নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কার্যক্রমের যৌক্তিক পরিণতি এবং দ্রুত সমাপ্তির আহ্বান জানিয়েছেন ১২ দলীয় জোটের প্রধান সমন্বয়ক ও জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার। তিনি বলেন, ‘আমরা দিনের পর দিন কালক্ষেপণ করতে রাজি নয়। যত দ্রুত সম্ভব আমরা ন্যূনতম একটা ঐকমত্যের জায়গায় এক হতে পারি, বাকি যদি কিছু অসমাপ্ত থাকে, অনৈক্য থাকে, পরবর্তী কালের প্রবাহে সেগুলো আমরা সংশোধন করতে পারব।
আজ রোববার জাতীয় সংসদের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে সংলাপে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন মোস্তফা জামাল হায়দার। তাঁর নেতৃত্বে জোটের ১১ নেতা সংলাপে অংশ নিয়েছেন।
রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মতপার্থক্য এবং দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকা স্বাভাবিক মনে করেন মোস্তফা জামাল হায়দার। তিনি বলেন, ‘এখানেই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য, এখানেই গণতন্ত্রের উৎকর্ষ। কিন্তু তার মধ্যে আমরা একটা ন্যূনতম ঐকমত্যে উপনীত হতে পারি, যাতে আগামী দিনে আর কখনো স্বৈরশাসনের উৎপত্তি হতে না পারে। অন্তত এই রাষ্ট্রকাঠামোর বিধিমালার সুযোগ নিয়ে যাতে নতুন কোনো ক্ষমতাধর ব্যক্তি, নতুন কোনো চিফ জাস্টিস সেই সংবিধানকে আমূল পাল্টে দিয়ে একটা স্বৈরশাসন চাপিয়ে দেওয়ার বন্দোবস্ত না করতে পারে। মূলত সেটা আমাদের উদ্দেশ্য।’
১২ দলীয় জোটের প্রধান সমন্বয়ক আরও বলেন, ‘আজকে আমাদের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা প্রদান করা, দেশ গড়ে তোলার আকাঙ্ক্ষা, সেটা বিলম্বিত না হোক।’
যুগ যুগ ধরে সঞ্চিত রাষ্ট্রকাঠামোর অব্যবস্থা, অসংগতির কারণে সৃষ্ট বিভিন্ন সমস্যা দূরীভূতের জন্য কমিশন চেষ্টা করছে বলেও মন্তব্য করেন মোস্তফা জামাল হায়দার।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের ১৬৬ প্রস্তাবের মধ্যে ১১১টিতে একমত হয়েছে ১২ দলীয় জোট। আর ৪৮টিতে দ্বিমত এবং ৭টি মতামত দেয়নি জোটটি।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের কার্যক্রমের যৌক্তিক পরিণতি এবং দ্রুত সমাপ্তির আহ্বান জানিয়েছেন ১২ দলীয় জোটের প্রধান সমন্বয়ক ও জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) চেয়ারম্যান মোস্তফা জামাল হায়দার। তিনি বলেন, ‘আমরা দিনের পর দিন কালক্ষেপণ করতে রাজি নয়। যত দ্রুত সম্ভব আমরা ন্যূনতম একটা ঐকমত্যের জায়গায় এক হতে পারি, বাকি যদি কিছু অসমাপ্ত থাকে, অনৈক্য থাকে, পরবর্তী কালের প্রবাহে সেগুলো আমরা সংশোধন করতে পারব।
আজ রোববার জাতীয় সংসদের এলডি হলে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে সংলাপে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন মোস্তফা জামাল হায়দার। তাঁর নেতৃত্বে জোটের ১১ নেতা সংলাপে অংশ নিয়েছেন।
রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে মতপার্থক্য এবং দ্বিধাদ্বন্দ্ব থাকা স্বাভাবিক মনে করেন মোস্তফা জামাল হায়দার। তিনি বলেন, ‘এখানেই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য, এখানেই গণতন্ত্রের উৎকর্ষ। কিন্তু তার মধ্যে আমরা একটা ন্যূনতম ঐকমত্যে উপনীত হতে পারি, যাতে আগামী দিনে আর কখনো স্বৈরশাসনের উৎপত্তি হতে না পারে। অন্তত এই রাষ্ট্রকাঠামোর বিধিমালার সুযোগ নিয়ে যাতে নতুন কোনো ক্ষমতাধর ব্যক্তি, নতুন কোনো চিফ জাস্টিস সেই সংবিধানকে আমূল পাল্টে দিয়ে একটা স্বৈরশাসন চাপিয়ে দেওয়ার বন্দোবস্ত না করতে পারে। মূলত সেটা আমাদের উদ্দেশ্য।’
১২ দলীয় জোটের প্রধান সমন্বয়ক আরও বলেন, ‘আজকে আমাদের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা প্রদান করা, দেশ গড়ে তোলার আকাঙ্ক্ষা, সেটা বিলম্বিত না হোক।’
যুগ যুগ ধরে সঞ্চিত রাষ্ট্রকাঠামোর অব্যবস্থা, অসংগতির কারণে সৃষ্ট বিভিন্ন সমস্যা দূরীভূতের জন্য কমিশন চেষ্টা করছে বলেও মন্তব্য করেন মোস্তফা জামাল হায়দার।
জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের ১৬৬ প্রস্তাবের মধ্যে ১১১টিতে একমত হয়েছে ১২ দলীয় জোট। আর ৪৮টিতে দ্বিমত এবং ৭টি মতামত দেয়নি জোটটি।
নতুন ডিজাইন ও সিরিজের ১০০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোট আজ মঙ্গলবার বাজারে আসছে। ‘বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপত্য’ শীর্ষক নতুন নকশার এই ব্যাংক নোট প্রথমে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে ইস্যু করা হবে। পরে ধাপে ধাপে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অন্যান্য অফিস থেকেও পাওয়া যাবে।
১৮ দিন আগেভারপ্রাপ্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসনের সঙ্গে দেখা করে রাষ্ট্র সংস্কার, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ বিভিন্ন বিষয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) অবস্থান তুলে ধরেছেন দলটির নেতারা। আজ সোমবার রাজধানীর গুলশানে রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে বিকেল ৫টা থেকে এক ঘণ্টার বৈঠক হয়...
১৮ দিন আগেভারপ্রাপ্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। আজ সোমবার (১১ আগস্ট) বিকেলে গুলশান-২ নম্বরে রাষ্ট্রদূতের বাসভবনে যান আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ দলটির কেন্দ্রীয় চার নেতা। এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব মুশফিক উস সালেহীন বৈঠকের বিষয়টি নিশ্চিত...
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের ইতিহাসে আগামী নির্বাচন সবচেয়ে কঠিন হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, অনেকে ভাবছে, একটি প্রতিপক্ষ তো আর মাঠে নেই, তাই আগামী নির্বাচন কী আর কঠিন হবে। তবে আগামী নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কঠিন হবে।
১৮ দিন আগে