নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
দেশব্যাপী চলমান সহিংসতা, সন্ত্রাস এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করছে। ১৯ জুন থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত এসব অভিযানে মোট ৩৮৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পদাতিক ডিভিশন ও স্বতন্ত্র ব্রিগেডের অধীন ইউনিটসমূহ এই অভিযানে অংশ নেয়। আজ বৃহস্পতিবার আইএসপিআর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় চালানো অভিযানে চিহ্নিত সন্ত্রাসী, অবৈধ অস্ত্রধারী, চোরাকারবারি, কিশোর গ্যাং সদস্য, চাঁদাবাজ, অপহরণকারী, অবৈধ দখলদার, ডাকাত, টিসিবির পণ্য আত্মসাৎকারী, ভেজাল খাদ্যদ্রব্য ব্যবসায়ী, মাদক কারবারি, মাদকাসক্ত, রিক্রুটমেন্ট দালাল ও মব ভায়োলেন্সে যুক্ত ব্যক্তিরা ধরা পড়ে।
আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ২৬টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, ৭০টি বিভিন্ন ধরনের গুলি, ১১টি ককটেল বোমা, বিপুল মাদক, দেশীয় অস্ত্র, চোরাই মালামাল, ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন ও নগদ অর্থ। অভিযানের সময় অনেককে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদেও সেনাবাহিনীর সহায়তায় বেসামরিক প্রশাসন বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়েছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী নিয়মিত টহল ও নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। আইএসপিআরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। সন্দেহজনক কোনো ব্যক্তি বা কার্যকলাপ দেখলে নিকটস্থ সেনাক্যাম্পে তথ্য দেওয়ার জন্য সাধারণ জনগণকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
দেশব্যাপী চলমান সহিংসতা, সন্ত্রাস এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করছে। ১৯ জুন থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত এসব অভিযানে মোট ৩৮৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পদাতিক ডিভিশন ও স্বতন্ত্র ব্রিগেডের অধীন ইউনিটসমূহ এই অভিযানে অংশ নেয়। আজ বৃহস্পতিবার আইএসপিআর থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় চালানো অভিযানে চিহ্নিত সন্ত্রাসী, অবৈধ অস্ত্রধারী, চোরাকারবারি, কিশোর গ্যাং সদস্য, চাঁদাবাজ, অপহরণকারী, অবৈধ দখলদার, ডাকাত, টিসিবির পণ্য আত্মসাৎকারী, ভেজাল খাদ্যদ্রব্য ব্যবসায়ী, মাদক কারবারি, মাদকাসক্ত, রিক্রুটমেন্ট দালাল ও মব ভায়োলেন্সে যুক্ত ব্যক্তিরা ধরা পড়ে।
আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ২৬টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, ৭০টি বিভিন্ন ধরনের গুলি, ১১টি ককটেল বোমা, বিপুল মাদক, দেশীয় অস্ত্র, চোরাই মালামাল, ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন ও নগদ অর্থ। অভিযানের সময় অনেককে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদেও সেনাবাহিনীর সহায়তায় বেসামরিক প্রশাসন বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়েছে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী নিয়মিত টহল ও নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। আইএসপিআরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। সন্দেহজনক কোনো ব্যক্তি বা কার্যকলাপ দেখলে নিকটস্থ সেনাক্যাম্পে তথ্য দেওয়ার জন্য সাধারণ জনগণকে অনুরোধ জানানো হয়েছে।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৭ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে