নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
চতুর্থ দফায় চীন থেকে আসছে ৩০ লাখ ডোজ সিনোফার্মের টিকা। এর মধ্যে ১০ লাখ টিকা পৌঁছে গেছে। আজ বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে টিকা বহনকারী বিমানের বিশেষ ফ্লাইটটি অবতরণ করে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভ্যাকসিন ডেপ্লয়মেন্ট কমিটির সদস্যসচিব ডা. শামসুল হক গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
শামসুল হক বলেন, আজ চীন থেকে সিনোফার্মের ৩০ লাখ ডোজ টিকা আসবে। এর মধ্যে ১০ লাখ ডোজ রাত ১০টার দিকে ঢাকায় পৌঁছেছে। বাকি ২০ লাখ ডোজ রাত ১টা ও ৩টায় আসার কথা রয়েছে।
চীনা সিনোফার্মের কাছ থেকে কেনা দেড় কোটি ডোজ টিকা তিন মাসের মধ্যে দেশে আসার কথা। গত ৩ ও ৪ জুলাই চুক্তির ২০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন দেশে পৌঁছেছে। ১৭ জুলাই এসেছে ২০ লাখ ডোজ। এ ছাড়া দুই দফায় চীন থেকে সিনোফার্মের ১১ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন উপহার হিসেবে পেয়েছে বাংলাদেশ।
২৪ জুলাই কোভ্যাক্সের মাধ্যমে অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিড টিকার ২ লাখ ৪৫ হাজার ২০০ টি ডোজ ঢাকায় পৌছায়। বাংলাদেশকে ৩০ লাখ টিকা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জাপান। প্রথম ধাপে প্রায় আড়াই লাখ ডোজ এসেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, কেনা ও বিভিন্ন মাধ্যমে উপহার মিলে এখন পর্যন্ত ২ কোটি ১২ লাখ ৪৫ হাজার ৬২০ ডোজ টিকা পেয়েছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে চীনের ৫১ লাখ ছাড়াও গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন (গ্যাভি)–এর মাধ্যমে চলতি মডার্নার ৫৫ লাখ, ফাইজারের এক লাখ ৬২০ ডোজ টিকা এবং অ্যাস্ট্রাজেনেকার ২ লাখ ৪৫ হাজার ডোজ। এ ছাড়া ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট উৎপাদিত কোভিশিল্ডের টিকা এসেছে ১ কোটি ৩ লাখ।
আগামী বছরের শুরুর দিকের মধ্যে ২১ কোটি টিকা পাওয়ার আশা করছে সরকার। তারই অংশ হিসেবে ডিসেম্বরের মধ্যে ১০ কোটি টিকা আসবে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
টিকা পাওয়ার নিশ্চয়তায় আগামী মাসে ১ কোটি দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। সে অনুযায়ী দৈনিক গড়ে ৩ লাখ ৩৩ হাজারের বেশি মানুষকে টিকা দিতে হবে।
চতুর্থ দফায় চীন থেকে আসছে ৩০ লাখ ডোজ সিনোফার্মের টিকা। এর মধ্যে ১০ লাখ টিকা পৌঁছে গেছে। আজ বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে টিকা বহনকারী বিমানের বিশেষ ফ্লাইটটি অবতরণ করে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভ্যাকসিন ডেপ্লয়মেন্ট কমিটির সদস্যসচিব ডা. শামসুল হক গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
শামসুল হক বলেন, আজ চীন থেকে সিনোফার্মের ৩০ লাখ ডোজ টিকা আসবে। এর মধ্যে ১০ লাখ ডোজ রাত ১০টার দিকে ঢাকায় পৌঁছেছে। বাকি ২০ লাখ ডোজ রাত ১টা ও ৩টায় আসার কথা রয়েছে।
চীনা সিনোফার্মের কাছ থেকে কেনা দেড় কোটি ডোজ টিকা তিন মাসের মধ্যে দেশে আসার কথা। গত ৩ ও ৪ জুলাই চুক্তির ২০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন দেশে পৌঁছেছে। ১৭ জুলাই এসেছে ২০ লাখ ডোজ। এ ছাড়া দুই দফায় চীন থেকে সিনোফার্মের ১১ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন উপহার হিসেবে পেয়েছে বাংলাদেশ।
২৪ জুলাই কোভ্যাক্সের মাধ্যমে অ্যাস্ট্রাজেনেকার কোভিড টিকার ২ লাখ ৪৫ হাজার ২০০ টি ডোজ ঢাকায় পৌছায়। বাংলাদেশকে ৩০ লাখ টিকা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জাপান। প্রথম ধাপে প্রায় আড়াই লাখ ডোজ এসেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, কেনা ও বিভিন্ন মাধ্যমে উপহার মিলে এখন পর্যন্ত ২ কোটি ১২ লাখ ৪৫ হাজার ৬২০ ডোজ টিকা পেয়েছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে চীনের ৫১ লাখ ছাড়াও গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিন (গ্যাভি)–এর মাধ্যমে চলতি মডার্নার ৫৫ লাখ, ফাইজারের এক লাখ ৬২০ ডোজ টিকা এবং অ্যাস্ট্রাজেনেকার ২ লাখ ৪৫ হাজার ডোজ। এ ছাড়া ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট উৎপাদিত কোভিশিল্ডের টিকা এসেছে ১ কোটি ৩ লাখ।
আগামী বছরের শুরুর দিকের মধ্যে ২১ কোটি টিকা পাওয়ার আশা করছে সরকার। তারই অংশ হিসেবে ডিসেম্বরের মধ্যে ১০ কোটি টিকা আসবে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
টিকা পাওয়ার নিশ্চয়তায় আগামী মাসে ১ কোটি দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। সে অনুযায়ী দৈনিক গড়ে ৩ লাখ ৩৩ হাজারের বেশি মানুষকে টিকা দিতে হবে।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৯ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৯ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৯ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৯ দিন আগে