সম্পাদকীয়
দরজায় কড়া নাড়ছে মুসলমানদের দ্বিতীয় প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা। প্রতিবছর আরবি বর্ষপঞ্জির ১০ জিলহজ ঈদের নামাজ ও পশু কোরবানির মাধ্যমে উদ্যাপিত হয় এই উৎসব। আনন্দ-উল্লাসের পাশাপাশি এই উৎসবের লক্ষ্য—ত্যাগের মহিমায় সমাজটা সুন্দর করে তোলা, স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জনে সৃষ্টির জন্য নিজেকে বিলিয়ে দেওয়া।
ঈদের দিন নতুন জামাকাপড় পরিধান করে ঈদগাহে যেতে সবারই ইচ্ছে করে। ইচ্ছে করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে পরিবারের সবাইকে নিয়ে কোরবানি দিতে। কিন্তু সাধ আর সাধ্য না মেলায় অনেকের ঈদ ফিকে হয়ে যায়। সমাজের অধিকাংশ মানুষেরই এখনো কোরবানি করার সামর্থ্য নেই। কোরবানি দিতে না পেরে অনেক অসহায় মানুষের মুখের হাসি বিলীন হয়ে যায়। মনে রাখতে হবে, ত্যাগের শিক্ষা নিয়ে আকাশে জিলহজের বাঁকা চাঁদ হাসি দেয়। পরস্পর আনন্দ ভাগাভাগি করার নাম ঈদ। গরিব-অসহায় প্রতিবেশীদের সঙ্গে যদি ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করা যায়—তবেই কোরবানির প্রকৃত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।
সমাজে যারা কষ্ট-দুর্দশায় দিনাতিপাত করে, তাদের ঘরেও যেন ঈদের আনন্দ আসে, তাদের হাঁড়িতেও যেন মাংস রান্না হয়—সে বিষয়ে কোরবানিদাতাদের দায়িত্বশীল হতে হবে। অযথা বিত্তবৈভবের মহড়া না দেখিয়ে সত্যিকারের ইবাদত ও সমাজসেবার মানসে গরিব-দুঃখী-অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। এ ছাড়া দায়িত্বের কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, ডাক্তার-সাংবাদিক, ইমাম-মুয়াজ্জিন, নিরাপত্তাকর্মীসহ নানা পেশার মানুষ পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে পারেন না। তাঁদের সঙ্গেও ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে হবে।
ঈদের দিন নামাজ আদায় করে সামর্থ্যবানরা কোরবানি করে থাকেন। এটা তাঁদের কর্তব্য। তবে শুধু পশু জবাই আর মাংস বণ্টন করে ঘরে নেওয়ার মধ্যেই এই কর্তব্য শেষ নয়। কোরবানির পশুর রক্ত, মজ্জা, হাড়গোড় আর বিষ্ঠা পড়ে থেকে পরিবেশ যেন নষ্ট না হয়—সে ব্যাপারে সতর্ক থাকাও কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। কোরবানির পশুর বর্জ্যের কারণে যদি অন্য মানুষ কষ্ট পায়, পথ চলতে না পারে—তাহলে তা সচেতন মুসলমানের পরিচয় নয়। ইসলাম পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়। যত্রতত্র বর্জ্য ফেলে কোরবানির মাহাত্ম্যকে ম্লান করা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
ঈদুল আজহার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে আছে হজের বিধান। শুভ্র বসনে রবের দুয়ারে রহমতের ভিখারি হন হাজিরা। হজ মুসলিম উম্মাহর বিশ্ব সম্মেলন। বর্ণ, গোত্র ও জাতীয়তার ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দেয় হজ। মক্কায় এখন যাঁরা হজের ইবাদতে নিয়োজিত, তাঁদের হজ আল্লাহ কবুল করুক। যাঁদের এখনো হজ করার সৌভাগ্য হয়নি—মহান আল্লাহ কাবা প্রান্তরে গিয়ে লাব্বাইক ধ্বনি তোলার সুযোগ দিক।
হজের শুভ্রতা, কোরবানির ত্যাগ আর উৎসবের আনন্দে ঈদুল আজহা প্রিয়জনদের সঙ্গে সুন্দর কাটুক। ফিলিস্তিনিসহ পৃথিবীর নানা প্রান্তে নির্যাতিত মানুষ মুক্তি পাক। ঈদের আনন্দে ধুয়ে-মুছে যাক সব দুঃখ-গ্লানি। সবাইকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা।
ঈদ মোবারক।
দরজায় কড়া নাড়ছে মুসলমানদের দ্বিতীয় প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা। প্রতিবছর আরবি বর্ষপঞ্জির ১০ জিলহজ ঈদের নামাজ ও পশু কোরবানির মাধ্যমে উদ্যাপিত হয় এই উৎসব। আনন্দ-উল্লাসের পাশাপাশি এই উৎসবের লক্ষ্য—ত্যাগের মহিমায় সমাজটা সুন্দর করে তোলা, স্রষ্টার সন্তুষ্টি অর্জনে সৃষ্টির জন্য নিজেকে বিলিয়ে দেওয়া।
ঈদের দিন নতুন জামাকাপড় পরিধান করে ঈদগাহে যেতে সবারই ইচ্ছে করে। ইচ্ছে করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনে পরিবারের সবাইকে নিয়ে কোরবানি দিতে। কিন্তু সাধ আর সাধ্য না মেলায় অনেকের ঈদ ফিকে হয়ে যায়। সমাজের অধিকাংশ মানুষেরই এখনো কোরবানি করার সামর্থ্য নেই। কোরবানি দিতে না পেরে অনেক অসহায় মানুষের মুখের হাসি বিলীন হয়ে যায়। মনে রাখতে হবে, ত্যাগের শিক্ষা নিয়ে আকাশে জিলহজের বাঁকা চাঁদ হাসি দেয়। পরস্পর আনন্দ ভাগাভাগি করার নাম ঈদ। গরিব-অসহায় প্রতিবেশীদের সঙ্গে যদি ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করা যায়—তবেই কোরবানির প্রকৃত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব।
সমাজে যারা কষ্ট-দুর্দশায় দিনাতিপাত করে, তাদের ঘরেও যেন ঈদের আনন্দ আসে, তাদের হাঁড়িতেও যেন মাংস রান্না হয়—সে বিষয়ে কোরবানিদাতাদের দায়িত্বশীল হতে হবে। অযথা বিত্তবৈভবের মহড়া না দেখিয়ে সত্যিকারের ইবাদত ও সমাজসেবার মানসে গরিব-দুঃখী-অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে। এ ছাড়া দায়িত্বের কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, ডাক্তার-সাংবাদিক, ইমাম-মুয়াজ্জিন, নিরাপত্তাকর্মীসহ নানা পেশার মানুষ পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে পারেন না। তাঁদের সঙ্গেও ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে হবে।
ঈদের দিন নামাজ আদায় করে সামর্থ্যবানরা কোরবানি করে থাকেন। এটা তাঁদের কর্তব্য। তবে শুধু পশু জবাই আর মাংস বণ্টন করে ঘরে নেওয়ার মধ্যেই এই কর্তব্য শেষ নয়। কোরবানির পশুর রক্ত, মজ্জা, হাড়গোড় আর বিষ্ঠা পড়ে থেকে পরিবেশ যেন নষ্ট না হয়—সে ব্যাপারে সতর্ক থাকাও কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। কোরবানির পশুর বর্জ্যের কারণে যদি অন্য মানুষ কষ্ট পায়, পথ চলতে না পারে—তাহলে তা সচেতন মুসলমানের পরিচয় নয়। ইসলাম পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়। যত্রতত্র বর্জ্য ফেলে কোরবানির মাহাত্ম্যকে ম্লান করা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
ঈদুল আজহার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে আছে হজের বিধান। শুভ্র বসনে রবের দুয়ারে রহমতের ভিখারি হন হাজিরা। হজ মুসলিম উম্মাহর বিশ্ব সম্মেলন। বর্ণ, গোত্র ও জাতীয়তার ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দেয় হজ। মক্কায় এখন যাঁরা হজের ইবাদতে নিয়োজিত, তাঁদের হজ আল্লাহ কবুল করুক। যাঁদের এখনো হজ করার সৌভাগ্য হয়নি—মহান আল্লাহ কাবা প্রান্তরে গিয়ে লাব্বাইক ধ্বনি তোলার সুযোগ দিক।
হজের শুভ্রতা, কোরবানির ত্যাগ আর উৎসবের আনন্দে ঈদুল আজহা প্রিয়জনদের সঙ্গে সুন্দর কাটুক। ফিলিস্তিনিসহ পৃথিবীর নানা প্রান্তে নির্যাতিত মানুষ মুক্তি পাক। ঈদের আনন্দে ধুয়ে-মুছে যাক সব দুঃখ-গ্লানি। সবাইকে পবিত্র ঈদুল আজহার শুভেচ্ছা।
ঈদ মোবারক।
শান্তিতে নোবেল পুরস্কার একসময় ছিল আন্তর্জাতিক নৈতিকতার শীর্ষ সম্মান—যেখানে পুরস্কার পেতেন তাঁরা, যাঁদের জীবন ও কর্ম বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় এক অনন্য দৃষ্টান্ত। আজ সেই পুরস্কার অনেকটা হয়ে দাঁড়িয়েছে রাজনৈতিক সৌজন্য উপহার। যা দেওয়া হয় যখন কারও হাত মলতে হয়, অহংকারে তেল দিতে হয় বা নিজের অ্যাজেন্ডা...
১৯ দিন আগেগত বছর জুলাই মাস থেকে আমাদের আন্দোলনকারী তরুণ ছাত্রছাত্রীদের মুখে ও কিছু কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের মুখে, বেশি বেশি করে কয়েকটি বাক্য উচ্চারিত হয়ে আসছিল। বাকিগুলোর মধ্যে প্রথম যে বাক্যটি সবার কানে বেধেছে, সেটা হলো ‘বন্দোবস্ত’।
১৯ দিন আগেপ্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন সম্প্রতি রংপুরে অনুষ্ঠিত এক সভায় যে কথাগুলো বলেছেন, তা দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি অকপটে স্বীকার করেছেন, সুষ্ঠু নির্বাচনে জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনা এখন নির্বাচন কমিশনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
১৯ দিন আগেজুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার কর্তৃত্ববাদী সরকার অবসানের পর অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারের এক বছর পূর্ণ হয়েছে। এ উপলক্ষে কয়েক দিন ধরে পত্রপত্রিকা ও টেলিভিশনের টক শোতে চলছে এক বছরের মূল্যায়ন।
২০ দিন আগে