নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
সংবিধান সংস্কার কমিশনের কাছে সময় চেয়েছিল নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন। তাদের তা দেওয়া হয়নি। একইভাবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংস্কার নিয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের চলমান বৈঠকেও তাদের রাখা হয়নি। ফলে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার ঘিরে রাজনৈতিক যে সিদ্ধান্তগুলো হচ্ছে, তাতে কোনো প্রভাব বা মতামত রাখতে পারছে না নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন।
এসব নিয়ে আজ মঙ্গলবার রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ওয়াইডব্লিউসিএ মিলনায়তনে এক সভায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রধান শিরীন পারভীন হক। যৌনকর্মীদের কাজের স্বীকৃতি ও অধিকার নিয়ে ওই সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় শিরীন হক বলেন, ১১টি সংস্কার কমিশনের মধ্যে ৯টির সঙ্গে বৈঠক করেছে নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন। কিন্তু সংবিধান সংস্কার কমিশন তাদের সময় দেয়নি।
তাঁর অভিযোগ, সংবিধান ইস্যুতে নারীদের অবদান রাখার ‘সক্ষমতা নেই’—এমনটা ভাবার কারণেই নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের সঙ্গে বসার প্রয়োজন মনে করেনি সংবিধান সংস্কার কমিশন। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনেও কোনো নারী প্রতিনিধি নেই।
সভায় নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে আজকের পত্রিকার এক প্রশ্নের জবাবে শিরীন হক বলেন, ‘নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনকে বিভিন্ন জায়গা থেকে বাদ দিয়ে রাখা হয়েছে। তার মধ্যে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন একটা। আমরা তাদের অ্যাপ্রোচ করেছিলাম। তারা বলেছে, অনেক দিন হয়ে গেছে, এখন আর নতুন করে হবে না। এটা একটা অজুহাত।
‘ঐকমত্য কমিশনে যিনি নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তিনি আগে সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান ছিলেন। আমরা (নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন) ৯টি কমিশনের সঙ্গে বসতে পেরেছি। শুধু ওই কমিশন (সংবিধান সংস্কার কমিশন) আমাদের সময় দেয়নি। এটা নিয়ে জনসম্মুখে আমি বলেছি, এটা একটা নারীবিবর্জিত কমিশন। তারা মনে করে, সংবিধান ইস্যুতে নারীদের অবদান রাখার সক্ষমতা নেই। এ রকম অবস্থায় দাঁড়িয়ে আমাদের এগোতে হচ্ছে। আমি আশা করব, অন্যান্য নারী সংগঠন, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, মানবাধিকার সংগঠন এ বিষয়ে কথা বলবে।’
ঐকমত্য কমিশনে অংশগ্রহণ না থাকলেও মন্ত্রণালয় পর্যায়ে নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের সুপারিশগুলো ভালো সাড়া পাচ্ছে বলে জানান এই কমিশনের আরেক সদস্য মাহীন সুলতান।
মাহীন সুলতান বলেন, ‘এখন যে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তগুলো হচ্ছে, সেখানে আমরা প্রবেশ করতে পারছি না, কোনো ইনফ্লুয়েন্সও (প্রভাব) রাখতে পারছি না। কিন্তু মন্ত্রণালয় পর্যায়ে আমরা কিছু মিটিং করেছি। ওইখানে আমরা আরও ভালো সাড়া পেয়েছি। যেমন—শ্রম মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন ও বিচার বিভাগ।’
নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে করণীয় সম্পর্কে কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
সভায় যৌনকর্মীদের বিষয়ে নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরা হয়।
যৌনকর্মীরা জানান, একদিকে যৌনকর্মীদের পেশার স্বীকৃতি নেই, অন্যদিকে তাঁরা চাঁদাবাজিসহ নানা ধরনের নিপীড়নের শিকার। প্রতিকার চাইতে প্রশাসনের দ্বারস্থ হলেও তাঁদের নানাভাবে হয়রানি করা হয়।
সভায় যৌনকর্মীদের কাজের স্বীকৃতি, নাগরিক অধিকার ও তাঁদের সুরক্ষা নিশ্চিতের দাবি জানান বক্তারা।
যৌনকর্ম পৃথিবীর আদি পেশাগুলোর মধ্যে অন্যতম উল্লেখ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও নাট্যব্যক্তিত্ব ত্রপা মজুমদার বলেন, ‘যৌনকর্ম পেশাটাকে সমাজ থেকে বাদ দেওয়া কি সম্ভব? যদি তা না হয়, তাহলে এই পেশার স্বীকৃতি দিতে হবে এবং সুরক্ষা দিতে হবে। পেশার স্বীকৃতি, শ্রমিকের স্বীকৃতি অত্যন্ত জরুরি। আইনগত স্বীকৃতি পেলে সমাজ ওই জিনিসটাকে গ্রহণ করতে বাধ্য হবে।’
সভায় আরও বক্তব্য দেন নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের সদস্য কামরুন নাহার, কল্পনা আক্তার, নারীপক্ষের সদস্য মাহবুবা মাহমুদ লীনা, জাহানারা খাতুন প্রমুখ।
সংবিধান সংস্কার কমিশনের কাছে সময় চেয়েছিল নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন। তাদের তা দেওয়া হয়নি। একইভাবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংস্কার নিয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের চলমান বৈঠকেও তাদের রাখা হয়নি। ফলে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার ঘিরে রাজনৈতিক যে সিদ্ধান্তগুলো হচ্ছে, তাতে কোনো প্রভাব বা মতামত রাখতে পারছে না নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন।
এসব নিয়ে আজ মঙ্গলবার রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ওয়াইডব্লিউসিএ মিলনায়তনে এক সভায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রধান শিরীন পারভীন হক। যৌনকর্মীদের কাজের স্বীকৃতি ও অধিকার নিয়ে ওই সভার আয়োজন করা হয়।
সভায় শিরীন হক বলেন, ১১টি সংস্কার কমিশনের মধ্যে ৯টির সঙ্গে বৈঠক করেছে নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন। কিন্তু সংবিধান সংস্কার কমিশন তাদের সময় দেয়নি।
তাঁর অভিযোগ, সংবিধান ইস্যুতে নারীদের অবদান রাখার ‘সক্ষমতা নেই’—এমনটা ভাবার কারণেই নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের সঙ্গে বসার প্রয়োজন মনে করেনি সংবিধান সংস্কার কমিশন। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনেও কোনো নারী প্রতিনিধি নেই।
সভায় নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে আজকের পত্রিকার এক প্রশ্নের জবাবে শিরীন হক বলেন, ‘নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনকে বিভিন্ন জায়গা থেকে বাদ দিয়ে রাখা হয়েছে। তার মধ্যে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন একটা। আমরা তাদের অ্যাপ্রোচ করেছিলাম। তারা বলেছে, অনেক দিন হয়ে গেছে, এখন আর নতুন করে হবে না। এটা একটা অজুহাত।
‘ঐকমত্য কমিশনে যিনি নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তিনি আগে সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান ছিলেন। আমরা (নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশন) ৯টি কমিশনের সঙ্গে বসতে পেরেছি। শুধু ওই কমিশন (সংবিধান সংস্কার কমিশন) আমাদের সময় দেয়নি। এটা নিয়ে জনসম্মুখে আমি বলেছি, এটা একটা নারীবিবর্জিত কমিশন। তারা মনে করে, সংবিধান ইস্যুতে নারীদের অবদান রাখার সক্ষমতা নেই। এ রকম অবস্থায় দাঁড়িয়ে আমাদের এগোতে হচ্ছে। আমি আশা করব, অন্যান্য নারী সংগঠন, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, মানবাধিকার সংগঠন এ বিষয়ে কথা বলবে।’
ঐকমত্য কমিশনে অংশগ্রহণ না থাকলেও মন্ত্রণালয় পর্যায়ে নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের সুপারিশগুলো ভালো সাড়া পাচ্ছে বলে জানান এই কমিশনের আরেক সদস্য মাহীন সুলতান।
মাহীন সুলতান বলেন, ‘এখন যে রাজনৈতিক সিদ্ধান্তগুলো হচ্ছে, সেখানে আমরা প্রবেশ করতে পারছি না, কোনো ইনফ্লুয়েন্সও (প্রভাব) রাখতে পারছি না। কিন্তু মন্ত্রণালয় পর্যায়ে আমরা কিছু মিটিং করেছি। ওইখানে আমরা আরও ভালো সাড়া পেয়েছি। যেমন—শ্রম মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন ও বিচার বিভাগ।’
নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে করণীয় সম্পর্কে কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।
সভায় যৌনকর্মীদের বিষয়ে নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরা হয়।
যৌনকর্মীরা জানান, একদিকে যৌনকর্মীদের পেশার স্বীকৃতি নেই, অন্যদিকে তাঁরা চাঁদাবাজিসহ নানা ধরনের নিপীড়নের শিকার। প্রতিকার চাইতে প্রশাসনের দ্বারস্থ হলেও তাঁদের নানাভাবে হয়রানি করা হয়।
সভায় যৌনকর্মীদের কাজের স্বীকৃতি, নাগরিক অধিকার ও তাঁদের সুরক্ষা নিশ্চিতের দাবি জানান বক্তারা।
যৌনকর্ম পৃথিবীর আদি পেশাগুলোর মধ্যে অন্যতম উল্লেখ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও নাট্যব্যক্তিত্ব ত্রপা মজুমদার বলেন, ‘যৌনকর্ম পেশাটাকে সমাজ থেকে বাদ দেওয়া কি সম্ভব? যদি তা না হয়, তাহলে এই পেশার স্বীকৃতি দিতে হবে এবং সুরক্ষা দিতে হবে। পেশার স্বীকৃতি, শ্রমিকের স্বীকৃতি অত্যন্ত জরুরি। আইনগত স্বীকৃতি পেলে সমাজ ওই জিনিসটাকে গ্রহণ করতে বাধ্য হবে।’
সভায় আরও বক্তব্য দেন নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের সদস্য কামরুন নাহার, কল্পনা আক্তার, নারীপক্ষের সদস্য মাহবুবা মাহমুদ লীনা, জাহানারা খাতুন প্রমুখ।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৮ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে