নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
ভারতে গ্রেপ্তার পি কে হালদারের বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের মামলায় ৪৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে। দুদকের সহকারী পরিচালক রাকিবুল হায়াত বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন। মামলায় পি কে হালদারসহ ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সংস্থাটির জনসংযোগ দপ্তর আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, পি কে হালদারসহ ১২ ব্যক্তি এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট থেকে ভুয়া কাগজ দেখিয়ে ৪৪ কোটি টাকা ঋণ তোলেন। পরে তা বিভিন্নভাবে হস্তান্তর-রূপান্তরের মাধ্যমে পাচার করেন।
এদিকে পি কে হালদারের বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ চারটি দপ্তরে চিঠি পাঠিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। গতকাল ও আজ বৃহস্পতিবার এসব চিঠি পাঠানো হয়। দুদকের একটি সূত্র আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ছাড়াও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট ও ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোতে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
দুদক সূত্র জানায়, চিঠিতে পি কে হালদারের আত্মসাৎ ও পাচার করা অর্থ কীভাবে ফেরত আনা যায়, সে বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পি কে হালদারকেও ভারত থেকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে উদ্যোগ নিতে ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
উল্লেখ্য, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও বিদেশে অর্থ পাচার করে পলাতক ছিলেন এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পি কে হালদার। গত শনিবার তাঁকে গ্রেপ্তার করে ভারতের অর্থ গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।
পি কে হালদার সম্পর্কিত আরও খবর:
রুই-কাতলাদের ধরতে পি কে হালদারকে দেশে এনে রিমান্ডে নেবে দুদক
ভারতে গ্রেপ্তার পি কে হালদারের বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। দুদকের মামলায় ৪৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে। দুদকের সহকারী পরিচালক রাকিবুল হায়াত বাদী হয়ে মামলাটি করেছেন। মামলায় পি কে হালদারসহ ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার সংস্থাটির জনসংযোগ দপ্তর আজকের পত্রিকাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, পি কে হালদারসহ ১২ ব্যক্তি এফএএস ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট থেকে ভুয়া কাগজ দেখিয়ে ৪৪ কোটি টাকা ঋণ তোলেন। পরে তা বিভিন্নভাবে হস্তান্তর-রূপান্তরের মাধ্যমে পাচার করেন।
এদিকে পি কে হালদারের বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ চারটি দপ্তরে চিঠি পাঠিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। গতকাল ও আজ বৃহস্পতিবার এসব চিঠি পাঠানো হয়। দুদকের একটি সূত্র আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ছাড়াও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট ও ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরোতে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
দুদক সূত্র জানায়, চিঠিতে পি কে হালদারের আত্মসাৎ ও পাচার করা অর্থ কীভাবে ফেরত আনা যায়, সে বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে পি কে হালদারকেও ভারত থেকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে উদ্যোগ নিতে ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়।
উল্লেখ্য, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও বিদেশে অর্থ পাচার করে পলাতক ছিলেন এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পি কে হালদার। গত শনিবার তাঁকে গ্রেপ্তার করে ভারতের অর্থ গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।
পি কে হালদার সম্পর্কিত আরও খবর:
রুই-কাতলাদের ধরতে পি কে হালদারকে দেশে এনে রিমান্ডে নেবে দুদক
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৯ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৯ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৯ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৯ দিন আগে