অনলাইন ডেস্ক
ভারতে আইফোন উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে আরও ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার বা ১৫০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করছে বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তিপণ্য প্রস্তুতকারক ফক্সকন। সিঙ্গাপুরভিত্তিক শাখার মাধ্যমে এই বিনিয়োগ করা হয়েছে ভারতের ইউঝান টেকনোলজি ইন্ডিয়ায়। তামিলনাড়ুতে অবস্থিত এই প্রতিষ্ঠান অ্যাপলের আইফোনের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ সরবরাহকারী হিসেবে কাজ করে।
এই বিনিয়োগের মধ্য দিয়ে ইউঝান টেকনোলজি ইন্ডিয়ার ১২ দশমিক ৭ বিলিয়ন শেয়ার কিনে নেয় ফক্সকনের সিঙ্গাপুরভিত্তিক ইউনিট, যা কোম্পানির উৎপাদন সক্ষমতা আরও বাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এদিকে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার সম্প্রতি নয়ডা বিমানবন্দরের কাছে একটি সেমিকন্ডাক্টর কারখানা স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে ফক্সকনকে। এই প্রকল্প এইচসিএল গ্রুপের সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালিত হবে, যার মূল্য ৩ হাজার ৭০০ কোটি রুপি। এই কারখানায় স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, গাড়ি ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসে ব্যবহৃত ডিসপ্লে ড্রাইভার চিপ উৎপাদন করা হবে। কারখানাটি প্রতি মাসে ২০ হাজার ওয়েফার (মাইক্রোচিপ তৈরির জন্য ব্যবহৃত এক ধরনের ডিস্ক) প্রক্রিয়াজাত করতে পারবে এবং ৩৬ মিলিয়ন ইউনিট চিপ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।
ভারত সরকার সেমিকন্ডাক্টর শিল্প গড়ে তুলতে অবকাঠামো নির্মাণ, সরকারি সহায়তা ও একাডেমিক অংশগ্রহণের ওপর জোর দিচ্ছে। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঁচটি সেমিকন্ডাক্টর ইউনিট নির্মাণাধীন রয়েছে। ফক্সকনের এই নতুন প্রকল্পসহ এখন মোট ছয়টি সেমিকন্ডাক্টর প্রকল্প চালু হয়েছে।
ভারতের সেমিকন্ডাক্টর খাতে ২৭০টির বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ৭০টির বেশি স্টার্টআপ কাজ করছে। চিপ ডিজাইন উন্নয়নে ইতিমধ্যে চণ্ডীগড়ের এসসিএল মোহালিতে ২০টি শিক্ষার্থী-নির্মিত চিপ সফলভাবে তৈরি হয়েছে।
বিশ্বখ্যাত কোম্পানি অ্যাপ্লাইড ম্যাটেরিয়ালস ও ল্যাম রিসার্চ ইতিমধ্যে ভারতে কার্যক্রম শুরু করেছে। সেই সঙ্গে মার্ক, লিন্ডে, এয়ার লিকুইড ও ইনক্সের মতো বড় কোম্পানিগুলোও ভারতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে।
এই বিনিয়োগের পাশাপাশি বেঙ্গালুরুর কাছে দেবনহল্লিতে ফক্সকনের ৩০০ একর জমির বিশাল আইফোন কারখানায় কার্যক্রম চলছে। এই প্রকল্পে মোট ২ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে ফক্সকন। কারখানাটি দোদ্দাগোল্লাহল্লি ও চাপ্পারদাহল্লি গ্রামে অবস্থিত, যা কেম্পেগৌড়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মাত্র ৩৪ কিলোমিটার দূরে।
প্রকল্পটির প্রথম ধাপে (২০২৩–২৪) প্রায় ৩ হাজার কোটি রুপি বিনিয়োগ হয়েছে এবং দ্বিতীয় ধাপে (২০২৬–২৭) একই পরিমাণ অর্থ ব্যয় হবে। ডিসেম্বরের মধ্যে কারখানাটিতে প্রায় ১ লাখ আইফোন উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। কর্মীদের জন্য ডরমিটরি নির্মাণসহ অন্যান্য নির্মাণকাজও চলমান রয়েছে।
এই বিনিয়োগের মধ্য দিয়ে স্পষ্ট যে, অ্যাপল চীনের বাইরে উৎপাদন ছড়িয়ে দিচ্ছে, যদিও সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অ্যাপল সিইও টিম কুককে বলেছিলেন, ‘আমি চাই না আপনি ভারতে উৎপাদন করেন।’ তবে এ বক্তব্যের পরও অ্যাপল ভারতের ওপর নির্ভরতা বাড়াচ্ছে। টিম কুক ইতিমধ্যে বলেছেন, ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি হওয়া অধিকাংশ আইফোনই ভারতে তৈরি হবে।
তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
ভারতে আইফোন উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্যে আরও ১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার বা ১৫০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করছে বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তিপণ্য প্রস্তুতকারক ফক্সকন। সিঙ্গাপুরভিত্তিক শাখার মাধ্যমে এই বিনিয়োগ করা হয়েছে ভারতের ইউঝান টেকনোলজি ইন্ডিয়ায়। তামিলনাড়ুতে অবস্থিত এই প্রতিষ্ঠান অ্যাপলের আইফোনের গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ সরবরাহকারী হিসেবে কাজ করে।
এই বিনিয়োগের মধ্য দিয়ে ইউঝান টেকনোলজি ইন্ডিয়ার ১২ দশমিক ৭ বিলিয়ন শেয়ার কিনে নেয় ফক্সকনের সিঙ্গাপুরভিত্তিক ইউনিট, যা কোম্পানির উৎপাদন সক্ষমতা আরও বাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এদিকে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার সম্প্রতি নয়ডা বিমানবন্দরের কাছে একটি সেমিকন্ডাক্টর কারখানা স্থাপনের অনুমোদন দিয়েছে ফক্সকনকে। এই প্রকল্প এইচসিএল গ্রুপের সঙ্গে যৌথভাবে পরিচালিত হবে, যার মূল্য ৩ হাজার ৭০০ কোটি রুপি। এই কারখানায় স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, গাড়ি ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসে ব্যবহৃত ডিসপ্লে ড্রাইভার চিপ উৎপাদন করা হবে। কারখানাটি প্রতি মাসে ২০ হাজার ওয়েফার (মাইক্রোচিপ তৈরির জন্য ব্যবহৃত এক ধরনের ডিস্ক) প্রক্রিয়াজাত করতে পারবে এবং ৩৬ মিলিয়ন ইউনিট চিপ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।
ভারত সরকার সেমিকন্ডাক্টর শিল্প গড়ে তুলতে অবকাঠামো নির্মাণ, সরকারি সহায়তা ও একাডেমিক অংশগ্রহণের ওপর জোর দিচ্ছে। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঁচটি সেমিকন্ডাক্টর ইউনিট নির্মাণাধীন রয়েছে। ফক্সকনের এই নতুন প্রকল্পসহ এখন মোট ছয়টি সেমিকন্ডাক্টর প্রকল্প চালু হয়েছে।
ভারতের সেমিকন্ডাক্টর খাতে ২৭০টির বেশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ৭০টির বেশি স্টার্টআপ কাজ করছে। চিপ ডিজাইন উন্নয়নে ইতিমধ্যে চণ্ডীগড়ের এসসিএল মোহালিতে ২০টি শিক্ষার্থী-নির্মিত চিপ সফলভাবে তৈরি হয়েছে।
বিশ্বখ্যাত কোম্পানি অ্যাপ্লাইড ম্যাটেরিয়ালস ও ল্যাম রিসার্চ ইতিমধ্যে ভারতে কার্যক্রম শুরু করেছে। সেই সঙ্গে মার্ক, লিন্ডে, এয়ার লিকুইড ও ইনক্সের মতো বড় কোম্পানিগুলোও ভারতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে।
এই বিনিয়োগের পাশাপাশি বেঙ্গালুরুর কাছে দেবনহল্লিতে ফক্সকনের ৩০০ একর জমির বিশাল আইফোন কারখানায় কার্যক্রম চলছে। এই প্রকল্পে মোট ২ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে ফক্সকন। কারখানাটি দোদ্দাগোল্লাহল্লি ও চাপ্পারদাহল্লি গ্রামে অবস্থিত, যা কেম্পেগৌড়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মাত্র ৩৪ কিলোমিটার দূরে।
প্রকল্পটির প্রথম ধাপে (২০২৩–২৪) প্রায় ৩ হাজার কোটি রুপি বিনিয়োগ হয়েছে এবং দ্বিতীয় ধাপে (২০২৬–২৭) একই পরিমাণ অর্থ ব্যয় হবে। ডিসেম্বরের মধ্যে কারখানাটিতে প্রায় ১ লাখ আইফোন উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। কর্মীদের জন্য ডরমিটরি নির্মাণসহ অন্যান্য নির্মাণকাজও চলমান রয়েছে।
এই বিনিয়োগের মধ্য দিয়ে স্পষ্ট যে, অ্যাপল চীনের বাইরে উৎপাদন ছড়িয়ে দিচ্ছে, যদিও সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অ্যাপল সিইও টিম কুককে বলেছিলেন, ‘আমি চাই না আপনি ভারতে উৎপাদন করেন।’ তবে এ বক্তব্যের পরও অ্যাপল ভারতের ওপর নির্ভরতা বাড়াচ্ছে। টিম কুক ইতিমধ্যে বলেছেন, ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি হওয়া অধিকাংশ আইফোনই ভারতে তৈরি হবে।
তথ্যসূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক চ্যাটজিপিটির পরামর্শ মেনে খাদ্যাভাস পরিবর্তন করায় নিউইয়র্কের ৬০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসকদের মতে, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে খাদ্যাভ্যাসে প্রায় সম্পূর্ণভাবে লবণ বাদ দিয়ে ফেলেন ওই ব্যক্তি, যার ফলে তার শরীরে বিপজ্জনকভাবে সোডিয়ামের ঘাটতি দেখা দেয়।
১৮ দিন আগেঅ্যাপলের অ্যাপ স্টোর নীতিমালা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি উদ্যোক্তা এবং এক্সএআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্ক। নিজের এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্টে পিন করা একটি পোস্টে মাস্ক দাবি করেন, অ্যাপল ইচ্ছাকৃতভাবে ওপেনএআই ছাড়া অন্য কোনো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক কোম্পানিকে অ্যাপ স্টোরের র্য
১৮ দিন আগেবিশ্বের জনপ্রিয় এআই চ্যাটবট চ্যাটজিপিটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই সম্প্রতি তাদের সর্বশেষ সংস্করণ জিপিটি-৫ উন্মোচন করেছে। প্রতিষ্ঠানটি দাবি করছে, এই মডেলটি মানুষের পিএইচডি লেভেলের দক্ষ!
১৮ দিন আগেস্মার্টফোন আসক্তি অনেকের কাছে ব্যাপক মাথাব্যথার কারণ। বিরতিহীন স্মার্টফোন স্ক্রলিংয়ের কারণে অন্যান্য কাজে মনোযোগ নষ্ট হয়। তা ছাড়া মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তবে স্মার্টফোনের আসক্তি কমানো যায় স্মার্টফোন দিয়েই। বিভিন্ন অ্যাপ দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া আসক্তি থেকে বেরিয়ে আসা যায়। দেখে নিন
১৮ দিন আগে