আজকের পত্রিকা ডেস্ক
বাংলাদেশের সঙ্গে লাগোয়া ভারতের ত্রিপুরা সীমান্তে চোরাচালান ও অনুপ্রবেশ বন্ধে অভিযান জোরদার করেছে দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। এর অংশ হিসেবে ত্রিপুরায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ক্যামেরা স্থাপন করেছে তারা। গত শনিবার বিএসএফের মহাপরিদর্শক প্যাটেল পিউশ পুরুষোত্তম দাস সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন।
বিএসএফের মহাপরিদর্শক প্যাটেল বলেন, ত্রিপুরার স্পর্শকাতর এলাকাগুলোর সীমান্ত চৌকিতে লোকবল বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে এসব এলাকায় অপরাধী ও চোরাকারবারিদের ধরতে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে।
ত্রিপুরার সীমান্ত এলাকায় বেশ কিছু দালাল চক্র কাজ করে থাকে। এই চক্রগুলোই নানা অপরাধে জড়িত বলে উল্লেখ করে বিএসএফের মহাপরিদর্শক বলেন, মাঠে যেসব বিএসএফ কমান্ডার কাজ করছেন, তাঁদের নিয়মিত এসব বিষয়ে জানানো হচ্ছে। অপরাধীদের পাকড়াও করতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, নজরদারির জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এর মধ্যে এআই-নির্ভর ক্যামেরা ও মুখ দেখে মানুষ শনাক্ত করা যায় এমন প্রযুক্তিও রয়েছে।
বিএসএফের এই কর্মকর্তা জানান, ত্রিপুরা সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত বিএসএফ দল মোতায়েন করা হয়েছে। রাজ্যের পুলিশ ও বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে যাতে তারা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করতে পারে, সেই লক্ষ্যে এসব দল সেখানে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, এসব অভিযানের ফল ইতিমধ্যে আসতে শুরু করেছে। এ বছরই ২৯ কোটি রুপি মূল্যের বিভিন্ন ধরনের পণ্য জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া আটক করা হয়েছে ১৯৮ জন বাংলাদেশিকে। অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে ১২ রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছে। বিভিন্ন ধরনের মাদক জব্দ করা হয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ৩২ কোটি রুপি।
বিএসএফের মহাপরিদর্শক প্যাটেল বলেন, সীমান্তে অপরাধ বন্ধে ১ থেকে ৪ জুলাই শিলংয়ে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডের (বিজিবি) সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে। এই বৈঠকে বাংলাদেশের সীমান্ত অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের তালিকা ও নথি বিজিবির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। বিজিবি জানিয়েছে, তারা এই অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।
প্যাটেল বলেন, বিএসএফ ও বিজিবি বৈঠকে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে, যেকোনো তথ্য তারা তাৎক্ষণিকভাবে আদান-প্রদানে টেলিফোন ব্যবহার করবে। ফিল্ড কমান্ডার পর্যায় পর্যন্ত এই সুযোগ থাকছে।
বাংলাদেশের সঙ্গে লাগোয়া ভারতের ত্রিপুরা সীমান্তে চোরাচালান ও অনুপ্রবেশ বন্ধে অভিযান জোরদার করেছে দেশটির সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। এর অংশ হিসেবে ত্রিপুরায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ক্যামেরা স্থাপন করেছে তারা। গত শনিবার বিএসএফের মহাপরিদর্শক প্যাটেল পিউশ পুরুষোত্তম দাস সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন।
বিএসএফের মহাপরিদর্শক প্যাটেল বলেন, ত্রিপুরার স্পর্শকাতর এলাকাগুলোর সীমান্ত চৌকিতে লোকবল বাড়ানো হয়েছে। একই সঙ্গে এসব এলাকায় অপরাধী ও চোরাকারবারিদের ধরতে বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে।
ত্রিপুরার সীমান্ত এলাকায় বেশ কিছু দালাল চক্র কাজ করে থাকে। এই চক্রগুলোই নানা অপরাধে জড়িত বলে উল্লেখ করে বিএসএফের মহাপরিদর্শক বলেন, মাঠে যেসব বিএসএফ কমান্ডার কাজ করছেন, তাঁদের নিয়মিত এসব বিষয়ে জানানো হচ্ছে। অপরাধীদের পাকড়াও করতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, নজরদারির জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এর মধ্যে এআই-নির্ভর ক্যামেরা ও মুখ দেখে মানুষ শনাক্ত করা যায় এমন প্রযুক্তিও রয়েছে।
বিএসএফের এই কর্মকর্তা জানান, ত্রিপুরা সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত বিএসএফ দল মোতায়েন করা হয়েছে। রাজ্যের পুলিশ ও বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে যাতে তারা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করতে পারে, সেই লক্ষ্যে এসব দল সেখানে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, এসব অভিযানের ফল ইতিমধ্যে আসতে শুরু করেছে। এ বছরই ২৯ কোটি রুপি মূল্যের বিভিন্ন ধরনের পণ্য জব্দ করা হয়েছে। এ ছাড়া আটক করা হয়েছে ১৯৮ জন বাংলাদেশিকে। অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে ১২ রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়েছে। বিভিন্ন ধরনের মাদক জব্দ করা হয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ৩২ কোটি রুপি।
বিএসএফের মহাপরিদর্শক প্যাটেল বলেন, সীমান্তে অপরাধ বন্ধে ১ থেকে ৪ জুলাই শিলংয়ে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ডের (বিজিবি) সঙ্গে বৈঠক করা হয়েছে। এই বৈঠকে বাংলাদেশের সীমান্ত অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের তালিকা ও নথি বিজিবির হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। বিজিবি জানিয়েছে, তারা এই অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।
প্যাটেল বলেন, বিএসএফ ও বিজিবি বৈঠকে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে, যেকোনো তথ্য তারা তাৎক্ষণিকভাবে আদান-প্রদানে টেলিফোন ব্যবহার করবে। ফিল্ড কমান্ডার পর্যায় পর্যন্ত এই সুযোগ থাকছে।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৮ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে