প্রযুক্তি ডেস্ক
শ্রম আইন লঙ্ঘন করে কম বেতনে হাজার হাজার শ্রমিকদের কাজ করাচ্ছে গুগল। দ্য নিউইয়র্ক টাইমস এবং দ্য গার্ডিয়ানের মাধ্যমে জানা গেছে,গুগল আন্তর্জাতিক চুক্তির মাধ্যমে নিয়োগকৃত শ্রমিকদের কম মজুরি দিয়েছে এবং বেশ কিছু দেশে পে প্যারিটি আইন মানেনি। পে প্যারিটি আইন অনুযায়ী, অস্থায়ী হোক বা স্থায়ী হোক সকলেই সমান হারে বেতন পাবেন।
এই শ্রম আইন লঙ্ঘন করার ভুলটি আবিষ্কার করে গুগলের কমপ্লায়েন্স বিভাগ । কিন্তু তৎক্ষণাৎ এ বিষয়ে কোনো ক্ষতিপূরণ দেয়নি গুগল।
গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, এই কাজটি গুগল কৌশলে করেছে এবং তারা এটা করেছে আইনগত, অর্থনৈতিক এবং সুনামগত ক্ষতি থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য।
আয়ারল্যান্ডে অবস্থিত গুগলের ম্যানেজার অ্যালান ব্যারি আশঙ্কা করেন যে, এই বিষয়টি কর্মীদের মাঝে হতাশা বাড়াবে। ব্যারি আরও জানান, এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারেকশন প্রয়োজন ছিল। কিন্তু গুগলের পক্ষ থেকে সেটা করা হয়নি।
দ্য নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, বিষয়টির সত্যতা কর্মীদের অভ্যন্তরীণ ইমেইলগুলো বিশ্লেষণ করে জানা গেছে।
পে প্যারিটি শ্রম আইন অনুসারে ইউরোপ এবং এশিয়ায় ফুলটাইম এবং অস্থায়ী কর্মচারীরা যারা একই স্থানে কাজ করেন তারা সমান বেতন পাবেন । এই প্রটোকলটি অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রে নেই।
দ্য গার্ডিয়ান জানায়, গুগলের নয়শর ওপরে অস্থায়ী কর্মী যারা যুক্তরাজ্য,আয়ারল্যান্ড,ভারত,জার্মানি, নেদারল্যান্ডস,ফ্রান্স এবং পোল্যান্ডে কাজ করে, তারা এই দেশগুলোতে আঞ্চলিক পে প্যারিটি আইন বাস্তবায়ন করার জন্য বাধ্য করেছে।
গুগলের প্রধান কমপ্লায়েন্স অফিসার স্পাইরো কারেটসস জানান,‘ আমাদের কোম্পানী যে উচ্চ স্টান্ডার্ড মেইনটেইন করে সেটা এখানে মানা হয়নি। সংক্ষেপে কি ভুল হয়েছে তা আমরা বের করবো ।’
দ্য নিউয়র্ক টাইমস এবং দ্য গার্ডিয়ান উভয়ই জানিয়েছে বিষয়টি অবশ্যই গুগলের ব্যবসায়িক ফাইলে উল্লেখ করা উচিত ছিল।
শ্রম আইন লঙ্ঘন করে কম বেতনে হাজার হাজার শ্রমিকদের কাজ করাচ্ছে গুগল। দ্য নিউইয়র্ক টাইমস এবং দ্য গার্ডিয়ানের মাধ্যমে জানা গেছে,গুগল আন্তর্জাতিক চুক্তির মাধ্যমে নিয়োগকৃত শ্রমিকদের কম মজুরি দিয়েছে এবং বেশ কিছু দেশে পে প্যারিটি আইন মানেনি। পে প্যারিটি আইন অনুযায়ী, অস্থায়ী হোক বা স্থায়ী হোক সকলেই সমান হারে বেতন পাবেন।
এই শ্রম আইন লঙ্ঘন করার ভুলটি আবিষ্কার করে গুগলের কমপ্লায়েন্স বিভাগ । কিন্তু তৎক্ষণাৎ এ বিষয়ে কোনো ক্ষতিপূরণ দেয়নি গুগল।
গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়, এই কাজটি গুগল কৌশলে করেছে এবং তারা এটা করেছে আইনগত, অর্থনৈতিক এবং সুনামগত ক্ষতি থেকে মুক্ত হওয়ার জন্য।
