অ্যাপ স্টোর থেকে ‘কিমি’ নামের একটি অ্যাপ সরিয়ে ফেলল অ্যাপল। ব্যবহারকারীরা অ্যাপটির মাধ্যমে স্মার্টফোনে পাইরেটেড মুভি দেখেন। প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট দ্য ভার্জের মতে, আইওএস, আইপ্যাডওস ও ম্যাকওসের অ্যাপ স্টোর থেকে অ্যাপটি সরিয়ে ফেলা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, অ্যাপ স্টোরে ২০২৩ সালে সেপ্টেম্বর মাসে যুক্ত হয় কিমি অ্যাপ। অ্যাপটি ব্যবহারকারীর নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে পারে বলে প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা আশঙ্কা করছেন। কিমির ডেভেলপাররা অ্যাপটির সম্পর্কের কোনো বিস্তারিত তথ্য জানায়নি। এরপরও অ্যাপ স্টোরের ট্রেন্ডিংয়ে ৮ নম্বরে ছিল অ্যাপটি ও ফ্রি অ্যাপের তালিকায় ৪৬ নম্বরে।
অ্যাপটি চালু করলেই সিনেমা ও টিভি শো এর তালিকা দেখা যেত। পপকর্ন টাইমের মতো অনেক আগের অ্যাপরে সঙ্গে এর মিল রয়েছে। টরেন্ট থেকে মুভি স্ট্রিম করা হতো এই অ্যাপে। তবে কিমি অ্যাপও টরেন্ট ব্যবহার করে নাকি, এই বিষয়ে কোনো তথ্য প্রতিবেদনে জানানো হয়নি।
কিমি অ্যাপে সিনেমা ও সিরিজগুলো সহজেই ফিল্টার করা যায়। অ্যাপে জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে মুভি ও সিনেমাগুলো র্যাংকিংও করা থাকে। কোনগুলো নতুন মুভি বা কোনগুলো বেশি জনপ্রিয় তা অ্যাপের বিভিন্ন ফিল্টারের মাধ্যমে বোঝা যায়।
অ্যাপটি মুভি ডাউনলোড করারও সুবিধা দেয়। কিন্তু ভিডিওয়ের মান তেমন ভালো ছিল না। মুভি বা সিরিজের অভিনেতা ও পটভূমি সম্পর্কেও অ্যাপে তথ্য পাওয়া যেত। খুব দ্রুত মুভি খুঁজে পেতে অ্যাপটি সাহায্য করে।
অ্যাপলে রিভিউ দলের চোখ এড়িয়ে কীভাবে অ্যাপটি স্টোরে যুক্ত হলো, সে সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেনি কোম্পানিটি।
ইউরোপের সব সময় থার্ড পার্টি অ্যাপ বা অ্যাপ স্টোরের বিরোধী ছিল। তবে ইউরোপের ডিজিটাল অ্যাক্টের ফলে ইউরোপে এই সুবিধা দিতে বাধ্য হয়েছে। সম্প্রতি একটি ফিশিং অ্যাপও অ্যাপল স্টোরে পাওয়া যায়।
তথ্যসূত্র: গ্যাজেটস নাও
অ্যাপ স্টোর থেকে ‘কিমি’ নামের একটি অ্যাপ সরিয়ে ফেলল অ্যাপল। ব্যবহারকারীরা অ্যাপটির মাধ্যমে স্মার্টফোনে পাইরেটেড মুভি দেখেন। প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট দ্য ভার্জের মতে, আইওএস, আইপ্যাডওস ও ম্যাকওসের অ্যাপ স্টোর থেকে অ্যাপটি সরিয়ে ফেলা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, অ্যাপ স্টোরে ২০২৩ সালে সেপ্টেম্বর মাসে যুক্ত হয় কিমি অ্যাপ। অ্যাপটি ব্যবহারকারীর নিরাপত্তা বিঘ্নিত করতে পারে বলে প্রযুক্তি বিশ্লেষকেরা আশঙ্কা করছেন। কিমির ডেভেলপাররা অ্যাপটির সম্পর্কের কোনো বিস্তারিত তথ্য জানায়নি। এরপরও অ্যাপ স্টোরের ট্রেন্ডিংয়ে ৮ নম্বরে ছিল অ্যাপটি ও ফ্রি অ্যাপের তালিকায় ৪৬ নম্বরে।
অ্যাপটি চালু করলেই সিনেমা ও টিভি শো এর তালিকা দেখা যেত। পপকর্ন টাইমের মতো অনেক আগের অ্যাপরে সঙ্গে এর মিল রয়েছে। টরেন্ট থেকে মুভি স্ট্রিম করা হতো এই অ্যাপে। তবে কিমি অ্যাপও টরেন্ট ব্যবহার করে নাকি, এই বিষয়ে কোনো তথ্য প্রতিবেদনে জানানো হয়নি।
কিমি অ্যাপে সিনেমা ও সিরিজগুলো সহজেই ফিল্টার করা যায়। অ্যাপে জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে মুভি ও সিনেমাগুলো র্যাংকিংও করা থাকে। কোনগুলো নতুন মুভি বা কোনগুলো বেশি জনপ্রিয় তা অ্যাপের বিভিন্ন ফিল্টারের মাধ্যমে বোঝা যায়।
অ্যাপটি মুভি ডাউনলোড করারও সুবিধা দেয়। কিন্তু ভিডিওয়ের মান তেমন ভালো ছিল না। মুভি বা সিরিজের অভিনেতা ও পটভূমি সম্পর্কেও অ্যাপে তথ্য পাওয়া যেত। খুব দ্রুত মুভি খুঁজে পেতে অ্যাপটি সাহায্য করে।
অ্যাপলে রিভিউ দলের চোখ এড়িয়ে কীভাবে অ্যাপটি স্টোরে যুক্ত হলো, সে সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করেনি কোম্পানিটি।
ইউরোপের সব সময় থার্ড পার্টি অ্যাপ বা অ্যাপ স্টোরের বিরোধী ছিল। তবে ইউরোপের ডিজিটাল অ্যাক্টের ফলে ইউরোপে এই সুবিধা দিতে বাধ্য হয়েছে। সম্প্রতি একটি ফিশিং অ্যাপও অ্যাপল স্টোরে পাওয়া যায়।
তথ্যসূত্র: গ্যাজেটস নাও
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক চ্যাটজিপিটির পরামর্শ মেনে খাদ্যাভাস পরিবর্তন করায় নিউইয়র্কের ৬০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসকদের মতে, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে খাদ্যাভ্যাসে প্রায় সম্পূর্ণভাবে লবণ বাদ দিয়ে ফেলেন ওই ব্যক্তি, যার ফলে তার শরীরে বিপজ্জনকভাবে সোডিয়ামের ঘাটতি দেখা দেয়।
১৯ দিন আগেঅ্যাপলের অ্যাপ স্টোর নীতিমালা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি উদ্যোক্তা এবং এক্সএআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক। নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে পিন করা একটি পোস্টে মাস্ক দাবি করেন, অ্যাপল ইচ্ছাকৃতভাবে ওপেনএআই ছাড়া অন্য কোনো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক কোম্পানিকে অ্যাপ স্টোরের র্য
১৯ দিন আগেবিশ্বের জনপ্রিয় এআই চ্যাটবট চ্যাটজিপিটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই সম্প্রতি তাদের সর্বশেষ সংস্করণ জিপিটি-৫ উন্মোচন করেছে। প্রতিষ্ঠানটি দাবি করছে, এই মডেলটি মানুষের পিএইচডি লেভেলের দক্ষ!
১৯ দিন আগেস্মার্টফোন আসক্তি অনেকের কাছে ব্যাপক মাথাব্যথার কারণ। বিরতিহীন স্মার্টফোন স্ক্রলিংয়ের কারণে অন্যান্য কাজে মনোযোগ নষ্ট হয়। তা ছাড়া মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তবে স্মার্টফোনের আসক্তি কমানো যায় স্মার্টফোন দিয়েই। বিভিন্ন অ্যাপ দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তি থেকে বেরিয়ে আসা যায়। দেখে নিন
১৯ দিন আগে