমপক্ষে ১ হাজার ৩০০ শিশুকে ভুলভাবে প্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকস (এলএসই) ও ইউনিভার্সিটি অব বেডফোর্ডশায়ারের গবেষকেরা সম্প্রতি সুপারিশ করেছেন, যাতে ‘লোন চাইল্ড’ বা একক শিশু আশ্রয়প্রার্থীদের নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা হোম অফিসের কাছ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
তবে সমালোচনার মুখেও সরকারের পক্ষ থেকে এআই প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ঘোষণা এসেছে। গত সোমবার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সচিব পিটার কাইল জানান, ওপেনএআইয়ের (চ্যাটজিপিটি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান) সঙ্গে একটি চুক্তি হয়েছে, যার মাধ্যমে বিচার বিভাগ, নিরাপত্তা ও শিক্ষা খাতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহারের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হবে।
এদিকে, হোম অফিস ইতিমধ্যে ভুয়া বিয়ে শনাক্তে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করছে, যদিও সেই প্রযুক্তি কিছু নির্দিষ্ট জাতিগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করার অভিযোগে সমালোচনার মুখে পড়েছে।
উল্লেখ্য, চলতি বছর যুক্তরাজ্যের বড় রিটেইলার প্রতিষ্ঠান জন লুইস অনলাইনে ছুরি বিক্রির ক্ষেত্রে গ্রাহকের বয়স যাচাইয়ের জন্য প্রথমবারের মতো ফেসিয়াল এইজ এস্টিমেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করার ঘোষণা দেয়।
সরকার বলছে, যখন কেউ দাবি করেন তিনি ১৮ বছরের নিচে, অথচ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সন্দেহ থাকে, তখন দ্রুত ও সহজভাবে যাচাইয়ের জন্য এই প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা দিতে পারে।
তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক চ্যাটজিপিটির পরামর্শ মেনে খাদ্যাভাস পরিবর্তন করায় নিউইয়র্কের ৬০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসকদের মতে, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে খাদ্যাভ্যাসে প্রায় সম্পূর্ণভাবে লবণ বাদ দিয়ে ফেলেন ওই ব্যক্তি, যার ফলে তার শরীরে বিপজ্জনকভাবে সোডিয়ামের ঘাটতি দেখা দেয়।
১৮ দিন আগেঅ্যাপলের অ্যাপ স্টোর নীতিমালা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি উদ্যোক্তা এবং এক্সএআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক। নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে পিন করা একটি পোস্টে মাস্ক দাবি করেন, অ্যাপল ইচ্ছাকৃতভাবে ওপেনএআই ছাড়া অন্য কোনো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক কোম্পানিকে অ্যাপ স্টোরের র্য
১৮ দিন আগেবিশ্বের জনপ্রিয় এআই চ্যাটবট চ্যাটজিপিটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই সম্প্রতি তাদের সর্বশেষ সংস্করণ জিপিটি-৫ উন্মোচন করেছে। প্রতিষ্ঠানটি দাবি করছে, এই মডেলটি মানুষের পিএইচডি লেভেলের দক্ষ!
১৮ দিন আগেস্মার্টফোন আসক্তি অনেকের কাছে ব্যাপক মাথাব্যথার কারণ। বিরতিহীন স্মার্টফোন স্ক্রলিংয়ের কারণে অন্যান্য কাজে মনোযোগ নষ্ট হয়। তা ছাড়া মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তবে স্মার্টফোনের আসক্তি কমানো যায় স্মার্টফোন দিয়েই। বিভিন্ন অ্যাপ দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তি থেকে বেরিয়ে আসা যায়। দেখে নিন
১৮ দিন আগে