আয়নাল হোসেন, ঢাকা
অনুপ্রবেশ ও মাদক পাচার প্রতিরোধে জরুরি ভিত্তিতে মিয়ানমার সীমান্তে সুরক্ষা জোরদার প্রয়োজন বলে মনে করছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কথাও ভাবা হচ্ছে।
গত জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত বিজিবির মাসিক সমন্বয় সভার প্রতিবেদন থেকে বিষয়টি জানা গেছে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিজিবির পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
জানতে চাইলে বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী আজকের পত্রিকাকে বলেন, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদারে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে ভাবা হচ্ছে। মাদক ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের কীভাবে অনুপ্রবেশ ঠেকানো যায়, তা নিয়ে বিভিন্ন পন্থা বের করার চেষ্টা চলছে। কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে মত আছে।
বিজিবির জানুয়ারির সমন্বয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভবিষ্যতে মিয়ানমারের নাগরিকদের অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ ও মাদক পাচার প্রতিরোধে জরুরি ভিত্তিতে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করা জরুরি। অনুপ্রবেশ রোধ ও আভিযানিক তৎপরতা বাড়াতে সীমান্ত সড়ক নির্মাণকাজ শুরুর পাশাপাশি আধুনিক নজরদারিব্যবস্থা স্থাপন ও হাইস্পিডবোট ও ফাস্ট ক্র্যাফট কেনা হয়েছে।
বিজিবির ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, বলপূর্বক বাস্তচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকেরা চোরাচালান ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছে। এ সমস্যার সমাধান না হলে কক্সবাজারের পর্যটন খাতসহ দেশের পূর্ব-দক্ষিণাঞ্চল মারাত্মক হুমকির মধ্যে পড়বে। এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ব্যাপক হুমকির মধ্যে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিজিবি জানায়, গত জানুয়ারি মাসে কক্সবাজার ও আশপাশের এলাকা থেকে দেড় হাজারের অধিক মিয়ানমার নাগরিক আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৪৯৯ পুরুষ, ৪২৫ নারী, ৭৭৬টি শিশু। এদের মধ্যে ১ হাজার ৬৯৫ জনকে ফেরত পাঠানো হয় এবং ৫ জনকে থানায় দেওয়া হয়।
মাদক চোরাচালানের বিষয়ে বিজিবি জানায়, মিয়ানমারের রাখাইনের পরিস্থিতির কারণে নিয়মিত ইয়াবা ও আইস নামক মাদক দেশে দেদার ঢুকছে। মিয়ানমার সীমান্তে অভিযান চালিয়ে জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ১৫ লাখ ৬ হাজার ১৭৯টি ইয়াবা, ১ কেজি ৪৮৭ গ্রাম কোকেন, ২৯ হাজার ৪২১ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করা হয়েছে।
কক্সবাজার ও আশপাশের এলাকায় প্রায়ই অপহরণের ঘটনা ঘটছে জানিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, অপহরণকারীরা প্রায়ই বিভিন্ন ব্যক্তিকে আটক করে মুক্তিপণ দাবি করছে। এসব প্রতিরোধে বিজিবির পক্ষ থেকে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে বিজিবির টহল বাড়ানো হয়েছে।
এদিকে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের চারপাশে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ জরুরি বলে মনে করছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নও। তারা জানিয়েছে, আগে যে বেড়া নির্মাণ করা হয়েছিল, তা নষ্ট হয়ে গেছে। এতে রোহিঙ্গারা অপরাধ করে দ্রুত পালিয়ে যাচ্ছে।
জানতে চাইলে এফডিএমএন (বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিক) বিষয়ক উপমহাপুলিশ পরিদর্শক (ডিআইজি) প্রলয় চিসিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, রোহিঙ্গা শিবিরের চারপাশে কাঁটাতারের বেড়া ছিল। সেগুলো নষ্ট হয়ে গেছে। নষ্ট বেড়ার ভেতর দিয়ে রোহিঙ্গারা অপরাধ করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করছে। এ জন্য বেড়াগুলো মেরামতের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
অনুপ্রবেশ ও মাদক পাচার প্রতিরোধে জরুরি ভিত্তিতে মিয়ানমার সীমান্তে সুরক্ষা জোরদার প্রয়োজন বলে মনে করছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কথাও ভাবা হচ্ছে।
গত জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত বিজিবির মাসিক সমন্বয় সভার প্রতিবেদন থেকে বিষয়টি জানা গেছে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিজিবির পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
জানতে চাইলে বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী আজকের পত্রিকাকে বলেন, বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদারে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে ভাবা হচ্ছে। মাদক ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের কীভাবে অনুপ্রবেশ ঠেকানো যায়, তা নিয়ে বিভিন্ন পন্থা বের করার চেষ্টা চলছে। কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে মত আছে।
বিজিবির জানুয়ারির সমন্বয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভবিষ্যতে মিয়ানমারের নাগরিকদের অনুপ্রবেশ প্রতিরোধ ও মাদক পাচার প্রতিরোধে জরুরি ভিত্তিতে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ করা জরুরি। অনুপ্রবেশ রোধ ও আভিযানিক তৎপরতা বাড়াতে সীমান্ত সড়ক নির্মাণকাজ শুরুর পাশাপাশি আধুনিক নজরদারিব্যবস্থা স্থাপন ও হাইস্পিডবোট ও ফাস্ট ক্র্যাফট কেনা হয়েছে।
বিজিবির ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, বলপূর্বক বাস্তচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকেরা চোরাচালান ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছে। এ সমস্যার সমাধান না হলে কক্সবাজারের পর্যটন খাতসহ দেশের পূর্ব-দক্ষিণাঞ্চল মারাত্মক হুমকির মধ্যে পড়বে। এতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ব্যাপক হুমকির মধ্যে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিজিবি জানায়, গত জানুয়ারি মাসে কক্সবাজার ও আশপাশের এলাকা থেকে দেড় হাজারের অধিক মিয়ানমার নাগরিক আটক করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৪৯৯ পুরুষ, ৪২৫ নারী, ৭৭৬টি শিশু। এদের মধ্যে ১ হাজার ৬৯৫ জনকে ফেরত পাঠানো হয় এবং ৫ জনকে থানায় দেওয়া হয়।
মাদক চোরাচালানের বিষয়ে বিজিবি জানায়, মিয়ানমারের রাখাইনের পরিস্থিতির কারণে নিয়মিত ইয়াবা ও আইস নামক মাদক দেশে দেদার ঢুকছে। মিয়ানমার সীমান্তে অভিযান চালিয়ে জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ১৫ লাখ ৬ হাজার ১৭৯টি ইয়াবা, ১ কেজি ৪৮৭ গ্রাম কোকেন, ২৯ হাজার ৪২১ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করা হয়েছে।
কক্সবাজার ও আশপাশের এলাকায় প্রায়ই অপহরণের ঘটনা ঘটছে জানিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, অপহরণকারীরা প্রায়ই বিভিন্ন ব্যক্তিকে আটক করে মুক্তিপণ দাবি করছে। এসব প্রতিরোধে বিজিবির পক্ষ থেকে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে বিজিবির টহল বাড়ানো হয়েছে।
এদিকে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পের চারপাশে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ জরুরি বলে মনে করছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নও। তারা জানিয়েছে, আগে যে বেড়া নির্মাণ করা হয়েছিল, তা নষ্ট হয়ে গেছে। এতে রোহিঙ্গারা অপরাধ করে দ্রুত পালিয়ে যাচ্ছে।
জানতে চাইলে এফডিএমএন (বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিক) বিষয়ক উপমহাপুলিশ পরিদর্শক (ডিআইজি) প্রলয় চিসিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, রোহিঙ্গা শিবিরের চারপাশে কাঁটাতারের বেড়া ছিল। সেগুলো নষ্ট হয়ে গেছে। নষ্ট বেড়ার ভেতর দিয়ে রোহিঙ্গারা অপরাধ করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করছে। এ জন্য বেড়াগুলো মেরামতের জন্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৮ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে