নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
প্রাকৃতিক বিপর্যয়সহ বিভিন্ন ছুটির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলে শহরের চেয়ে প্রান্তিক শিক্ষার্থীরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, রাজধানী ঢাকার একটা পরিবেশ আর ঢাকার বাইরে প্রান্তিক পর্যায়ের পরিবেশ ভিন্ন। প্রাকৃতিক বিপর্যয়সহ বিভিন্ন ছুটির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলে শহরের চেয়ে প্রান্তিক শিক্ষার্থীরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই অবস্থা এবং তাপমাত্রার কথা বিবেচনায় নিয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু জেলায় পাঠদান স্থগিত রাখা হয়েছিল এবং দৈনিক ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত দিয়েছিলাম।
মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, গণমাধ্যমের মাধ্যমে শোনা যাচ্ছে যে, ইংরেজি মাধ্যম ও লেভেল, এ লেভেল স্কুল খোলা থাকবে। এসব স্কুলে প্রভাবশালী বা ধনশালী, সমৃদ্ধশালী ব্যক্তিরা সন্তানদের পড়াশোনা করতে পাঠান। তাঁদের স্কুল খোলা থাকবে, আর প্রান্তিক পর্যায়ে আমাদের সন্তান যাদের বাবা-মা মাঠঘাটে কাজ করে দেশের অর্থনীতি এবং সমাজকে চালিয়ে রেখেছেন, তাঁদের সন্তানরা পাঠদান কার্যক্রম করতে পারবে না—এটা তো দৃশ্যত বৈষম্যমূলক একটি পরিস্থিতি সৃষ্টি করবে। সেটি আসলে দুঃখজনক। প্রান্তিক অঞ্চলের মানুষের কথা মাথায় না রেখে শুধু শহরাঞ্চলের মানুষের কথা মাথায় রেখে আলোচনা এসেছে যে সকল প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হোক। কিন্তু আমরা সহনশীলতার জায়গা থেকে সেখানে (গ্রামে) বন্ধ করে দিতে বলেছি।’
তাপপ্রবাহের কারণে আগামী ২ মে পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণার জন্য নির্দেশনা দেয় আদালত। গতকাল সোমবার বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে এ আদেশ দেন।
এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘গতকাল গণমাধ্যম থেকে জানতে পেরেছি যে উচ্চ আদালতের একটি বেঞ্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার জন্য একটি অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ এবং রুলও জারি করা হয়েছে। সেই রুলের জবাব দেওয়ার জন্য এখন পর্যন্ত দাপ্তরিকভাবে অবগত হইনি। যেহেতু একজন আইনজীবীর বরাত দিয়ে গণমাধ্যমে এসেছে, সেই আদেশে কী বলা হয়েছে সেটা অবগত নই। এটি নিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মহোদয়ের সঙ্গে আলোচনা করেছি।’
‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অবস্থান হলো—ছুটি, কারিকুলাম, টেক্সট বুক, পরিচালনাগত নানান বিষয় একটা বিশেষায়িত কার্যক্রম। এই বিশেষায়িত কার্যক্রমের জন্য অনেক অংশীজন এখানে সংযুক্ত থাকেন। অনেক অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। ছুটির বিষয়টাও এমনি যে আবহাওয়া অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে আমরা নির্ধারণ করি।’
তিনি বলেন, ‘আদালতের সিদ্ধান্তের সঙ্গে আমরা শ্রদ্ধাশীল। এ বিষয়ে মন্তব্য করার মতো অবস্থান নেই। আমরা রায়ের আদেশ দেখিনি, তাই মন্তব্য করব না। কোর্ট ক্যালেন্ডারে আমরা দেখলাম যে বৃহস্পতিবার আদালত বন্ধ। যেহেতু বৃহস্পতিবার আদালত বন্ধ, আমাদের আপিলেরও সুযোগ নেই। এখানে মন্তব্য করাটাও কঠিন। যেহেতু আদালতের সিদ্ধান্ত আছে। আমরা সম্মান প্রদর্শনপূর্বক সেই সিদ্ধান্তের বিষয়ে চাইলেও এই মুহূর্তে ব্যবস্থা নিতে পারছি না।’
বৃহস্পতিবার তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কী হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আদেশের কোনো কপি আমাদের হাতে নেই। অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশনার নজির যেটা, সেটা হচ্ছে সেই নির্দেশনা নির্বাহী বিভাগ (মন্ত্রণালয়) সম্মান প্রদর্শনপূর্বক মেনে চলে। নির্বাহী বিভাগ মেনে চলতে বাধ্য।’
প্রাকৃতিক বিপর্যয়সহ বিভিন্ন ছুটির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলে শহরের চেয়ে প্রান্তিক শিক্ষার্থীরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, রাজধানী ঢাকার একটা পরিবেশ আর ঢাকার বাইরে প্রান্তিক পর্যায়ের পরিবেশ ভিন্ন। প্রাকৃতিক বিপর্যয়সহ বিভিন্ন ছুটির কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলে শহরের চেয়ে প্রান্তিক শিক্ষার্থীরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই অবস্থা এবং তাপমাত্রার কথা বিবেচনায় নিয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু জেলায় পাঠদান স্থগিত রাখা হয়েছিল এবং দৈনিক ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত দিয়েছিলাম।
মহিবুল হাসান চৌধুরী বলেন, গণমাধ্যমের মাধ্যমে শোনা যাচ্ছে যে, ইংরেজি মাধ্যম ও লেভেল, এ লেভেল স্কুল খোলা থাকবে। এসব স্কুলে প্রভাবশালী বা ধনশালী, সমৃদ্ধশালী ব্যক্তিরা সন্তানদের পড়াশোনা করতে পাঠান। তাঁদের স্কুল খোলা থাকবে, আর প্রান্তিক পর্যায়ে আমাদের সন্তান যাদের বাবা-মা মাঠঘাটে কাজ করে দেশের অর্থনীতি এবং সমাজকে চালিয়ে রেখেছেন, তাঁদের সন্তানরা পাঠদান কার্যক্রম করতে পারবে না—এটা তো দৃশ্যত বৈষম্যমূলক একটি পরিস্থিতি সৃষ্টি করবে। সেটি আসলে দুঃখজনক। প্রান্তিক অঞ্চলের মানুষের কথা মাথায় না রেখে শুধু শহরাঞ্চলের মানুষের কথা মাথায় রেখে আলোচনা এসেছে যে সকল প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হোক। কিন্তু আমরা সহনশীলতার জায়গা থেকে সেখানে (গ্রামে) বন্ধ করে দিতে বলেছি।’
তাপপ্রবাহের কারণে আগামী ২ মে পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণার জন্য নির্দেশনা দেয় আদালত। গতকাল সোমবার বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে এ আদেশ দেন।
এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘গতকাল গণমাধ্যম থেকে জানতে পেরেছি যে উচ্চ আদালতের একটি বেঞ্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার জন্য একটি অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ এবং রুলও জারি করা হয়েছে। সেই রুলের জবাব দেওয়ার জন্য এখন পর্যন্ত দাপ্তরিকভাবে অবগত হইনি। যেহেতু একজন আইনজীবীর বরাত দিয়ে গণমাধ্যমে এসেছে, সেই আদেশে কী বলা হয়েছে সেটা অবগত নই। এটি নিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মহোদয়ের সঙ্গে আলোচনা করেছি।’
‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অবস্থান হলো—ছুটি, কারিকুলাম, টেক্সট বুক, পরিচালনাগত নানান বিষয় একটা বিশেষায়িত কার্যক্রম। এই বিশেষায়িত কার্যক্রমের জন্য অনেক অংশীজন এখানে সংযুক্ত থাকেন। অনেক অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। ছুটির বিষয়টাও এমনি যে আবহাওয়া অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে আমরা নির্ধারণ করি।’
তিনি বলেন, ‘আদালতের সিদ্ধান্তের সঙ্গে আমরা শ্রদ্ধাশীল। এ বিষয়ে মন্তব্য করার মতো অবস্থান নেই। আমরা রায়ের আদেশ দেখিনি, তাই মন্তব্য করব না। কোর্ট ক্যালেন্ডারে আমরা দেখলাম যে বৃহস্পতিবার আদালত বন্ধ। যেহেতু বৃহস্পতিবার আদালত বন্ধ, আমাদের আপিলেরও সুযোগ নেই। এখানে মন্তব্য করাটাও কঠিন। যেহেতু আদালতের সিদ্ধান্ত আছে। আমরা সম্মান প্রদর্শনপূর্বক সেই সিদ্ধান্তের বিষয়ে চাইলেও এই মুহূর্তে ব্যবস্থা নিতে পারছি না।’
বৃহস্পতিবার তাহলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কী হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আদেশের কোনো কপি আমাদের হাতে নেই। অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশনার নজির যেটা, সেটা হচ্ছে সেই নির্দেশনা নির্বাহী বিভাগ (মন্ত্রণালয়) সম্মান প্রদর্শনপূর্বক মেনে চলে। নির্বাহী বিভাগ মেনে চলতে বাধ্য।’
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৯ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
২০ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
২০ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
২০ দিন আগে