টি এইচ মাহির
মোবাইল ফোন কিংবা ল্যাপটপের এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ডেটা স্থানান্তরে ব্লুটুথ ব্যবহার করা হয়। স্বল্প দূরত্বে ডেটা বা তথ্য স্থানান্তরের খুব জনপ্রিয় মাধ্যম এটি। প্রায় সব মোবাইল ফোনে বিল্ট ইন ব্লুটুথ থাকে। ইদানীং বেশ কিছু স্মার্টফোন নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান ব্লুটুথের বদলে নতুন ডেটা স্থানান্তর পদ্ধতি আনছে; যার নাম আলট্রা-ওয়াইড ব্যান্ড প্রযুক্তি।
আলট্রা-ওয়াইড ব্যান্ড প্রযুক্তি হলো রেডিও সংকেত ব্যবহার করে তথ্য পাঠানোর প্রযুক্তি, যাকে সংক্ষেপে ইউডব্লিউবি বলা হয়। মূলত তারহীন তথ্য আদান-প্রদান প্রযুক্তি এই ইউডব্লিউবি। এ প্রযুক্তি প্রথম ব্যবহার করেন ইতালীয় উদ্ভাবক গুগলিয়েলমো মার্কনি। ১৯০১ সালে দীর্ঘ দূরত্বে রেডিও সংকেত পাঠানোর জন্য আলট্রা-ওয়াইড ব্যান্ড ব্যবহার করেন তিনি। যদিও বর্তমানে ইউডব্লিউবি ব্যবহার করা হয় স্বল্প দূরত্বে প্রচুর ডেটা পাঠানোর জন্য। এই প্রযুক্তিকে বর্তমানে ব্লুটুথের বিকল্প ভাবা হচ্ছে। দুটি ডিভাইসে তারহীন বা অন্যান্য ইলেকট্রনিক
হস্তক্ষেপ ছাড়াই তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে ইউডব্লিউবি।
যেভাবে কাজ করে
ইউডব্লিউবি সোনার সিস্টেমের মতো কাজ করে। কিন্তু এটা শব্দতরঙ্গের পরিবর্তে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন বেতার তরঙ্গের ছোট স্পন্দন ব্যবহার করে। আলট্রা-ওয়াইড ব্যান্ড আগে পালস রেডিও নামে পরিচিত ছিল। কিন্তু এফসিসি ও ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন রেডিও কমিউনিকেশন সেক্টর (আইটিইউ-আর) বর্তমানে ইউডব্লিউবিকে একটি অ্যানটেনা ট্রান্সমিশন হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে। মূলত দুটি ডিভাইস কাছাকাছি গেলে ইউডব্লিউবি রেঞ্জিং শুরু করে। ট্রান্সমিটিং ডিভাইস থেকে রিসিভিং ডিভাইসে এই স্পন্দনগুলোর যাতায়াতের সময় পরিমাপ করে, যা টাইম অব ফ্লাইট (টোফ) নামে পরিচিত। এ প্রযুক্তিতে দুটি ডিভাইসের মধ্যে দূরত্ব গণনা করা হয়। এই দূরত্ব গণনাই প্রযুক্তিটির বিশেষ দিক।
ইউডব্লিউবি প্রযুক্তি ডিভাইসের অবস্থান ও আপেক্ষিক গতিবিধি নির্ধারণে সহায়তা করতে পারে। আলট্রা-ওয়াইড ব্যান্ড প্রযুক্তি ৩ মেগাহার্টজ থেকে ৩০ মেগাহার্টজ পরিসরে কাজ করে, যা অন্যান্য ওয়্যারলেস যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। ফলে বড় বড় ফাইল অনায়াসে পাঠানো যায় এর মাধ্যমে। ইউডব্লিউবি সংকেতগুলো দেয়াল ও আসবাবের মতো বাধার মধ্য দিয়েও খুব ভালোভাবে চলাচল করতে পারে।
বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে ব্লুটুথ প্রযুক্তির বদলে ইউডব্লিউ প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে। যখন আমরা ওয়্যারলেস কানেকটিভিটি প্রযুক্তির কথা চিন্তা করি, তখন সাধারণত ব্লুটুথ ও ওয়াই-ফাই মনে আসে। কিন্তু এই প্রযুক্তিগুলো থেকে ইউডব্লিউবি নিরাপত্তা ও ফ্রিকোয়েন্সিতে অনেক এগিয়ে আছে। বেশির ভাগ ওয়্যারলেস কানেকটিভিটি প্রযুক্তিগতভাবে রেঞ্জিং দিতে পারে। কিন্তু ইউডব্লিউবির কর্মক্ষমতা অনেক বেশি। এ প্রযুক্তি এখনো সেভাবে ছড়িয়ে পড়েনি। কিছু কিছু ডিভাইসে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ব্লুটুথের পরিবর্তে এর ব্যবহার শুরু করেছে। ভবিষ্যতে গাড়ি, এসি, ফ্যানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইউডব্লিউবি ব্যবহৃত হতে পারে।
মোবাইল ফোন কিংবা ল্যাপটপের এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ডেটা স্থানান্তরে ব্লুটুথ ব্যবহার করা হয়। স্বল্প দূরত্বে ডেটা বা তথ্য স্থানান্তরের খুব জনপ্রিয় মাধ্যম এটি। প্রায় সব মোবাইল ফোনে বিল্ট ইন ব্লুটুথ থাকে। ইদানীং বেশ কিছু স্মার্টফোন নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান ব্লুটুথের বদলে নতুন ডেটা স্থানান্তর পদ্ধতি আনছে; যার নাম আলট্রা-ওয়াইড ব্যান্ড প্রযুক্তি।
আলট্রা-ওয়াইড ব্যান্ড প্রযুক্তি হলো রেডিও সংকেত ব্যবহার করে তথ্য পাঠানোর প্রযুক্তি, যাকে সংক্ষেপে ইউডব্লিউবি বলা হয়। মূলত তারহীন তথ্য আদান-প্রদান প্রযুক্তি এই ইউডব্লিউবি। এ প্রযুক্তি প্রথম ব্যবহার করেন ইতালীয় উদ্ভাবক গুগলিয়েলমো মার্কনি। ১৯০১ সালে দীর্ঘ দূরত্বে রেডিও সংকেত পাঠানোর জন্য আলট্রা-ওয়াইড ব্যান্ড ব্যবহার করেন তিনি। যদিও বর্তমানে ইউডব্লিউবি ব্যবহার করা হয় স্বল্প দূরত্বে প্রচুর ডেটা পাঠানোর জন্য। এই প্রযুক্তিকে বর্তমানে ব্লুটুথের বিকল্প ভাবা হচ্ছে। দুটি ডিভাইসে তারহীন বা অন্যান্য ইলেকট্রনিক
হস্তক্ষেপ ছাড়াই তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে ইউডব্লিউবি।
যেভাবে কাজ করে
ইউডব্লিউবি সোনার সিস্টেমের মতো কাজ করে। কিন্তু এটা শব্দতরঙ্গের পরিবর্তে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন বেতার তরঙ্গের ছোট স্পন্দন ব্যবহার করে। আলট্রা-ওয়াইড ব্যান্ড আগে পালস রেডিও নামে পরিচিত ছিল। কিন্তু এফসিসি ও ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন রেডিও কমিউনিকেশন সেক্টর (আইটিইউ-আর) বর্তমানে ইউডব্লিউবিকে একটি অ্যানটেনা ট্রান্সমিশন হিসেবে সংজ্ঞায়িত করে। মূলত দুটি ডিভাইস কাছাকাছি গেলে ইউডব্লিউবি রেঞ্জিং শুরু করে। ট্রান্সমিটিং ডিভাইস থেকে রিসিভিং ডিভাইসে এই স্পন্দনগুলোর যাতায়াতের সময় পরিমাপ করে, যা টাইম অব ফ্লাইট (টোফ) নামে পরিচিত। এ প্রযুক্তিতে দুটি ডিভাইসের মধ্যে দূরত্ব গণনা করা হয়। এই দূরত্ব গণনাই প্রযুক্তিটির বিশেষ দিক।
ইউডব্লিউবি প্রযুক্তি ডিভাইসের অবস্থান ও আপেক্ষিক গতিবিধি নির্ধারণে সহায়তা করতে পারে। আলট্রা-ওয়াইড ব্যান্ড প্রযুক্তি ৩ মেগাহার্টজ থেকে ৩০ মেগাহার্টজ পরিসরে কাজ করে, যা অন্যান্য ওয়্যারলেস যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। ফলে বড় বড় ফাইল অনায়াসে পাঠানো যায় এর মাধ্যমে। ইউডব্লিউবি সংকেতগুলো দেয়াল ও আসবাবের মতো বাধার মধ্য দিয়েও খুব ভালোভাবে চলাচল করতে পারে।
বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে ব্লুটুথ প্রযুক্তির বদলে ইউডব্লিউ প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে। যখন আমরা ওয়্যারলেস কানেকটিভিটি প্রযুক্তির কথা চিন্তা করি, তখন সাধারণত ব্লুটুথ ও ওয়াই-ফাই মনে আসে। কিন্তু এই প্রযুক্তিগুলো থেকে ইউডব্লিউবি নিরাপত্তা ও ফ্রিকোয়েন্সিতে অনেক এগিয়ে আছে। বেশির ভাগ ওয়্যারলেস কানেকটিভিটি প্রযুক্তিগতভাবে রেঞ্জিং দিতে পারে। কিন্তু ইউডব্লিউবির কর্মক্ষমতা অনেক বেশি। এ প্রযুক্তি এখনো সেভাবে ছড়িয়ে পড়েনি। কিছু কিছু ডিভাইসে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ব্লুটুথের পরিবর্তে এর ব্যবহার শুরু করেছে। ভবিষ্যতে গাড়ি, এসি, ফ্যানসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইউডব্লিউবি ব্যবহৃত হতে পারে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক চ্যাটজিপিটির পরামর্শ মেনে খাদ্যাভাস পরিবর্তন করায় নিউইয়র্কের ৬০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসকদের মতে, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে খাদ্যাভ্যাসে প্রায় সম্পূর্ণভাবে লবণ বাদ দিয়ে ফেলেন ওই ব্যক্তি, যার ফলে তার শরীরে বিপজ্জনকভাবে সোডিয়ামের ঘাটতি দেখা দেয়।
১৯ দিন আগেঅ্যাপলের অ্যাপ স্টোর নীতিমালা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি উদ্যোক্তা এবং এক্সএআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক। নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে পিন করা একটি পোস্টে মাস্ক দাবি করেন, অ্যাপল ইচ্ছাকৃতভাবে ওপেনএআই ছাড়া অন্য কোনো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক কোম্পানিকে অ্যাপ স্টোরের র্য
১৯ দিন আগেবিশ্বের জনপ্রিয় এআই চ্যাটবট চ্যাটজিপিটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই সম্প্রতি তাদের সর্বশেষ সংস্করণ জিপিটি-৫ উন্মোচন করেছে। প্রতিষ্ঠানটি দাবি করছে, এই মডেলটি মানুষের পিএইচডি লেভেলের দক্ষ!
১৯ দিন আগেস্মার্টফোন আসক্তি অনেকের কাছে ব্যাপক মাথাব্যথার কারণ। বিরতিহীন স্মার্টফোন স্ক্রলিংয়ের কারণে অন্যান্য কাজে মনোযোগ নষ্ট হয়। তা ছাড়া মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তবে স্মার্টফোনের আসক্তি কমানো যায় স্মার্টফোন দিয়েই। বিভিন্ন অ্যাপ দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তি থেকে বেরিয়ে আসা যায়। দেখে নিন
১৯ দিন আগে