অ্যাপোলো মিশনের অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় পর আবারও চাঁদের উদ্দেশে যাত্রা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশযান। হিউস্টন-ভিত্তিক বেসরকারি মহাকাশ সংস্থা ইনটুইটিভ মেশিনের নির্মিত চন্দ্রযান নোভা-সি ল্যান্ডার গতকাল বৃহস্পতিবার ফ্লোরিডা থেকে চন্দ্রপৃষ্ঠ স্পর্শ করার মিশন শুরু করেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে।
নোভা-সি ল্যান্ডারকে ওডিসিয়াস নামেও ডাকা হচ্ছে। এটিই চাঁদের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করা বিশ্বের প্রথম বেসরকারি মহাকাশযান।
স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টায় কেপ ক্যানাভেরালের নাসার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে ল্যান্ডারটি ইলন মাস্কের স্পেসএক্সের একটি ফ্যালকন-৯ রকেট এ যাত্রা শুরু করে। নাসা-স্পেসএক্সের লাইভ ভিডিওতে দেখা গেছে, ফ্লোরিডার আটলান্টিক উপকূলে অন্ধকার আকাশে উড্ডয়ন করেছে রকেটটি।
উৎক্ষেপণের প্রায় ৪৮ মিনিট পর ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৩৯ মাইল ওপরে ফ্যালকন-৯-এর ওপরের অংশ থেকে মুক্ত হয় ছয় পায়ের ল্যান্ডারটি। একজন মিশন কন্ট্রোলারকে বলতে শোনা গেছে যে, আইএম-১ ওডিসিয়াস ল্যান্ডারের বিচ্ছিন্ন হওয়া নিশ্চিত হয়েছে। এর কিছুক্ষণ পরেই হিউস্টন ওডিসিয়াসের কাছ থেকে প্রথম রেডিও সংকেত গ্রহণ করে।
হিউস্টনভিত্তিক মহাকাশ গবেষণা কোম্পানি ইনিশিয়েটিভ মেশিনজ ‘আইএম-১’ নামে ওই মিশন পরিচালনা করছে। চাঁদে পৌঁছাতে ল্যান্ডারটিকে পাড়ি দিতে হবে প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার মাইল। চন্দ্রপৃষ্ঠে ল্যান্ডারটির অবতরণের নির্ধারিত সময় হচ্ছে আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি। চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে মালাপার্ট এ নামের খাদ বা ক্রেটারে ল্যান্ডারটি অবতরণ করবে বলে পরিকল্পনা হয়েছে। অবতরণের আগে এক দিন চাঁদের কক্ষপথ পরিভ্রমণ করবে ওডিসিয়াস।
ইনিশিয়েটিভ মেশিনজের প্রধান নির্বাহী ও সহপ্রতিষ্ঠাতা স্টিভ আন্টেমুস বলেন, চন্দ্রযানের ল্যান্ডারের নাম ওডিসিয়াস দেওয়া হয়েছে মহাকবি হোমারের ‘দ্য ওডিসি’ মহাকাব্যের নায়কের নামানুসারে।
১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপোলো-১১ চন্দ্রযান প্রথমবারের মতো মানুষ নিয়ে চাঁদে অবতরণ করে। চীনের সাম্প্রতিক চন্দ্রাভিযানের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে আর্টেমিস নামের একটি কার্যক্রম পরিচালনা করছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।
এই আর্টেমিসের আওতায় চাঁদের উদ্দেশে পাঠানো হয়েছে ওডিসিয়াসকে। এর আগে গত ৪ জানুয়ারি চাঁদের উদ্দেশে আরেকটি ভলকান রকেট পাঠিয়েছিল অ্যাস্ট্রোবোটিক টেকনোলজি। তবে কারিগরি ত্রুটির কারণে মহাকাশযানটি চাঁদে যেতে ব্যর্থ হয়।
অ্যাপোলো মিশনের অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় পর আবারও চাঁদের উদ্দেশে যাত্রা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশযান। হিউস্টন-ভিত্তিক বেসরকারি মহাকাশ সংস্থা ইনটুইটিভ মেশিনের নির্মিত চন্দ্রযান নোভা-সি ল্যান্ডার গতকাল বৃহস্পতিবার ফ্লোরিডা থেকে চন্দ্রপৃষ্ঠ স্পর্শ করার মিশন শুরু করেছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে।
নোভা-সি ল্যান্ডারকে ওডিসিয়াস নামেও ডাকা হচ্ছে। এটিই চাঁদের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করা বিশ্বের প্রথম বেসরকারি মহাকাশযান।
স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টায় কেপ ক্যানাভেরালের নাসার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে ল্যান্ডারটি ইলন মাস্কের স্পেসএক্সের একটি ফ্যালকন-৯ রকেট এ যাত্রা শুরু করে। নাসা-স্পেসএক্সের লাইভ ভিডিওতে দেখা গেছে, ফ্লোরিডার আটলান্টিক উপকূলে অন্ধকার আকাশে উড্ডয়ন করেছে রকেটটি।
উৎক্ষেপণের প্রায় ৪৮ মিনিট পর ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৩৯ মাইল ওপরে ফ্যালকন-৯-এর ওপরের অংশ থেকে মুক্ত হয় ছয় পায়ের ল্যান্ডারটি। একজন মিশন কন্ট্রোলারকে বলতে শোনা গেছে যে, আইএম-১ ওডিসিয়াস ল্যান্ডারের বিচ্ছিন্ন হওয়া নিশ্চিত হয়েছে। এর কিছুক্ষণ পরেই হিউস্টন ওডিসিয়াসের কাছ থেকে প্রথম রেডিও সংকেত গ্রহণ করে।
হিউস্টনভিত্তিক মহাকাশ গবেষণা কোম্পানি ইনিশিয়েটিভ মেশিনজ ‘আইএম-১’ নামে ওই মিশন পরিচালনা করছে। চাঁদে পৌঁছাতে ল্যান্ডারটিকে পাড়ি দিতে হবে প্রায় ২ লাখ ৩০ হাজার মাইল। চন্দ্রপৃষ্ঠে ল্যান্ডারটির অবতরণের নির্ধারিত সময় হচ্ছে আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি। চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে মালাপার্ট এ নামের খাদ বা ক্রেটারে ল্যান্ডারটি অবতরণ করবে বলে পরিকল্পনা হয়েছে। অবতরণের আগে এক দিন চাঁদের কক্ষপথ পরিভ্রমণ করবে ওডিসিয়াস।
ইনিশিয়েটিভ মেশিনজের প্রধান নির্বাহী ও সহপ্রতিষ্ঠাতা স্টিভ আন্টেমুস বলেন, চন্দ্রযানের ল্যান্ডারের নাম ওডিসিয়াস দেওয়া হয়েছে মহাকবি হোমারের ‘দ্য ওডিসি’ মহাকাব্যের নায়কের নামানুসারে।
১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাপোলো-১১ চন্দ্রযান প্রথমবারের মতো মানুষ নিয়ে চাঁদে অবতরণ করে। চীনের সাম্প্রতিক চন্দ্রাভিযানের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে আর্টেমিস নামের একটি কার্যক্রম পরিচালনা করছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা।
এই আর্টেমিসের আওতায় চাঁদের উদ্দেশে পাঠানো হয়েছে ওডিসিয়াসকে। এর আগে গত ৪ জানুয়ারি চাঁদের উদ্দেশে আরেকটি ভলকান রকেট পাঠিয়েছিল অ্যাস্ট্রোবোটিক টেকনোলজি। তবে কারিগরি ত্রুটির কারণে মহাকাশযানটি চাঁদে যেতে ব্যর্থ হয়।
নতুন এক বৈপ্লবিক তত্ত্বের মাধ্যমে মহাবিশ্বের উৎপত্তি নিয়ে প্রচলিত ‘বিগ ব্যাং’ ধারণাকে চ্যালেঞ্জ জানালেন আন্তর্জাতিক পদার্থবিদদের এক দল। তাদের দাবি, আমাদের মহাবিশ্বের উৎপত্তি বিগ ব্যাং থেকে নয়, বরং ব্ল্যাকহোল কবা কৃষ্ণগহবর থেকেই সৃষ্টি হয়েছে
১৮ দিন আগেনিয়মিত আকাশপথে ভ্রমণ করা যাত্রীদের জন্য টার্বুলেন্স বা ঝাঁকুনি কোনো নতুন অভিজ্ঞতা নয়। শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে চলমান বাণিজ্যিক বিমান চলাচলের ইতিহাসে এই টার্বুলেন্স মোকাবিলায় ব্যাপক উন্নতি হয়েছে।
১৯ দিন আগেবিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও চিকিৎসাক্ষেত্রে অগ্রণী কিছু ভবিষ্যৎদ্রষ্টা মনে করছেন, মানুষ এখন আর আগের মতো কেবল শতবর্ষ আয়ুর স্বপ্ন দেখছে না। বরং এমন এক সময় আসছে, যখন আমরা স্বাভাবিক আয়ুর চেয়ে ১০ গুণ বেশি সময়, অর্থাৎ হাজার বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারি।
২০ দিন আগেআমাদের সূর্যের চেয়ে ৩৬০০ গুণ বেশি ভরের বিশালাকৃতির ব্ল্যাকহোল খুঁজে পেলেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এটি এখন পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া সবচেয়ে বড় ব্ল্যাকহোলগুলোর একটি এবং সম্ভবত সর্ববৃহৎ। ব্ল্যাকহোলটি অবস্থান করছে ‘কসমিক হর্সশু’ নামের একটি গ্যালাক্সির কেন্দ্রে, যা পৃথিবী থেকে প্রায় ৫০০ কোটি আলোকবর্ষ দূরে।
২০ দিন আগে