আয়ারল্যান্ডে অবস্থিত গুগলের ম্যানেজার অ্যালান ব্যারি আশঙ্কা করেন যে, এই বিষয়টি কর্মীদের মাঝে হতাশা বাড়াবে। ব্যারি আরও জানান, এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারেকশন প্রয়োজন ছিল। কিন্তু গুগলের পক্ষ থেকে সেটা করা হয়নি।
দ্য নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, বিষয়টির সত্যতা কর্মীদের অভ্যন্তরীণ ইমেইলগুলো বিশ্লেষণ করে জানা গেছে।
পে প্যারিটি শ্রম আইন অনুসারে ইউরোপ এবং এশিয়ায় ফুলটাইম এবং অস্থায়ী কর্মচারীরা যারা একই স্থানে কাজ করেন তারা সমান বেতন পাবেন । এই প্রটোকলটি অবশ্য যুক্তরাষ্ট্রে নেই।
দ্য গার্ডিয়ান জানায়, গুগলের নয়শর ওপরে অস্থায়ী কর্মী যারা যুক্তরাজ্য,আয়ারল্যান্ড,ভারত,জার্মানি, নেদারল্যান্ডস,ফ্রান্স এবং পোল্যান্ডে কাজ করে, তারা এই দেশগুলোতে আঞ্চলিক পে প্যারিটি আইন বাস্তবায়ন করার জন্য বাধ্য করেছে।
গুগলের প্রধান কমপ্লায়েন্স অফিসার স্পাইরো কারেটসস জানান,‘ আমাদের কোম্পানী যে উচ্চ স্টান্ডার্ড মেইনটেইন করে সেটা এখানে মানা হয়নি। সংক্ষেপে কি ভুল হয়েছে তা আমরা বের করবো ।’
দ্য নিউয়র্ক টাইমস এবং দ্য গার্ডিয়ান উভয়ই জানিয়েছে বিষয়টি অবশ্যই গুগলের ব্যবসায়িক ফাইলে উল্লেখ করা উচিত ছিল।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক চ্যাটজিপিটির পরামর্শ মেনে খাদ্যাভাস পরিবর্তন করায় নিউইয়র্কের ৬০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসকদের মতে, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে খাদ্যাভ্যাসে প্রায় সম্পূর্ণভাবে লবণ বাদ দিয়ে ফেলেন ওই ব্যক্তি, যার ফলে তার শরীরে বিপজ্জনকভাবে সোডিয়ামের ঘাটতি দেখা দেয়।
১৯ দিন আগেঅ্যাপলের অ্যাপ স্টোর নীতিমালা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি উদ্যোক্তা এবং এক্সএআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক। নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে পিন করা একটি পোস্টে মাস্ক দাবি করেন, অ্যাপল ইচ্ছাকৃতভাবে ওপেনএআই ছাড়া অন্য কোনো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক কোম্পানিকে অ্যাপ স্টোরের র্য
১৯ দিন আগেবিশ্বের জনপ্রিয় এআই চ্যাটবট চ্যাটজিপিটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই সম্প্রতি তাদের সর্বশেষ সংস্করণ জিপিটি-৫ উন্মোচন করেছে। প্রতিষ্ঠানটি দাবি করছে, এই মডেলটি মানুষের পিএইচডি লেভেলের দক্ষ!
১৯ দিন আগেস্মার্টফোন আসক্তি অনেকের কাছে ব্যাপক মাথাব্যথার কারণ। বিরতিহীন স্মার্টফোন স্ক্রলিংয়ের কারণে অন্যান্য কাজে মনোযোগ নষ্ট হয়। তা ছাড়া মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তবে স্মার্টফোনের আসক্তি কমানো যায় স্মার্টফোন দিয়েই। বিভিন্ন অ্যাপ দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তি থেকে বেরিয়ে আসা যায়। দেখে নিন
১৯ দিন আগে