অনলাইন ডেস্ক
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন, ‘বিগত এক যুগ ধরে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে গবেষণার মধ্যে দিয়ে যা উপস্থাপন করছি, সেটি কি সম্পন্ন করতে পারছি? আমরা যে সংগ্রাম করেছি, ৫৩ বছর পর আমরা যে জায়গায় এসেছি, এখন নতুন করে ভাবনার সময় এসেছে।’
আজ বুধবার দা ডেইলি স্টার আয়োজিত ‘ফাস্টারিং জেন্ডার সেনসিটিভ ক্লাইমেট সলিউশন ফর মারজিনালাইজড কমিউনিটিজ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
দারিদ্র্য বিমোচনে এবং জনগোষ্ঠীর জীবন মানোন্নয়নে প্রান্তিক দরিদ্র জনগোষ্ঠীর বিশেষ করে নারীগোষ্ঠীর লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সরকারের পাশাপাশি সবাইকে এক হয়ে নতুন ভাবনা নিয়ে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
শারমীন এস মুরশিদ বলেন, ‘জলবায়ুর প্রভাবে সৃষ্ট অভিঘাত ও বিপদাপন্নতা নিয়ে যে পরিবারগুলো বেঁচে আছে, তাদের জীবনমান উন্নয়ন করতে পারিনি, তাদের জীবনমান উন্নয়নে প্রান্তিক পর্যায়ে সচেতন গবেষণামূলক গোষ্ঠী তৈরি করতে হবে। আমাদের কর্মপদ্ধতি, কাজের ধারাগুলোর মধ্যে মৌলিক পরিবর্তন করা দরকার।’
শারমীন এস মুরশিদ আরও বলেন, ‘দরিদ্র জনগোষ্ঠীর প্রান্তিক পর্যায়ে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, লবণাক্ততা, বন্যা, ভাঙন, খরা এবং শৈত্যপ্রবাহসহ জলবায়ু সংঘটিত দুর্যোগসমূহ গবেষণা অঞ্চলে পুনরাবৃত্তিমূলক চ্যালেঞ্জগুলোকে নতুনভাবে ভাবতে হবে। দরিদ্র অবস্থায় বসবাসকারী নারীরা ধারাবাহিকভাবে বিপদাপন্ন গোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে এবং জীবন-জীবিকার প্রধান উৎসগুলো ক্ষুদ্র-কৃষি, দিনমজুরি, গৃহস্থালির বাগান কৃষি, গবাদিপশু, মৎস্য, আবাসন, খাদ্যনিরাপত্তা, পানীয়জল সরবরাহ এবং পয়োনিষ্কাশন সুবিধা ইত্যাদি বিশেষভাবে বিপদাপন্নতার মুখে পড়ছে।
গবেষণায় উঠে এসেছে যে মানুষের বিপদাপন্নতা জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক অবস্থার মধ্যে আন্তক্রিয়ার ফলাফলের সঙ্গে লিঙ্গীয় ও সুশাসনের সমস্যা থেকে উদ্ভূত। অপর্যাপ্ত প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা ও দুর্বল শাসনব্যবস্থার মতো পদ্ধতিগত সমস্যাগুলো থেকে এই বৈষম্য, বিশেষ করে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান (এলজিআই) এবং জনগণের প্রতি দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গের থেকে সময়মতো ও যথাযথভাবে সাড়াদানে এগিয়ে আসতে হবে।
গোলটেবিল বৈঠকে বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ও সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা জলবায়ু-সংক্রান্ত বিপদাপন্নতা মোকাবিলায় দারিদ্র্যপীড়িত অঞ্চলে লিঙ্গবৈষম্য এবং সামাজিক বৈষম্য বিষয়ে বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরেন।
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন, ‘বিগত এক যুগ ধরে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে গবেষণার মধ্যে দিয়ে যা উপস্থাপন করছি, সেটি কি সম্পন্ন করতে পারছি? আমরা যে সংগ্রাম করেছি, ৫৩ বছর পর আমরা যে জায়গায় এসেছি, এখন নতুন করে ভাবনার সময় এসেছে।’
আজ বুধবার দা ডেইলি স্টার আয়োজিত ‘ফাস্টারিং জেন্ডার সেনসিটিভ ক্লাইমেট সলিউশন ফর মারজিনালাইজড কমিউনিটিজ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
দারিদ্র্য বিমোচনে এবং জনগোষ্ঠীর জীবন মানোন্নয়নে প্রান্তিক দরিদ্র জনগোষ্ঠীর বিশেষ করে নারীগোষ্ঠীর লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সরকারের পাশাপাশি সবাইকে এক হয়ে নতুন ভাবনা নিয়ে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
শারমীন এস মুরশিদ বলেন, ‘জলবায়ুর প্রভাবে সৃষ্ট অভিঘাত ও বিপদাপন্নতা নিয়ে যে পরিবারগুলো বেঁচে আছে, তাদের জীবনমান উন্নয়ন করতে পারিনি, তাদের জীবনমান উন্নয়নে প্রান্তিক পর্যায়ে সচেতন গবেষণামূলক গোষ্ঠী তৈরি করতে হবে। আমাদের কর্মপদ্ধতি, কাজের ধারাগুলোর মধ্যে মৌলিক পরিবর্তন করা দরকার।’
শারমীন এস মুরশিদ আরও বলেন, ‘দরিদ্র জনগোষ্ঠীর প্রান্তিক পর্যায়ে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, লবণাক্ততা, বন্যা, ভাঙন, খরা এবং শৈত্যপ্রবাহসহ জলবায়ু সংঘটিত দুর্যোগসমূহ গবেষণা অঞ্চলে পুনরাবৃত্তিমূলক চ্যালেঞ্জগুলোকে নতুনভাবে ভাবতে হবে। দরিদ্র অবস্থায় বসবাসকারী নারীরা ধারাবাহিকভাবে বিপদাপন্ন গোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে এবং জীবন-জীবিকার প্রধান উৎসগুলো ক্ষুদ্র-কৃষি, দিনমজুরি, গৃহস্থালির বাগান কৃষি, গবাদিপশু, মৎস্য, আবাসন, খাদ্যনিরাপত্তা, পানীয়জল সরবরাহ এবং পয়োনিষ্কাশন সুবিধা ইত্যাদি বিশেষভাবে বিপদাপন্নতার মুখে পড়ছে।
গবেষণায় উঠে এসেছে যে মানুষের বিপদাপন্নতা জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত এবং সামাজিক-অর্থনৈতিক অবস্থার মধ্যে আন্তক্রিয়ার ফলাফলের সঙ্গে লিঙ্গীয় ও সুশাসনের সমস্যা থেকে উদ্ভূত। অপর্যাপ্ত প্রাতিষ্ঠানিক সহায়তা ও দুর্বল শাসনব্যবস্থার মতো পদ্ধতিগত সমস্যাগুলো থেকে এই বৈষম্য, বিশেষ করে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান (এলজিআই) এবং জনগণের প্রতি দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গের থেকে সময়মতো ও যথাযথভাবে সাড়াদানে এগিয়ে আসতে হবে।
গোলটেবিল বৈঠকে বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ও সংগঠনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা জলবায়ু-সংক্রান্ত বিপদাপন্নতা মোকাবিলায় দারিদ্র্যপীড়িত অঞ্চলে লিঙ্গবৈষম্য এবং সামাজিক বৈষম্য বিষয়ে বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরেন।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৮ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে