নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আলোচিত ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও তাঁর দুই ছেলের নামে থাকা সিঙ্গাপুরের ব্যাংক হিসাব ও কোম্পানির শেয়ার অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন এই নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছেন দুদকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) তানভির আহমেদ।
তানভির আহমেদ জানান, সাইফুল আলম ও তাঁর দুই ছেলের নামে থাকা সিঙ্গাপুরের ব্যাংক হিসাব ও কোম্পানির শেয়ার অবরুদ্ধের নির্দেশ চেয়ে আবেদন করেন দুদকের উপপরিচালক তাহাসিন মুনাবিল হক।
আবেদনে বলা হয়, সাইফুল আলম ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বিভিন্ন ব্যাংক থেকে নামে-বেনামে বিধিবহির্ভূতভাবে ঋণ নিয়ে তা আত্মসাৎ করে নিজ নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে দেশে-বিদেশে বিপুল সম্পদ অর্জন করেছেন বলে যে অভিযোগ উঠেছে, তা তদন্ত করছে দুদক। সংস্থাটি জানতে পেরেছে, এস আলম ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্টরা তাঁদের অস্থাবর সম্পদ অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন। অনুসন্ধান নিষ্পত্তির আগেই এসব সম্পদ হস্তান্তর বা স্থানান্তর হয়ে গেলে তাঁদের ব্যাংক হিসাবে থাকা অর্থ উদ্ধার কঠিন হয়ে পড়বে। এ কারণে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ব্যাংক হিসাবে থাকা অর্থ অবরুদ্ধের নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন।
দুদক কর্মকর্তার এই আবেদন আমলে নিয়ে এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম ও তাঁর দুই ছেলের নামে থাকা সিঙ্গাপুরের তিনটি পৃথক ব্যাংকে ১৮টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দেন আদালত। একই সঙ্গে পাঁচটি ইনস্যুরেন্স কোম্পানির ১৭টি হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দেওয়া হয়।
এ ছাড়া সিঙ্গাপুরে এস আলমের আটটি কোম্পানিতে থাকা শেয়ার, তাঁর ছেলে আশরাফুল আলমের পাঁচটি ব্যাংক হিসাব ও একটি কোম্পানির শেয়ার, আরেক ছেলে আহসানুল আলমের নামে থাকা একটি কোম্পানির শেয়ার অবরুদ্ধের আদেশ দেন আদালত।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আলোচিত ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও তাঁর দুই ছেলের নামে থাকা সিঙ্গাপুরের ব্যাংক হিসাব ও কোম্পানির শেয়ার অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. জাকির হোসেন এই নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছেন দুদকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) তানভির আহমেদ।
তানভির আহমেদ জানান, সাইফুল আলম ও তাঁর দুই ছেলের নামে থাকা সিঙ্গাপুরের ব্যাংক হিসাব ও কোম্পানির শেয়ার অবরুদ্ধের নির্দেশ চেয়ে আবেদন করেন দুদকের উপপরিচালক তাহাসিন মুনাবিল হক।
আবেদনে বলা হয়, সাইফুল আলম ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বিভিন্ন ব্যাংক থেকে নামে-বেনামে বিধিবহির্ভূতভাবে ঋণ নিয়ে তা আত্মসাৎ করে নিজ নামে ও পরিবারের সদস্যদের নামে দেশে-বিদেশে বিপুল সম্পদ অর্জন করেছেন বলে যে অভিযোগ উঠেছে, তা তদন্ত করছে দুদক। সংস্থাটি জানতে পেরেছে, এস আলম ও তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্টরা তাঁদের অস্থাবর সম্পদ অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন। অনুসন্ধান নিষ্পত্তির আগেই এসব সম্পদ হস্তান্তর বা স্থানান্তর হয়ে গেলে তাঁদের ব্যাংক হিসাবে থাকা অর্থ উদ্ধার কঠিন হয়ে পড়বে। এ কারণে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের ব্যাংক হিসাবে থাকা অর্থ অবরুদ্ধের নির্দেশ দেওয়া প্রয়োজন।
দুদক কর্মকর্তার এই আবেদন আমলে নিয়ে এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম ও তাঁর দুই ছেলের নামে থাকা সিঙ্গাপুরের তিনটি পৃথক ব্যাংকে ১৮টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ করার আদেশ দেন আদালত। একই সঙ্গে পাঁচটি ইনস্যুরেন্স কোম্পানির ১৭টি হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দেওয়া হয়।
এ ছাড়া সিঙ্গাপুরে এস আলমের আটটি কোম্পানিতে থাকা শেয়ার, তাঁর ছেলে আশরাফুল আলমের পাঁচটি ব্যাংক হিসাব ও একটি কোম্পানির শেয়ার, আরেক ছেলে আহসানুল আলমের নামে থাকা একটি কোম্পানির শেয়ার অবরুদ্ধের আদেশ দেন আদালত।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৮ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে