নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
বিদেশি চ্যানেলগুলো ক্লিন ফিড না পাঠালে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের পর বাংলাদেশে সম্প্রচার বন্ধ করে দেবে সরকার। বাংলাদেশে সম্প্রচার হওয়া ভারতের জি বাংলা, স্টার জলসাসহ অন্যান্য বিদেশি চ্যানেলের প্রতি এই কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।
আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে কেবল অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন, অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স, বিদেশি চ্যানেলের ডিস্ট্রিবিউটর, ডিটিএইচ সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ‘আকাশ’ এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন তথ্যমন্ত্রী। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী।
টেলিভিশন প্রযুক্তিতে ‘ক্লিন ফিড’ বলতে মূল ভিডিও সিগন্যালকে বোঝায়। পরবর্তীতে এই ভিডিও গ্রাফিকস এবং টেক্সট যুক্ত করা হয়। চ্যানেল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন অনুযায়ী ফিডের মাঝে মাঝে বিজ্ঞাপনের ক্লিপ যুক্ত করে। বাংলাদেশে বিদেশি চ্যানেলগুলো কোনো ধরনের অনুমতি ছাড়াই এই বিজ্ঞাপন বা অন্যান্য প্রচারণাসহই সম্প্রচারিত হচ্ছে।
এ ব্যাপারে তথ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে যেসব বিদেশি চ্যানেল আছে আইন অনুযায়ী তারা ক্লিন ফিড চালাতে বাধ্য। কিন্তু তাগাদা দেওয়া সত্ত্বেও এসব চ্যানেল ক্লিন ফিড পাঠাচ্ছে না। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ৩০ সেপ্টেম্বরের পর দেশে কোনো অবস্থাতেই ক্লিন ফিড ছাড়া বিদেশি চ্যানেল চালাতে দেব না। এরপর আইন প্রয়োগ করা হবে। আইন অনুযায়ী ক্লিন ফিড ছাড়া বিদেশি চ্যানেল আমাদের এখানে সম্প্রচার করতে পারে না। ক্লিন ফিড চলছে কি-না সেটি নিয়ে আমরা সারা দেশে এনফোর্সমেন্টে যাব।
এদিকে আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরের কেবল নেটওয়ার্কিং সিস্টেম ডিজিটালাইজড করা হবে। এই সময়ের পর থেকে এই দুই শহরে কেবল নেটওয়ার্কের অ্যানালগ সিস্টেম আর কাজ করবে না বলেও জানান তথ্যমন্ত্রী।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, এটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গ্রাহকদের অবহিত করতে একটি পরিপত্র জারি করা হবে। ৩০ নভেম্বরের পরে ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরে অ্যানালগ সিস্টেম আর কাজ করবে না। ডিজিটাল সেট টপ বক্সের মাধ্যমেই সম্প্রচারটা হবে। এখন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম রেডি, কিন্তু দর্শকদের যদি সেট টপ বক্স দেওয়া না হয় এবং তারা যদি না নেন তবে সেটা বাস্তবায়ন করা কঠিন। সে জন্য আমরা পরিপত্র জারি করব।
বিভাগীয় ও মেট্রোপলিটন শহর ছাড়াও কুমিল্লা, বগুড়া, দিনাজপুর, কুষ্টিয়া, রাঙামাটি ও কক্সবাজারকে আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে কেবল অপারেটিং সিস্টেম ডিজিটালাইজড করতে হবে। আর পুরো দেশের বিষয়টি কীভাবে করা হবে তা আগামী নভেম্বর মাসে বসে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে।
আইপি টিভির ব্যাপারে তথ্যমন্ত্রী বলেন, অনেক সার্ভিস প্রোভাইডার ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভিডিও স্ট্রিমিং করে টেলিভিশনে দেখাচ্ছে। সেখানে অনুমোদনহীন অনেক চ্যানেল দেখানো হচ্ছে, এটা তারা কোনোভাবেই করতে পারে না। ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের মাধ্যমে আইপি টিভি দেখানো হচ্ছে। এ নিয়ে জটিলতা তৈরি হচ্ছে, একজনের ডোমেইনের মধ্যে আরেকজন প্রবেশ করছে। তথ্য মন্ত্রণালয়, টেলিকম ও আইসিটি বিভাগ এবং অংশীজনদের নিয়ে বৈঠক করব।
সনদ নবায়ন না করায় ১ হাজার ২০০ কেবল অপারেটিং ও ফিড লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, যাদের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে তাঁদের কেউ কেউ এখনো কাজ করছেন। কেবল অপারেটিং লাইসেন্স দেওয়ার সময় এলাকা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। প্রায়ই এলাকা নিয়ে নানা সময় ঝামেলা হয়, অনেক সময় বড় ঝামেলা হয়, খুন-খারাবির মতো ঘটনাও বিভিন্ন সময় ঘটেছে। সে জন্য একজনের এলাকায় আরেকজন যেতে পারবে না।
মন্ত্রী জানান, আকাশ এবং বিটিভিকে ডিটিএইচ লাইসেন্স দেওয়া আছে। তবে বিটিভি এখনো সেই কার্যক্রমে যায়নি। আরও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ডিটিএইচ লাইসেন্স পেতে পারে। টাটা স্কাইয়ের নামে অনেক জায়গায় ডিটিএইচ সেবা দেওয়া হচ্ছিল, ব্যবস্থা নেওয়ায় অনেক কমেছে। ইদানীং চীন থেকে সেট টপ বক্স এনে অন্যদের ডিশ লাগিয়ে ডিটিএইচ সেবা দেওয়া হচ্ছে, এগুলোর বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কেবল অপারেটিং সিস্টেম ডিজিটালাইজড হওয়ার পর যে কোনো টেলিভিশন চ্যানেল পে-চ্যানেল বা আধা পে-চ্যানেল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারবে বলে জানান তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকারও এই খাত থেকে প্রতি বছর অন্তত ২ হাজার কোটি টাকা করে রাজস্ব হারাচ্ছে। কেবল অপারেটর হিসেবে যারা কাজ করছে তারাও সঠিক পাওনাটা পাচ্ছে না। কেবল অপারেটরেরা অনেক সময় সিনেমা, বিজ্ঞাপন ও অনুষ্ঠান দেখায়, এগুলো আইনের ব্যত্যয়। আমরা সেগুলোর ব্যাপারেও এনফোর্সমেন্টে যাব।
বিদেশি চ্যানেলগুলো ক্লিন ফিড না পাঠালে আগামী ৩০ সেপ্টেম্বরের পর বাংলাদেশে সম্প্রচার বন্ধ করে দেবে সরকার। বাংলাদেশে সম্প্রচার হওয়া ভারতের জি বাংলা, স্টার জলসাসহ অন্যান্য বিদেশি চ্যানেলের প্রতি এই কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।
আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে কেবল অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন, অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স, বিদেশি চ্যানেলের ডিস্ট্রিবিউটর, ডিটিএইচ সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ‘আকাশ’ এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন তথ্যমন্ত্রী। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মন্ত্রী।
টেলিভিশন প্রযুক্তিতে ‘ক্লিন ফিড’ বলতে মূল ভিডিও সিগন্যালকে বোঝায়। পরবর্তীতে এই ভিডিও গ্রাফিকস এবং টেক্সট যুক্ত করা হয়। চ্যানেল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজন অনুযায়ী ফিডের মাঝে মাঝে বিজ্ঞাপনের ক্লিপ যুক্ত করে। বাংলাদেশে বিদেশি চ্যানেলগুলো কোনো ধরনের অনুমতি ছাড়াই এই বিজ্ঞাপন বা অন্যান্য প্রচারণাসহই সম্প্রচারিত হচ্ছে।
এ ব্যাপারে তথ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে যেসব বিদেশি চ্যানেল আছে আইন অনুযায়ী তারা ক্লিন ফিড চালাতে বাধ্য। কিন্তু তাগাদা দেওয়া সত্ত্বেও এসব চ্যানেল ক্লিন ফিড পাঠাচ্ছে না। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ৩০ সেপ্টেম্বরের পর দেশে কোনো অবস্থাতেই ক্লিন ফিড ছাড়া বিদেশি চ্যানেল চালাতে দেব না। এরপর আইন প্রয়োগ করা হবে। আইন অনুযায়ী ক্লিন ফিড ছাড়া বিদেশি চ্যানেল আমাদের এখানে সম্প্রচার করতে পারে না। ক্লিন ফিড চলছে কি-না সেটি নিয়ে আমরা সারা দেশে এনফোর্সমেন্টে যাব।
এদিকে আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরের কেবল নেটওয়ার্কিং সিস্টেম ডিজিটালাইজড করা হবে। এই সময়ের পর থেকে এই দুই শহরে কেবল নেটওয়ার্কের অ্যানালগ সিস্টেম আর কাজ করবে না বলেও জানান তথ্যমন্ত্রী।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, এটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গ্রাহকদের অবহিত করতে একটি পরিপত্র জারি করা হবে। ৩০ নভেম্বরের পরে ঢাকা ও চট্টগ্রাম শহরে অ্যানালগ সিস্টেম আর কাজ করবে না। ডিজিটাল সেট টপ বক্সের মাধ্যমেই সম্প্রচারটা হবে। এখন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম রেডি, কিন্তু দর্শকদের যদি সেট টপ বক্স দেওয়া না হয় এবং তারা যদি না নেন তবে সেটা বাস্তবায়ন করা কঠিন। সে জন্য আমরা পরিপত্র জারি করব।
বিভাগীয় ও মেট্রোপলিটন শহর ছাড়াও কুমিল্লা, বগুড়া, দিনাজপুর, কুষ্টিয়া, রাঙামাটি ও কক্সবাজারকে আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে কেবল অপারেটিং সিস্টেম ডিজিটালাইজড করতে হবে। আর পুরো দেশের বিষয়টি কীভাবে করা হবে তা আগামী নভেম্বর মাসে বসে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছে।
আইপি টিভির ব্যাপারে তথ্যমন্ত্রী বলেন, অনেক সার্ভিস প্রোভাইডার ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভিডিও স্ট্রিমিং করে টেলিভিশনে দেখাচ্ছে। সেখানে অনুমোদনহীন অনেক চ্যানেল দেখানো হচ্ছে, এটা তারা কোনোভাবেই করতে পারে না। ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের মাধ্যমে আইপি টিভি দেখানো হচ্ছে। এ নিয়ে জটিলতা তৈরি হচ্ছে, একজনের ডোমেইনের মধ্যে আরেকজন প্রবেশ করছে। তথ্য মন্ত্রণালয়, টেলিকম ও আইসিটি বিভাগ এবং অংশীজনদের নিয়ে বৈঠক করব।
সনদ নবায়ন না করায় ১ হাজার ২০০ কেবল অপারেটিং ও ফিড লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, যাদের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে তাঁদের কেউ কেউ এখনো কাজ করছেন। কেবল অপারেটিং লাইসেন্স দেওয়ার সময় এলাকা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়। প্রায়ই এলাকা নিয়ে নানা সময় ঝামেলা হয়, অনেক সময় বড় ঝামেলা হয়, খুন-খারাবির মতো ঘটনাও বিভিন্ন সময় ঘটেছে। সে জন্য একজনের এলাকায় আরেকজন যেতে পারবে না।
মন্ত্রী জানান, আকাশ এবং বিটিভিকে ডিটিএইচ লাইসেন্স দেওয়া আছে। তবে বিটিভি এখনো সেই কার্যক্রমে যায়নি। আরও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ডিটিএইচ লাইসেন্স পেতে পারে। টাটা স্কাইয়ের নামে অনেক জায়গায় ডিটিএইচ সেবা দেওয়া হচ্ছিল, ব্যবস্থা নেওয়ায় অনেক কমেছে। ইদানীং চীন থেকে সেট টপ বক্স এনে অন্যদের ডিশ লাগিয়ে ডিটিএইচ সেবা দেওয়া হচ্ছে, এগুলোর বিরুদ্ধেও আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কেবল অপারেটিং সিস্টেম ডিজিটালাইজড হওয়ার পর যে কোনো টেলিভিশন চ্যানেল পে-চ্যানেল বা আধা পে-চ্যানেল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারবে বলে জানান তথ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকারও এই খাত থেকে প্রতি বছর অন্তত ২ হাজার কোটি টাকা করে রাজস্ব হারাচ্ছে। কেবল অপারেটর হিসেবে যারা কাজ করছে তারাও সঠিক পাওনাটা পাচ্ছে না। কেবল অপারেটরেরা অনেক সময় সিনেমা, বিজ্ঞাপন ও অনুষ্ঠান দেখায়, এগুলো আইনের ব্যত্যয়। আমরা সেগুলোর ব্যাপারেও এনফোর্সমেন্টে যাব।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৮ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে