নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকা: অক্সফোর্ড–অ্যাস্ট্রাজেনেকার প্রথম ডোজ যারা পেয়েছেন মজুত টিকা দিয়ে তাদের সবাইকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া যাবে না। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে নিবন্ধন। টিকাদান কার্যক্রম চালিয়ে যেতে এরই মধ্যে চীন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের টিকার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। চীন উপহার দিয়েছে সিনোফার্মের পাঁচ লাখ ডোজ টিকা। চীন থেকে আরও দেড় কোটি টিকা কিনছে সরকার। কিন্তু অক্সফোর্ডের প্রথম ডোজ পাওয়া যাদের দ্বিতীয় ডোজ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে তাদের জন্য এবার বিকল্প ভাবনা শুরু করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ডোজ পূর্ণ করতে ভিন্ন প্রতিষ্ঠানের টিকা দেওয়া যায় কি–না সেটি ভাবা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. রোবেদ আমিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, স্পেনে ছয় শ বেশি প্রথম ডোজ গ্রহীতাকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে। তারা যে ফল পেয়েছেন তা আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার। মিক্সড ডোজ নেওয়াদের সবারই প্রথম ডোজের তুলনায় অনেক বেশি অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। আমাদের অনেক মানুষ দ্বিতীয় ডোজের জন্য অপেক্ষায় আছেন। এখন আমরা যদি সিনোফার্ম, ফাইজার ও স্পুটনিক–ভি ভ্যাকসিন পাই, আমরাও পরীক্ষা করবো। এসব টিকা দিয়ে দ্বিতীয় ডোজ যাতে দেওয়া যায় সেটি নিয়ে আমিসহ অধিদপ্তরের কয়েকজন কাজ করছি। টিকা হাতে পাওয়া পর্যন্ত মধ্যবর্তী সময়ে আশা করি, সরকারের ওপর মহল থেকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসবে। আমরা অনেক দূর এগিয়েছি।
এ বিষয়ে প্রস্তুতির বিষয়ে রোবেদ আমিন বলেন, প্রথমে কয়েকজনের মাধ্যমে একটি পরীক্ষা চালানো হতে পারে। পরে চূড়ান্তভাবে বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদ (বিএমআরসি) অনুমতি দিলেই এগুলো দ্বিতীয় ডোজে আমরা ব্যবহার করতে পারব। আমি মনে করি, এটাতে কোনো সমস্যা হবে না।
আজ বৃহস্পতিবার প্রতি ডোজ ১০ ডলার দরে দেড় কোটি ডোজ কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকারের ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। সে হিসাবে সেরাম থেকে কেনা অক্সফোর্ডের টিকার আড়াই গুণ দাম পড়বে। আগামী মাসের মাঝামাঝি এই টিকা দেশে আসতে পারে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. রোবেদ আমিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, চীনের সিনোফার্মের টিকার বিষয়ে সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পথে। চুক্তি হলে আগামী তিন মাসে (জুন, জুলাই ও আগস্ট) দেড় কোটি ডোজ টিকা পাওয়া যাবে।
এদিকে জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে মার্কিন ফার্মা জায়ান্ট ফাইজার–বায়োএনটেকের টিকা। আগামী রোববার জাতিসংঘের উদ্যোগ কোভ্যাক্সের মাধ্যমে ১ লাখ ৬২০ ডোজ ফাইজারের টিকা আসছে। তবে এ টিকা শুধু ঢাকার ভেতরে চল্লিশোর্ধ্বদের দেওয়া হবে।
এর আগে গত ১২ মে চীন থেকে পাঁচ লাখ ডোজ টিকা উপহার পেয়েছে বাংলাদেশ। চুক্তির বাইরে শিগগিরই আরও ছয় লাখ ডোজ টিকা পাঠাবে বলে জানিয়েছে দেশটি। তবে চলতি মাসে রাশিয়ার স্পুটনিক–ভি–এর ৪০ লাখ ডোজ উপহার আসার কথা থাকলেও সেটি নিশ্চিত করতে পারেনি সরকার। এ ছাড়া বেক্সিমকো সেরাম থেকে ২০ লাখ ডোজ টিকা এনে দেওয়ার কথা বললেও প্রতিষ্ঠানটি এখন নিশ্চুপ।
ঢাকা: অক্সফোর্ড–অ্যাস্ট্রাজেনেকার প্রথম ডোজ যারা পেয়েছেন মজুত টিকা দিয়ে তাদের সবাইকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া যাবে না। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে নিবন্ধন। টিকাদান কার্যক্রম চালিয়ে যেতে এরই মধ্যে চীন, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের টিকার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। চীন উপহার দিয়েছে সিনোফার্মের পাঁচ লাখ ডোজ টিকা। চীন থেকে আরও দেড় কোটি টিকা কিনছে সরকার। কিন্তু অক্সফোর্ডের প্রথম ডোজ পাওয়া যাদের দ্বিতীয় ডোজ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে তাদের জন্য এবার বিকল্প ভাবনা শুরু করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ডোজ পূর্ণ করতে ভিন্ন প্রতিষ্ঠানের টিকা দেওয়া যায় কি–না সেটি ভাবা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. রোবেদ আমিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, স্পেনে ছয় শ বেশি প্রথম ডোজ গ্রহীতাকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে। তারা যে ফল পেয়েছেন তা আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার। মিক্সড ডোজ নেওয়াদের সবারই প্রথম ডোজের তুলনায় অনেক বেশি অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। আমাদের অনেক মানুষ দ্বিতীয় ডোজের জন্য অপেক্ষায় আছেন। এখন আমরা যদি সিনোফার্ম, ফাইজার ও স্পুটনিক–ভি ভ্যাকসিন পাই, আমরাও পরীক্ষা করবো। এসব টিকা দিয়ে দ্বিতীয় ডোজ যাতে দেওয়া যায় সেটি নিয়ে আমিসহ অধিদপ্তরের কয়েকজন কাজ করছি। টিকা হাতে পাওয়া পর্যন্ত মধ্যবর্তী সময়ে আশা করি, সরকারের ওপর মহল থেকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসবে। আমরা অনেক দূর এগিয়েছি।
এ বিষয়ে প্রস্তুতির বিষয়ে রোবেদ আমিন বলেন, প্রথমে কয়েকজনের মাধ্যমে একটি পরীক্ষা চালানো হতে পারে। পরে চূড়ান্তভাবে বাংলাদেশ চিকিৎসা গবেষণা পরিষদ (বিএমআরসি) অনুমতি দিলেই এগুলো দ্বিতীয় ডোজে আমরা ব্যবহার করতে পারব। আমি মনে করি, এটাতে কোনো সমস্যা হবে না।
আজ বৃহস্পতিবার প্রতি ডোজ ১০ ডলার দরে দেড় কোটি ডোজ কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকারের ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। সে হিসাবে সেরাম থেকে কেনা অক্সফোর্ডের টিকার আড়াই গুণ দাম পড়বে। আগামী মাসের মাঝামাঝি এই টিকা দেশে আসতে পারে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. রোবেদ আমিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, চীনের সিনোফার্মের টিকার বিষয়ে সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার পথে। চুক্তি হলে আগামী তিন মাসে (জুন, জুলাই ও আগস্ট) দেড় কোটি ডোজ টিকা পাওয়া যাবে।
এদিকে জরুরি ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে মার্কিন ফার্মা জায়ান্ট ফাইজার–বায়োএনটেকের টিকা। আগামী রোববার জাতিসংঘের উদ্যোগ কোভ্যাক্সের মাধ্যমে ১ লাখ ৬২০ ডোজ ফাইজারের টিকা আসছে। তবে এ টিকা শুধু ঢাকার ভেতরে চল্লিশোর্ধ্বদের দেওয়া হবে।
এর আগে গত ১২ মে চীন থেকে পাঁচ লাখ ডোজ টিকা উপহার পেয়েছে বাংলাদেশ। চুক্তির বাইরে শিগগিরই আরও ছয় লাখ ডোজ টিকা পাঠাবে বলে জানিয়েছে দেশটি। তবে চলতি মাসে রাশিয়ার স্পুটনিক–ভি–এর ৪০ লাখ ডোজ উপহার আসার কথা থাকলেও সেটি নিশ্চিত করতে পারেনি সরকার। এ ছাড়া বেক্সিমকো সেরাম থেকে ২০ লাখ ডোজ টিকা এনে দেওয়ার কথা বললেও প্রতিষ্ঠানটি এখন নিশ্চুপ।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৮ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে