অনলাইন ডেস্ক
যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার ওয়েবসাইটে গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ত্রুটি ধরিয়ে দিয়ে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে ইরাকি কিশোর মুনতাধার মোহাম্মদ আহমেদ সালেহ। বাগদাদের আল-তারমিয়া জেলার আল-বায়ারিক উচ্চ বিদ্যালয়ের এই মেধাবী শিক্ষার্থী নিজের অসাধারণ প্রযুক্তি দক্ষতা দিয়ে নাসার বিশেষ প্রশংসা কুড়িয়েছে।
শৈশব থেকেই প্রোগ্রামিংয়ের প্রতি গভীর আগ্রহ ছিল মুনতাধারের। মাত্র ১১ বছর বয়সে প্রোগ্রামিং শেখা শুরু করে সে। ‘কিং অব কোডস’ নামে পরিচিত এই কিশোর ১৬ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই এই অসাধারণ কৃতিত্ব দেখিয়েছে।
সম্প্রতি নাসার ওয়েবসাইটে দুটি গুরুতর ত্রুটি শনাক্ত করে মুনতাধার। এর মধ্যে একটি ছিল—কোড ইনজেকশনের মাধ্যমে সম্ভাব্য তথ্যফাঁসের ঝুঁকি, অন্যটি ছিল ‘ওপেন রিডাইরেক্ট’ সমস্যাজনিত একটি নিরাপত্তা ঘাটতি।
উল্লেখ্য, কোড ইনজেকশন বলতে বোঝায় কোনো ওয়েবসাইটে ক্ষতিকর কোড প্রবেশ করানো। সেই কোডের মাধ্যমে গোপন তথ্য চুরি করা বা ওয়েবসাইটের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়া যেতে পারে। এটি হ্যাকিংয়ের একটি প্রচলিত পদ্ধতি।
আর ‘ওপেন রিডাইরেক্ট’ একটি নিরাপত্তা দুর্বলতা, যেখানে একটি ওয়েবসাইট কোনো যাচাইবাছাই ছাড়াই ব্যবহারকারীদের অন্য কোনো লিংকে পাঠায় এবং সেই লিংকটা হ্যাকার ইচ্ছেমতো নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
মুনতাধার তাঁর গবেষণালব্ধ বিস্তারিত ফলাফল দায়িত্বশীলভাবে সরাসরি নাসার কাছে পাঠায়।
তাঁর দক্ষতা ও নৈতিক আচরণে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে একটি আনুষ্ঠানিক ধন্যবাদ ও স্বীকৃতিপত্র পাঠিয়েছে নাসা। এই সার্টিফিকেটে উল্লেখ করা হয়েছে—‘আমাদের সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে আপনার কার্যকর অবদানের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।’
নিজ প্রচেষ্টায় এত বড় কৃতিত্ব অর্জন করে মুনতাধার প্রমাণ করে যে, সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও ইরাকের তরুণদের মধ্যে রয়েছে অসীম সম্ভাবনা ও প্রতিভা। তাঁর এই অর্জন জাতির জন্য গর্বের বিষয় এবং বিশ্বমঞ্চে ইরাকি তরুণদের এগিয়ে যাওয়ার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
তথ্যসূত্র: ইরাকি নিউজ
যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার ওয়েবসাইটে গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা ত্রুটি ধরিয়ে দিয়ে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছে ইরাকি কিশোর মুনতাধার মোহাম্মদ আহমেদ সালেহ। বাগদাদের আল-তারমিয়া জেলার আল-বায়ারিক উচ্চ বিদ্যালয়ের এই মেধাবী শিক্ষার্থী নিজের অসাধারণ প্রযুক্তি দক্ষতা দিয়ে নাসার বিশেষ প্রশংসা কুড়িয়েছে।
শৈশব থেকেই প্রোগ্রামিংয়ের প্রতি গভীর আগ্রহ ছিল মুনতাধারের। মাত্র ১১ বছর বয়সে প্রোগ্রামিং শেখা শুরু করে সে। ‘কিং অব কোডস’ নামে পরিচিত এই কিশোর ১৬ বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই এই অসাধারণ কৃতিত্ব দেখিয়েছে।
সম্প্রতি নাসার ওয়েবসাইটে দুটি গুরুতর ত্রুটি শনাক্ত করে মুনতাধার। এর মধ্যে একটি ছিল—কোড ইনজেকশনের মাধ্যমে সম্ভাব্য তথ্যফাঁসের ঝুঁকি, অন্যটি ছিল ‘ওপেন রিডাইরেক্ট’ সমস্যাজনিত একটি নিরাপত্তা ঘাটতি।
উল্লেখ্য, কোড ইনজেকশন বলতে বোঝায় কোনো ওয়েবসাইটে ক্ষতিকর কোড প্রবেশ করানো। সেই কোডের মাধ্যমে গোপন তথ্য চুরি করা বা ওয়েবসাইটের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়া যেতে পারে। এটি হ্যাকিংয়ের একটি প্রচলিত পদ্ধতি।
আর ‘ওপেন রিডাইরেক্ট’ একটি নিরাপত্তা দুর্বলতা, যেখানে একটি ওয়েবসাইট কোনো যাচাইবাছাই ছাড়াই ব্যবহারকারীদের অন্য কোনো লিংকে পাঠায় এবং সেই লিংকটা হ্যাকার ইচ্ছেমতো নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
মুনতাধার তাঁর গবেষণালব্ধ বিস্তারিত ফলাফল দায়িত্বশীলভাবে সরাসরি নাসার কাছে পাঠায়।
তাঁর দক্ষতা ও নৈতিক আচরণে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে একটি আনুষ্ঠানিক ধন্যবাদ ও স্বীকৃতিপত্র পাঠিয়েছে নাসা। এই সার্টিফিকেটে উল্লেখ করা হয়েছে—‘আমাদের সাইবার নিরাপত্তা জোরদারে আপনার কার্যকর অবদানের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।’
নিজ প্রচেষ্টায় এত বড় কৃতিত্ব অর্জন করে মুনতাধার প্রমাণ করে যে, সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যেও ইরাকের তরুণদের মধ্যে রয়েছে অসীম সম্ভাবনা ও প্রতিভা। তাঁর এই অর্জন জাতির জন্য গর্বের বিষয় এবং বিশ্বমঞ্চে ইরাকি তরুণদের এগিয়ে যাওয়ার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
তথ্যসূত্র: ইরাকি নিউজ
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক চ্যাটজিপিটির পরামর্শ মেনে খাদ্যাভাস পরিবর্তন করায় নিউইয়র্কের ৬০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসকদের মতে, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে খাদ্যাভ্যাসে প্রায় সম্পূর্ণভাবে লবণ বাদ দিয়ে ফেলেন ওই ব্যক্তি, যার ফলে তার শরীরে বিপজ্জনকভাবে সোডিয়ামের ঘাটতি দেখা দেয়।
১৮ দিন আগেঅ্যাপলের অ্যাপ স্টোর নীতিমালা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি উদ্যোক্তা এবং এক্সএআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক। নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে পিন করা একটি পোস্টে মাস্ক দাবি করেন, অ্যাপল ইচ্ছাকৃতভাবে ওপেনএআই ছাড়া অন্য কোনো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক কোম্পানিকে অ্যাপ স্টোরের র্য
১৮ দিন আগেবিশ্বের জনপ্রিয় এআই চ্যাটবট চ্যাটজিপিটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই সম্প্রতি তাদের সর্বশেষ সংস্করণ জিপিটি-৫ উন্মোচন করেছে। প্রতিষ্ঠানটি দাবি করছে, এই মডেলটি মানুষের পিএইচডি লেভেলের দক্ষ!
১৮ দিন আগেস্মার্টফোন আসক্তি অনেকের কাছে ব্যাপক মাথাব্যথার কারণ। বিরতিহীন স্মার্টফোন স্ক্রলিংয়ের কারণে অন্যান্য কাজে মনোযোগ নষ্ট হয়। তা ছাড়া মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তবে স্মার্টফোনের আসক্তি কমানো যায় স্মার্টফোন দিয়েই। বিভিন্ন অ্যাপ দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তি থেকে বেরিয়ে আসা যায়। দেখে নিন
১৮ দিন আগে