অনলাইন ডেস্ক
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার করার এখতিয়ার চ্যালেঞ্জ করে আবেদন খারিজ করা হয়েছে। এই আদালতের অধীনে বিচারাধীন সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের পক্ষে আবেদনটি করা হয়েছিল। সেটির শুনানি শেষে আজ বুধবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল খারিজের আদেশ দেন।
আদালতে জিয়াউল আহসানের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট নাজনীন নাহার দীপু। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন প্রধান কৌঁসুলি মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কৌঁসুলি শাইখ মাহদী ও তারেক আব্দুল্লাহ।
আদেশের পর তাজুল বলেন, জিয়াউল আহসানের পক্ষ থেকে আবেদনে বলা হয়েছিল, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারের পূর্বশত হলো সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধ যুদ্ধকালীন সংঘটিত হতে হবে। জুলাই-আগস্টে যেহেতু কোনো যুদ্ধ হয়নি, তাই তখন সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার এই ট্রাইব্যুনালে হবে না।
তিনি আরো বলেন, ‘তাঁরা বলেছিল, যেহেতু সংসদ নেই, তাই অধ্যাদেশ জারি করে আইনের যে সংশোধনী আনা হয়েছে, তা অবৈধ। এজন্য তাঁর (জিয়াউল) বিচার এখানে হবে না। এ ছাড়া গুম শব্দটি ঘটনার পর আইন সংশোধন করে যুক্ত করা হয়। তারা বলেছে, ভূতাপেক্ষতা দিয়ে এখানে গুমের বিচার করা যাবে না। তাদের এসব আবেদন খারিজ করে দিয়ে আদালত বলেছেন, যে আইন দ্বারা এই ট্রাইব্যুনাল গঠিত, তা চ্যালেঞ্জ করার জায়গা এই ট্রাইব্যুনাল নয়।’
জিয়াউলের পক্ষ থেকে তোলা প্রশ্নকে ‘অপ্রাসঙ্গিক’ হিসেবে দাবি করেন ২০১৩ সালে মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধীদের পক্ষে এই ট্রাইব্যুনালের কৌঁসুলি হিসেবে কাজ করা এই আইনজীবী। তিনি বলেন, ‘এখানে (ট্রাইব্যুনাল) সাংবিধানিক কোনো বিষয়ে শুনানির সুযোগ নেই। ১৯৭৩ সালের আইনে বলা হয়েছে, আগে বা পরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ বা আন্তর্জাতিক আইনে কোনো অপরাধের বিচার করা যাবে।’
আদালতের আদেশের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে জিয়াউলের আইনজীবী নাজনীন নাহার বলেন, ‘১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময়ের অপরাধের বিচারের জন্য এই ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়েছিল। জুলাই–আগস্টে যা হয়েছিল, তা রাজনৈতিক সংঘাত। সেই সংঘাতের বিচারের জন্য প্রচলিত আইন ও আদালতেই ব্যবস্থা আছে। প্রয়োজনে ট্রাইব্যুনালও করা যেতে পারে। আমরা সিনিয়রের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব।’
ট্রাইব্যুনালের বিচারকদের নিয়োগ ও ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার চ্যালেঞ্জসহ মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে জিয়াউল আহসানের পক্ষে এই আবেদন করা হয়।
অব্যাহতির আগে জিয়াউল আহসান জাতীয় টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) মহাপরিচালক ছিলেন। এর আগে তিনি জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালক (অভ্যন্তরীণ বিষয়ক) ও র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে কোটা বাতিলের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভের মধ্যে সহিংসতায় সহস্রাধিক নিহতের ঘটনায় এবং গুমের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হয়। ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর জিয়াউল আহসানকে সেনাবাহিনী থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। পরে গ্রেপ্তার করে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার করার এখতিয়ার চ্যালেঞ্জ করে আবেদন খারিজ করা হয়েছে। এই আদালতের অধীনে বিচারাধীন সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের পক্ষে আবেদনটি করা হয়েছিল। সেটির শুনানি শেষে আজ বুধবার বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল খারিজের আদেশ দেন।
আদালতে জিয়াউল আহসানের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট নাজনীন নাহার দীপু। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন প্রধান কৌঁসুলি মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কৌঁসুলি শাইখ মাহদী ও তারেক আব্দুল্লাহ।
আদেশের পর তাজুল বলেন, জিয়াউল আহসানের পক্ষ থেকে আবেদনে বলা হয়েছিল, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচারের পূর্বশত হলো সংশ্লিষ্ট মানবতাবিরোধী অপরাধ যুদ্ধকালীন সংঘটিত হতে হবে। জুলাই-আগস্টে যেহেতু কোনো যুদ্ধ হয়নি, তাই তখন সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচার এই ট্রাইব্যুনালে হবে না।
তিনি আরো বলেন, ‘তাঁরা বলেছিল, যেহেতু সংসদ নেই, তাই অধ্যাদেশ জারি করে আইনের যে সংশোধনী আনা হয়েছে, তা অবৈধ। এজন্য তাঁর (জিয়াউল) বিচার এখানে হবে না। এ ছাড়া গুম শব্দটি ঘটনার পর আইন সংশোধন করে যুক্ত করা হয়। তারা বলেছে, ভূতাপেক্ষতা দিয়ে এখানে গুমের বিচার করা যাবে না। তাদের এসব আবেদন খারিজ করে দিয়ে আদালত বলেছেন, যে আইন দ্বারা এই ট্রাইব্যুনাল গঠিত, তা চ্যালেঞ্জ করার জায়গা এই ট্রাইব্যুনাল নয়।’
জিয়াউলের পক্ষ থেকে তোলা প্রশ্নকে ‘অপ্রাসঙ্গিক’ হিসেবে দাবি করেন ২০১৩ সালে মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধীদের পক্ষে এই ট্রাইব্যুনালের কৌঁসুলি হিসেবে কাজ করা এই আইনজীবী। তিনি বলেন, ‘এখানে (ট্রাইব্যুনাল) সাংবিধানিক কোনো বিষয়ে শুনানির সুযোগ নেই। ১৯৭৩ সালের আইনে বলা হয়েছে, আগে বা পরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ বা আন্তর্জাতিক আইনে কোনো অপরাধের বিচার করা যাবে।’
আদালতের আদেশের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে জিয়াউলের আইনজীবী নাজনীন নাহার বলেন, ‘১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময়ের অপরাধের বিচারের জন্য এই ট্রাইব্যুনাল গঠিত হয়েছিল। জুলাই–আগস্টে যা হয়েছিল, তা রাজনৈতিক সংঘাত। সেই সংঘাতের বিচারের জন্য প্রচলিত আইন ও আদালতেই ব্যবস্থা আছে। প্রয়োজনে ট্রাইব্যুনালও করা যেতে পারে। আমরা সিনিয়রের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব।’
ট্রাইব্যুনালের বিচারকদের নিয়োগ ও ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ার চ্যালেঞ্জসহ মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে জিয়াউল আহসানের পক্ষে এই আবেদন করা হয়।
অব্যাহতির আগে জিয়াউল আহসান জাতীয় টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের (এনটিএমসি) মহাপরিচালক ছিলেন। এর আগে তিনি জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালক (অভ্যন্তরীণ বিষয়ক) ও র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) অতিরিক্ত মহাপরিচালক (এডিজি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে কোটা বাতিলের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভের মধ্যে সহিংসতায় সহস্রাধিক নিহতের ঘটনায় এবং গুমের অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে মামলা করা হয়। ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের মুখে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর জিয়াউল আহসানকে সেনাবাহিনী থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। পরে গ্রেপ্তার করে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৮ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে