অনলাইন ডেস্ক
সর্বশেষ উইন্ডোজ ১১ আপডেটের পর একটি ‘রহস্যময়’ খালি ফোল্ডার দেখতে পাচ্ছেন ব্যবহারকারীরা। ফোল্ডারে কিছু না থাকলেও তা ডিলিট করতে মানা করছে মাইক্রোসফট। কারণ এটি উইন্ডোজের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা আপডেটের অংশ।
গত সপ্তাহে উইন্ডোজ ১০ ও ১১ সংস্করণের জন্য এপ্রিল মাসের নিরাপত্তা আপডেট দেওয়া হয়। এই আপডেটের ফলে সিস্টেমে একটি নতুন ফোল্ডার তৈরি হচ্ছে ‘inetpub’ নামে। এটি কম্পিউটারের ‘সি: \inetpub’ ঠিকানায় রয়েছে। যদিও এটি সাধারণত ইন্টারনেট ইনফরমেশন সার্ভিসেস (আইআইএস) ওয়েব সার্ভার চালু করলে দেখা যায়, এবার দেখা যাচ্ছে সবার সিস্টেমেই।
অনেকেই এই খালি ফোল্ডারটি ডিলেট করে দেন। ফোল্ডাররি ডিলিটের পর তাৎক্ষণিক কোনো সমস্যা চোখে পড়বে না। তবে এর মাধ্যমে কম্পিউটারের নিরাপত্তা বিঘ্ন হতে পারে বলে জানিয়েছে মাইক্রোসফট।
মাইক্রোসফট জানিয়েছে, ‘CVE-2025-21204’ নামের একটি নিরাপত্তা ত্রুটির সমাধান করতে এই ফোল্ডার তৈরি করা হচ্ছে। এই ত্রুটির সুযোগ নিয়ে একটি ম্যালওয়্যার বা দুষ্কৃতকারী ব্যবহারকারী সিস্টেমের গভীর স্তরে প্রবেশ করতে পারত। এমন ঝুঁকি থেকে রক্ষা করতেই ফোল্ডারটি যুক্ত করা হয়েছে।
মাইক্রোসফট বলেছে, ‘আপনার সিস্টেমে আইআইএস চালু না থাকলেও “inetpub” ফোল্ডার তৈরি হবে এবং এটি মুছে ফেলা উচিত নয়। এটি কোনো ত্রুটি নয়, বরং সিস্টেমকে আরও সুরক্ষিত করার একটি উপায়।’
যদি কেউ ভুল করে ফোল্ডারটি মুছে ফেলেন, তবে তা পুনরায় তৈরি করা সম্ভব। এর জন্য কন্ট্রোল প্যানেলে গিয়ে ‘প্রোগ্রাম অ্যান্ড ফিচারস’ থেকে ‘টার্ন উইন্ডোজ ফিচারস অন ও অফ’ অপশনে যান। সেখানে আইআইএস নির্বাচন করে ওকে দিন। ফোল্ডারটি সঠিক অনুমতি নিয়ে আবার তৈরি হবে। পরে চাইলে আইআইএস বন্ধ করে দিতে পারেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদিও আইআইএস এখন খুব কম ব্যবহৃত হয়, তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে এই ফোল্ডার রাখা জরুরি। কারণ, এটি ভবিষ্যতের একটি সম্ভাব্য সাইবার হামলা প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারে।
সর্বশেষ উইন্ডোজ ১১ আপডেটের পর একটি ‘রহস্যময়’ খালি ফোল্ডার দেখতে পাচ্ছেন ব্যবহারকারীরা। ফোল্ডারে কিছু না থাকলেও তা ডিলিট করতে মানা করছে মাইক্রোসফট। কারণ এটি উইন্ডোজের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা আপডেটের অংশ।
গত সপ্তাহে উইন্ডোজ ১০ ও ১১ সংস্করণের জন্য এপ্রিল মাসের নিরাপত্তা আপডেট দেওয়া হয়। এই আপডেটের ফলে সিস্টেমে একটি নতুন ফোল্ডার তৈরি হচ্ছে ‘inetpub’ নামে। এটি কম্পিউটারের ‘সি: \inetpub’ ঠিকানায় রয়েছে। যদিও এটি সাধারণত ইন্টারনেট ইনফরমেশন সার্ভিসেস (আইআইএস) ওয়েব সার্ভার চালু করলে দেখা যায়, এবার দেখা যাচ্ছে সবার সিস্টেমেই।
অনেকেই এই খালি ফোল্ডারটি ডিলেট করে দেন। ফোল্ডাররি ডিলিটের পর তাৎক্ষণিক কোনো সমস্যা চোখে পড়বে না। তবে এর মাধ্যমে কম্পিউটারের নিরাপত্তা বিঘ্ন হতে পারে বলে জানিয়েছে মাইক্রোসফট।
মাইক্রোসফট জানিয়েছে, ‘CVE-2025-21204’ নামের একটি নিরাপত্তা ত্রুটির সমাধান করতে এই ফোল্ডার তৈরি করা হচ্ছে। এই ত্রুটির সুযোগ নিয়ে একটি ম্যালওয়্যার বা দুষ্কৃতকারী ব্যবহারকারী সিস্টেমের গভীর স্তরে প্রবেশ করতে পারত। এমন ঝুঁকি থেকে রক্ষা করতেই ফোল্ডারটি যুক্ত করা হয়েছে।
মাইক্রোসফট বলেছে, ‘আপনার সিস্টেমে আইআইএস চালু না থাকলেও “inetpub” ফোল্ডার তৈরি হবে এবং এটি মুছে ফেলা উচিত নয়। এটি কোনো ত্রুটি নয়, বরং সিস্টেমকে আরও সুরক্ষিত করার একটি উপায়।’
যদি কেউ ভুল করে ফোল্ডারটি মুছে ফেলেন, তবে তা পুনরায় তৈরি করা সম্ভব। এর জন্য কন্ট্রোল প্যানেলে গিয়ে ‘প্রোগ্রাম অ্যান্ড ফিচারস’ থেকে ‘টার্ন উইন্ডোজ ফিচারস অন ও অফ’ অপশনে যান। সেখানে আইআইএস নির্বাচন করে ওকে দিন। ফোল্ডারটি সঠিক অনুমতি নিয়ে আবার তৈরি হবে। পরে চাইলে আইআইএস বন্ধ করে দিতে পারেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদিও আইআইএস এখন খুব কম ব্যবহৃত হয়, তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে এই ফোল্ডার রাখা জরুরি। কারণ, এটি ভবিষ্যতের একটি সম্ভাব্য সাইবার হামলা প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক চ্যাটজিপিটির পরামর্শ মেনে খাদ্যাভাস পরিবর্তন করায় নিউইয়র্কের ৬০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসকদের মতে, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে খাদ্যাভ্যাসে প্রায় সম্পূর্ণভাবে লবণ বাদ দিয়ে ফেলেন ওই ব্যক্তি, যার ফলে তার শরীরে বিপজ্জনকভাবে সোডিয়ামের ঘাটতি দেখা দেয়।
১৮ দিন আগেঅ্যাপলের অ্যাপ স্টোর নীতিমালা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি উদ্যোক্তা এবং এক্সএআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক। নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে পিন করা একটি পোস্টে মাস্ক দাবি করেন, অ্যাপল ইচ্ছাকৃতভাবে ওপেনএআই ছাড়া অন্য কোনো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক কোম্পানিকে অ্যাপ স্টোরের র্য
১৮ দিন আগেবিশ্বের জনপ্রিয় এআই চ্যাটবট চ্যাটজিপিটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই সম্প্রতি তাদের সর্বশেষ সংস্করণ জিপিটি-৫ উন্মোচন করেছে। প্রতিষ্ঠানটি দাবি করছে, এই মডেলটি মানুষের পিএইচডি লেভেলের দক্ষ!
১৮ দিন আগেস্মার্টফোন আসক্তি অনেকের কাছে ব্যাপক মাথাব্যথার কারণ। বিরতিহীন স্মার্টফোন স্ক্রলিংয়ের কারণে অন্যান্য কাজে মনোযোগ নষ্ট হয়। তা ছাড়া মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তবে স্মার্টফোনের আসক্তি কমানো যায় স্মার্টফোন দিয়েই। বিভিন্ন অ্যাপ দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তি থেকে বেরিয়ে আসা যায়। দেখে নিন
১৮ দিন আগে