নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে ১০ নম্বরে বাংলাদেশ। চারে শ্রীলঙ্কা। আজ থেকে শুরু হতে যাওয়া তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে তাই স্বাগতিক শ্রীলঙ্কাই ফেবারিট। মুখোমুখি লড়াইয়ের পরিসংখ্যানেও এগিয়ে লঙ্কানরা। এ পর্যন্ত ৫৭টি ওয়ানডে খেলেছে দুই দল। বাংলাদেশের ১২ জয়ের বিপরীতে শ্রীলঙ্কার জয় ৪৩টি।
আর এমন এক সময়ে তাদের বিপক্ষে খেলছে বাংলাদেশ, যার আগে কলম্বো টেস্টে যাচ্ছেতাই পারফরম্যান্স করেছে দল। সেই সিরিজ থেকে যেখানে আত্মবিশ্বাসের জ্বালানি নেওয়ার কথা, উল্টো তা হারিয়ে বসেছে। আর নিজেদের শেষ পাঁচ ওয়ানডের পাঁচটিতে হেরেছে বাংলাদেশ। অর্থাৎ, র্যাঙ্কিংয়ে মুখোমুখি লড়াইয়ের রেকর্ড কিংবা সাম্প্রতিক ফর্ম—কোনো কিছুই অনুকূলে নেই সফরকারী দলের।
এই ‘মন্দে’র মধ্যেও ‘ভালো’ দিক হচ্ছে, হারানোর কিছু নেই বাংলাদেশের! তলানিতে থেকেই নতুন করে একটা সিরিজ শুরু করবে সফরকারীরা। আর এই নতুন যাত্রাও কিনা নতুন এক অধিনায়কের নেতৃত্বে। এই সিরিজ দিয়ে পূর্ণ মেয়াদে বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে পথচলা শুরু হবে মেহেদী হাসান মিরাজের। তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথমটি আজ শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বেলা ৩টায়, কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে।
২০১৭ সালে এই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলেই ওয়ানডেতে অভিষেক হয়েছিল মিরাজের। এবার একই দলের বিপক্ষে শুরু অধিনায়কত্বের অধ্যায়। আজ টস করতে নামার আগেই অবশ্য অধিনায়কের কিছু আনুষ্ঠাকিতা সারতে হয়েছে মিরাজকে। এই যেমন গতকাল কলম্বোর ইনডিপেনডেন্স স্কয়ারে বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের অধিনায়ক হিসেবে মিরাজ ট্রফি উন্মোচন করলেন শ্রীলঙ্কান অধিনায়ক চারিত আসালাঙ্কাকে নিয়ে।
ট্রফি উন্মোচনের সময় দুই অধিনায়কের মুখেই ছিল স্মিত হাসি, ছিল সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশ। কিন্তু সীমিত ওভারের ক্রিকেটে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার লড়াই যেন অন্য এক দ্বৈরথ। ফেবারিট আর আন্ডারডগের ভেদাভেদ মুছে দুই দেশের আবেগের মিশেলে যে লড়াই হয়ে ওঠে রোমাঞ্চকর ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। ২০১৩ সালে পাল্লেকেলেতে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে, ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বাংলাদেশের দাপুটে জয় কিংবা ২০১৮ সালের নিদাহাস ট্রফিতে শেষ ওভারের নাটকীয়তা—দুই দলের জমে যাওয়া দ্বৈরথের প্রতিফলন। মুশফিকুর রহিমের ‘নাগিন নাচ’ কিংবা অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুসের ‘টাইমড আউট’ উত্তেজনাপূর্ণ সে দ্বৈরথের পরিচায়ক। যে দ্বৈরথের উত্তাপ টের পাচ্ছেন লঙ্কান অধিনায়ক আসালাঙ্কা, ‘খেলার মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পরিস্থিতি সবাই আশা করে। এমন উত্তাপ, লড়াই, এমন ম্যাচ দর্শক প্রত্যাশা করে। দিনশেষে আমরা ভালো বন্ধু।’
তবে এবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আক্ষরিক অর্থেই লড়বে নতুন এক বাংলাদেশ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের পঞ্চপাণ্ডব তথা মাশরাফি বিন মর্তুজা, তামিম ইকবাল, সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মুশফিকুর রহিমদের কেউ নেই এবারের দলে। ১৮ বছর পর এই প্রথম তাঁদের ছাড়াই সিরিজ খেলতে নামছে বাংলাদেশ। তাই তাঁদের অনুপস্থিতিতে যাঁরা সুযোগ পেয়েছেন, তাঁদের নিজেদের মেলে ধরার একটা সুযোগও এই সিরিজ। নতুন অধিনায়কের নেতৃত্বে সুযোগটা কাজে লাগাতে পারলেই দারুণ এক অর্জন বাংলাদেশের সামনে। শ্রীলঙ্কার মাটিতে কখনো সিরিজ জিততে পারেনি বাংলাদেশ। সেই অর্জন এবার হবে কি?
ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে ১০ নম্বরে বাংলাদেশ। চারে শ্রীলঙ্কা। আজ থেকে শুরু হতে যাওয়া তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে তাই স্বাগতিক শ্রীলঙ্কাই ফেবারিট। মুখোমুখি লড়াইয়ের পরিসংখ্যানেও এগিয়ে লঙ্কানরা। এ পর্যন্ত ৫৭টি ওয়ানডে খেলেছে দুই দল। বাংলাদেশের ১২ জয়ের বিপরীতে শ্রীলঙ্কার জয় ৪৩টি।
আর এমন এক সময়ে তাদের বিপক্ষে খেলছে বাংলাদেশ, যার আগে কলম্বো টেস্টে যাচ্ছেতাই পারফরম্যান্স করেছে দল। সেই সিরিজ থেকে যেখানে আত্মবিশ্বাসের জ্বালানি নেওয়ার কথা, উল্টো তা হারিয়ে বসেছে। আর নিজেদের শেষ পাঁচ ওয়ানডের পাঁচটিতে হেরেছে বাংলাদেশ। অর্থাৎ, র্যাঙ্কিংয়ে মুখোমুখি লড়াইয়ের রেকর্ড কিংবা সাম্প্রতিক ফর্ম—কোনো কিছুই অনুকূলে নেই সফরকারী দলের।
এই ‘মন্দে’র মধ্যেও ‘ভালো’ দিক হচ্ছে, হারানোর কিছু নেই বাংলাদেশের! তলানিতে থেকেই নতুন করে একটা সিরিজ শুরু করবে সফরকারীরা। আর এই নতুন যাত্রাও কিনা নতুন এক অধিনায়কের নেতৃত্বে। এই সিরিজ দিয়ে পূর্ণ মেয়াদে বাংলাদেশের ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে পথচলা শুরু হবে মেহেদী হাসান মিরাজের। তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথমটি আজ শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বেলা ৩টায়, কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে।
২০১৭ সালে এই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে খেলেই ওয়ানডেতে অভিষেক হয়েছিল মিরাজের। এবার একই দলের বিপক্ষে শুরু অধিনায়কত্বের অধ্যায়। আজ টস করতে নামার আগেই অবশ্য অধিনায়কের কিছু আনুষ্ঠাকিতা সারতে হয়েছে মিরাজকে। এই যেমন গতকাল কলম্বোর ইনডিপেনডেন্স স্কয়ারে বাংলাদেশ ওয়ানডে দলের অধিনায়ক হিসেবে মিরাজ ট্রফি উন্মোচন করলেন শ্রীলঙ্কান অধিনায়ক চারিত আসালাঙ্কাকে নিয়ে।
ট্রফি উন্মোচনের সময় দুই অধিনায়কের মুখেই ছিল স্মিত হাসি, ছিল সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশ। কিন্তু সীমিত ওভারের ক্রিকেটে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কার লড়াই যেন অন্য এক দ্বৈরথ। ফেবারিট আর আন্ডারডগের ভেদাভেদ মুছে দুই দেশের আবেগের মিশেলে যে লড়াই হয়ে ওঠে রোমাঞ্চকর ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। ২০১৩ সালে পাল্লেকেলেতে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে, ২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে বাংলাদেশের দাপুটে জয় কিংবা ২০১৮ সালের নিদাহাস ট্রফিতে শেষ ওভারের নাটকীয়তা—দুই দলের জমে যাওয়া দ্বৈরথের প্রতিফলন। মুশফিকুর রহিমের ‘নাগিন নাচ’ কিংবা অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুসের ‘টাইমড আউট’ উত্তেজনাপূর্ণ সে দ্বৈরথের পরিচায়ক। যে দ্বৈরথের উত্তাপ টের পাচ্ছেন লঙ্কান অধিনায়ক আসালাঙ্কা, ‘খেলার মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পরিস্থিতি সবাই আশা করে। এমন উত্তাপ, লড়াই, এমন ম্যাচ দর্শক প্রত্যাশা করে। দিনশেষে আমরা ভালো বন্ধু।’
তবে এবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আক্ষরিক অর্থেই লড়বে নতুন এক বাংলাদেশ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের পঞ্চপাণ্ডব তথা মাশরাফি বিন মর্তুজা, তামিম ইকবাল, সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও মুশফিকুর রহিমদের কেউ নেই এবারের দলে। ১৮ বছর পর এই প্রথম তাঁদের ছাড়াই সিরিজ খেলতে নামছে বাংলাদেশ। তাই তাঁদের অনুপস্থিতিতে যাঁরা সুযোগ পেয়েছেন, তাঁদের নিজেদের মেলে ধরার একটা সুযোগও এই সিরিজ। নতুন অধিনায়কের নেতৃত্বে সুযোগটা কাজে লাগাতে পারলেই দারুণ এক অর্জন বাংলাদেশের সামনে। শ্রীলঙ্কার মাটিতে কখনো সিরিজ জিততে পারেনি বাংলাদেশ। সেই অর্জন এবার হবে কি?
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটে খেলা চালিয়ে যাচ্ছেন ডেভিড ওয়ার্নার। টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হওয়ার দৌড়ে ছুটছেন বেশ ভালোভাবেই। গতকাল ভারতের বিরাট কোহলিকে টপকে তালিকার পাঁচে উঠে এসেছেন বাঁহাতি এই ওপেনার।
১৮ দিন আগেজাতীয় স্টেডিয়ামের দুটি গ্যালারি অলিখিতভাবে আবাহনী লিমিটেড ও মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের নামে ভাগ করা। মোহামেডান-ভক্তরা অবশ্য দীর্ঘশ্বাস ফেলতে পারেন। জাতীয় স্টেডিয়ামে আজ আবাহনীর জায়গায় দেখা যেতে পারত তাদেরও। ২৩ বছর পর লিগ জেতার গৌরব কিছুটা হলেও ফিকে হয়ে গেছে এএফসির লাইসেন্স না থাকায়।
১৮ দিন আগেনতুন মৌসুম সামনে রেখে ব্রাজিলিয়ান কোচ সের্গিও ফারিয়াস নিয়োগ দিয়েছিল বসুন্ধরা কিংস। আগামীকাল কাতারের দোহায় এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগের প্রাথমিক পর্বে সিরিয়ার ক্লাব আল কারামাহর মুখোমুখি হবে তারা। কাতারে দলের সঙ্গে যোগ দেওয়ার কথা ছিল ফারিয়াসের। উল্টো ইরাকের ক্লাব দুহোকের স্পোর্টসের কোচ হয়েছেন তিনি।
১৯ দিন আগে২০২৬ বিশ্বকাপের স্বেচ্ছাসেবী কর্মসূচির আবেদনপ্রক্রিয়া শুরু করেছে ফিফা। আগ্রহী ব্যক্তিরা আজ শুরু করে দিতে পারেন আবেদনপ্রক্রিয়া।
১৯ দিন আগে