সৈয়দ ঋয়াদ, ঢাকা
বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আঞ্চলিক পরিচালক পদ থেকে অপসারণে তৎপরতা শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট দুই মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। দেশের ভাবমূর্তির কথা ভেবেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দুদকের দায়িত্বশীল সূত্র জানান।
সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অবগত দুদকের এক কর্মকর্তা আজকের পত্রিকাকে বলেন, সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে অপসারণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়েছে দুদক। আগামীকাল (সোমবার) তাঁকে অপসারণের ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হবে। চিঠি প্রস্তুত করা হয়েছে, স্বাক্ষর হলেই এসব দপ্তরে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে সূত্রটি।
দুদকের প্রস্তুত করা চিঠিটি আজকের পত্রিকার পক্ষ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের ‘যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও’ অনৈতিকভাবে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ব্যবহার করে শেখ হাসিনা তাঁর ডব্লিউএইচওর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক নিয়োগে ভূমিকা রেখেছেন। কোনো কারণ ছাড়াই শেখ হাসিনা মেয়েকে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সফরে সফরসঙ্গী করেছেন।
চিঠিতে আরও বলা হয়, ‘সায়মা ওয়াজেদের ক্ষেত্রে, প্রার্থীর যোগ্যতা হিসেবে যে সকল অভিজ্ঞতা, যোগ্যতা উল্লেখ করা হয়েছে, তা কেবল কাগুজে ও ফরমায়েশি। অযোগ্যতাকে ধামাচাপা দেওয়ার লক্ষ্যে ২০২৩ সালে জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে শেখ হাসিনা মেয়ে পুতুলকে ভারতে নিয়ে যান। নিজের পারিবারিক প্রভাব এবং তাঁর নিকটাত্মীয়দের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে সরকারের বিপুল আর্থিক ক্ষতিসাধন করেছেন এবং একই সাথে তাদের কার্যকলাপ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে রাষ্ট্রীয় সম্মানহানির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’
দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে পুতুল নিজ নামে পূর্বাচল নতুন শহরে ১০ কাঠা প্লট বরাদ্দ, ‘সূচনা ফাউন্ডেশন’ নামীয় একটি প্রতিষ্ঠান খুলে বিভিন্ন সামাজিক ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান থেকে জোরপূর্বক উপঢৌকন আদায় ও স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য বিভাগের আওতায় ‘অটিস্টিক সেল’ ব্যবহার করে ভুয়া প্রকল্পে রাষ্ট্রের বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করার কথাও চিঠিতে বলা হয়।
দুদকের চিঠিতে ফাউন্ডেশনের নামে উপার্জিত অর্থ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ওপর অবৈধ প্রভাব বিস্তার করে করমুক্ত করার কথাও বলা হয়।
পুতুলকে অপসারণের যৌক্তিকতা তুলে ধরে দুদকের চিঠিতে বলা হয়, ‘সার্বিকভাবে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিশ্বাসযোগ্য অভিযোগ রয়েছে। এহেন ব্যক্তি বাংলাদেশের কর্তৃক মনোনীত হয়ে ডব্লিউএইচওর একটি সম্মানজনক পদে দায়িত্ব পালন করে যাওয়া দেশের জন্য মর্যাদা হানিকর।’
দুদক আরও বলেছে, ‘বিশ্বমণ্ডলে দেশের সুনাম ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার জোরালো আশঙ্কা রয়েছে। এমতাবস্থায় তাঁর (সায়মা ওয়াজেদ পুতুল) বিশ্ব স্থাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক পদ বাতিলপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।’
গত ১২ জানুয়ারি পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠার সরকারি প্লট বেআইনিভাবে বরাদ্দের অভিযোগে পুতুল, শেখ হাসিনাসহ ১৬ জনের নামে মামলা করেছে দুদক।
বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আঞ্চলিক পরিচালক পদ থেকে অপসারণে তৎপরতা শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট দুই মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। দেশের ভাবমূর্তির কথা ভেবেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দুদকের দায়িত্বশীল সূত্র জানান।
সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অবগত দুদকের এক কর্মকর্তা আজকের পত্রিকাকে বলেন, সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে অপসারণে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়েছে দুদক। আগামীকাল (সোমবার) তাঁকে অপসারণের ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হবে। চিঠি প্রস্তুত করা হয়েছে, স্বাক্ষর হলেই এসব দপ্তরে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে সূত্রটি।
দুদকের প্রস্তুত করা চিঠিটি আজকের পত্রিকার পক্ষ থেকে দেখার সুযোগ হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের ‘যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও’ অনৈতিকভাবে প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ব্যবহার করে শেখ হাসিনা তাঁর ডব্লিউএইচওর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক নিয়োগে ভূমিকা রেখেছেন। কোনো কারণ ছাড়াই শেখ হাসিনা মেয়েকে বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় সফরে সফরসঙ্গী করেছেন।
চিঠিতে আরও বলা হয়, ‘সায়মা ওয়াজেদের ক্ষেত্রে, প্রার্থীর যোগ্যতা হিসেবে যে সকল অভিজ্ঞতা, যোগ্যতা উল্লেখ করা হয়েছে, তা কেবল কাগুজে ও ফরমায়েশি। অযোগ্যতাকে ধামাচাপা দেওয়ার লক্ষ্যে ২০২৩ সালে জি২০ শীর্ষ সম্মেলনে শেখ হাসিনা মেয়ে পুতুলকে ভারতে নিয়ে যান। নিজের পারিবারিক প্রভাব এবং তাঁর নিকটাত্মীয়দের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে সরকারের বিপুল আর্থিক ক্ষতিসাধন করেছেন এবং একই সাথে তাদের কার্যকলাপ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে রাষ্ট্রীয় সম্মানহানির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।’
দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে পুতুল নিজ নামে পূর্বাচল নতুন শহরে ১০ কাঠা প্লট বরাদ্দ, ‘সূচনা ফাউন্ডেশন’ নামীয় একটি প্রতিষ্ঠান খুলে বিভিন্ন সামাজিক ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান থেকে জোরপূর্বক উপঢৌকন আদায় ও স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য বিভাগের আওতায় ‘অটিস্টিক সেল’ ব্যবহার করে ভুয়া প্রকল্পে রাষ্ট্রের বিপুল অর্থ আত্মসাৎ করার কথাও চিঠিতে বলা হয়।
দুদকের চিঠিতে ফাউন্ডেশনের নামে উপার্জিত অর্থ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ওপর অবৈধ প্রভাব বিস্তার করে করমুক্ত করার কথাও বলা হয়।
পুতুলকে অপসারণের যৌক্তিকতা তুলে ধরে দুদকের চিঠিতে বলা হয়, ‘সার্বিকভাবে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিশ্বাসযোগ্য অভিযোগ রয়েছে। এহেন ব্যক্তি বাংলাদেশের কর্তৃক মনোনীত হয়ে ডব্লিউএইচওর একটি সম্মানজনক পদে দায়িত্ব পালন করে যাওয়া দেশের জন্য মর্যাদা হানিকর।’
দুদক আরও বলেছে, ‘বিশ্বমণ্ডলে দেশের সুনাম ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার জোরালো আশঙ্কা রয়েছে। এমতাবস্থায় তাঁর (সায়মা ওয়াজেদ পুতুল) বিশ্ব স্থাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক পদ বাতিলপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।’
গত ১২ জানুয়ারি পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠার সরকারি প্লট বেআইনিভাবে বরাদ্দের অভিযোগে পুতুল, শেখ হাসিনাসহ ১৬ জনের নামে মামলা করেছে দুদক।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৮ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে