নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
দেশে বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার যেমন বেড়েছে, সেই সঙ্গে বেড়েছে সাইবার হয়রানি। গ্রামীণ নারীরাও এর বাইরে নেই। ফেসবুক, ইমোসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাইবার হয়রানির শিকার হচ্ছেন গ্রামীণ নারী ও কিশোরীরা। সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে এমন হয়রানির মাত্রা দিন দিন বাড়ছে।
আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস উপলক্ষে আজ শনিবার এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা এসব কথা বলেন।
আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস উদ্যাপন জাতীয় কমিটি এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। এতে অংশগ্রহণকারী বক্তারা অনলাইনে নারী ও কিশোরীদের যৌন হয়রানিসহ অন্যান্য হয়রানি প্রতিরোধে সচেতনতার পাশাপাশি আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের তাগিদ দেন।
সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্যে জানানো হয়, ইন্টারনেটে আপত্তিকর ছবি বা ভিডিও ছেড়ে দেওয়া, গোপন তথ্য বা একান্ত ব্যক্তিগত কথা বা ছবি ফাঁস, ব্ল্যাকমেলিং করে টাকা হাতিয়ে নেওয়া অথবা জোর করে শারীরিক সম্পর্ক তৈরি, ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের জের ধরে আইডি হ্যাক করা, যৌন নিপীড়নমূলক বার্তা পাঠানোর মাধ্যমে প্রতিনিয়ত কিশোরী ও নারীদের হেনস্তা করা হচ্ছে।
বেসরকারি সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য অনুযায়ী, ৩৬ শতাংশের বেশি মেয়েশিশু অনলাইনে যৌন হয়রানির শিকার হয়। ২৭ শতাংশের বেশি মেয়েশিশু পরিচিত প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও আত্মীয় এবং ১৮ শতাংশ অপরিচিত প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি দ্বারা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়। বৈশ্বিক আরেকটি জরিপে দেখা গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মেয়েদের যত হয়রানি করা হয়, তার ৩৯ শতাংশ করা হয় ফেসবুকে, ২৩ শতাংশ ইনস্টাগ্রামে, ১৪ শতাংশ হোয়াটসঅ্যাপে।
আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস উদ্যাপন জাতীয় কমিটির সচিবালয় সমন্বয়কারী ফেরদৌস আরা রুমী বলেন, ‘আমাদের দেশের গ্রামগুলোতে এখন ফেসবুক, ইমো, হোয়াটসঅ্যাপের মতো বিভিন্ন অ্যাপ ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। সচেতনতার অভাবে অনেকেই ইন্টারনেট ব্যবহার করতে গিয়ে নানাভাবে প্রতারিত হচ্ছে এবং হয়রানির শিকার হচ্ছে। এই হয়রানি প্রতিরোধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কারও সঙ্গে বন্ধুত্ব করার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে হবে।’
বক্তারা জানান, অনলাইনে সহিংসতা ও সাইবার হয়রানির শিকার হলে আইনি সহায়তা নেওয়ার কিছু হেল্প ডেস্ক রয়েছে। কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন, সাইবার পুলিশ সেন্টার, পুলিশ সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন (পিসিএসডব্লিউ), হ্যালো সিটি অ্যাপ, রিপোর্ট টু র্যাব অ্যাপ, ৯৯৯ এবং এগুলোর ফেসবুক পেজে অভিযোগ জানানো যায়। মানুষকে এই হেল্প ডেস্কগুলো সম্পর্কে জানানোর আহ্বান জানান বক্তারা।
সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস উদ্যাপন জাতীয় কমিটির সভাপতি শামীমা আক্তার।
১৯৯৫ সালে বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের চতুর্থ নারী সম্মেলনে ১৫ অক্টোবরকে আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস হিসেবে পালনের কথা বলা হয়। ১৯৯৭ সাল থেকে বিশ্বে বিভিন্ন বেসরকারি সংগঠন দিবসটি পালন করছে। বাংলাদেশেও ২০০০ সাল থেকে প্রতিবছর বেসরকারিভাবে দিবসটি পালিত হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস উদ্যাপন জাতীয় কমিটি জানায়, দেশের ৫০টির বেশি জেলায় আগামীকাল রোববার আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস উদ্যাপন করা হবে।
দেশে বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার যেমন বেড়েছে, সেই সঙ্গে বেড়েছে সাইবার হয়রানি। গ্রামীণ নারীরাও এর বাইরে নেই। ফেসবুক, ইমোসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সাইবার হয়রানির শিকার হচ্ছেন গ্রামীণ নারী ও কিশোরীরা। সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণে এমন হয়রানির মাত্রা দিন দিন বাড়ছে।
আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস উপলক্ষে আজ শনিবার এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা এসব কথা বলেন।
আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস উদ্যাপন জাতীয় কমিটি এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। এতে অংশগ্রহণকারী বক্তারা অনলাইনে নারী ও কিশোরীদের যৌন হয়রানিসহ অন্যান্য হয়রানি প্রতিরোধে সচেতনতার পাশাপাশি আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের তাগিদ দেন।
সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্যে জানানো হয়, ইন্টারনেটে আপত্তিকর ছবি বা ভিডিও ছেড়ে দেওয়া, গোপন তথ্য বা একান্ত ব্যক্তিগত কথা বা ছবি ফাঁস, ব্ল্যাকমেলিং করে টাকা হাতিয়ে নেওয়া অথবা জোর করে শারীরিক সম্পর্ক তৈরি, ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের জের ধরে আইডি হ্যাক করা, যৌন নিপীড়নমূলক বার্তা পাঠানোর মাধ্যমে প্রতিনিয়ত কিশোরী ও নারীদের হেনস্তা করা হচ্ছে।
বেসরকারি সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য অনুযায়ী, ৩৬ শতাংশের বেশি মেয়েশিশু অনলাইনে যৌন হয়রানির শিকার হয়। ২৭ শতাংশের বেশি মেয়েশিশু পরিচিত প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও আত্মীয় এবং ১৮ শতাংশ অপরিচিত প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি দ্বারা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়। বৈশ্বিক আরেকটি জরিপে দেখা গেছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মেয়েদের যত হয়রানি করা হয়, তার ৩৯ শতাংশ করা হয় ফেসবুকে, ২৩ শতাংশ ইনস্টাগ্রামে, ১৪ শতাংশ হোয়াটসঅ্যাপে।
আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস উদ্যাপন জাতীয় কমিটির সচিবালয় সমন্বয়কারী ফেরদৌস আরা রুমী বলেন, ‘আমাদের দেশের গ্রামগুলোতে এখন ফেসবুক, ইমো, হোয়াটসঅ্যাপের মতো বিভিন্ন অ্যাপ ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। সচেতনতার অভাবে অনেকেই ইন্টারনেট ব্যবহার করতে গিয়ে নানাভাবে প্রতারিত হচ্ছে এবং হয়রানির শিকার হচ্ছে। এই হয়রানি প্রতিরোধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কারও সঙ্গে বন্ধুত্ব করার ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সতর্ক থাকতে হবে।’
বক্তারা জানান, অনলাইনে সহিংসতা ও সাইবার হয়রানির শিকার হলে আইনি সহায়তা নেওয়ার কিছু হেল্প ডেস্ক রয়েছে। কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন, সাইবার পুলিশ সেন্টার, পুলিশ সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেন (পিসিএসডব্লিউ), হ্যালো সিটি অ্যাপ, রিপোর্ট টু র্যাব অ্যাপ, ৯৯৯ এবং এগুলোর ফেসবুক পেজে অভিযোগ জানানো যায়। মানুষকে এই হেল্প ডেস্কগুলো সম্পর্কে জানানোর আহ্বান জানান বক্তারা।
সংবাদ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস উদ্যাপন জাতীয় কমিটির সভাপতি শামীমা আক্তার।
১৯৯৫ সালে বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের চতুর্থ নারী সম্মেলনে ১৫ অক্টোবরকে আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস হিসেবে পালনের কথা বলা হয়। ১৯৯৭ সাল থেকে বিশ্বে বিভিন্ন বেসরকারি সংগঠন দিবসটি পালন করছে। বাংলাদেশেও ২০০০ সাল থেকে প্রতিবছর বেসরকারিভাবে দিবসটি পালিত হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস উদ্যাপন জাতীয় কমিটি জানায়, দেশের ৫০টির বেশি জেলায় আগামীকাল রোববার আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস উদ্যাপন করা হবে।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৮ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে