নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
গত সপ্তাহ থেকেই ডেঙ্গু সংক্রমণ কিছুটা নিম্নমুখী। চলতি মাসের শেষের দিকে সংক্রমণের হার একেবারে কমে আসার সম্ভাবনা দেখছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। যদিও এখনো প্রতিদিন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কয়েক শ মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। পাশাপাশি দেশের কোথাও না কোথাও মৃত্যুর খবর আসছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) সারা দেশের হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু নিয়ে ৪৬২ জন মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। মারা গেছেন আরও ২ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকা মহানগরীতেই রয়েছেন ২৪১ জন। সব মিলিয়ে এ বছর ডেঙ্গুর শিকার হয়েছেন ৫৫ হাজার ৬০৭ জন। গতকাল শনিবার সকাল পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ১ হাজার ৯৮৮ জন। যার অর্ধেকেরও বেশি রাজধানীতে।
এদিকে নতুন করে মারা যাওয়া দুজনকে নিয়ে চলতি মাসের ২৬ দিনে ডেঙ্গুতে ১০৩ জনের প্রাণহানি ঘটল। যা চলতি বছর ১ মাসে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এই নিয়ে এ বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৪৪ জনে পৌঁছেছে। যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ মৃত্যু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, অন্যান্য বছর জুলাই-আগস্টে ডেঙ্গুর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি থাকলেও এ বছর সেপ্টেম্বর-অক্টোবর ও চলতি নভেম্বরে পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ হয়েছে। জানুয়ারির শুরুতে সংক্রমণ শুরু হলেও জুনে প্রথম একজনের প্রাণহানি ঘটে। এরপর প্রতি মাসেই মৃত্যু হয়েছে।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি কবে নাগাদ প্রত্যাশিত মাত্রায় উন্নতি হবে জানতে চাইলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ফজলে শামসুল কবির আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গত কয়েক দিনে পরিস্থিতির অনেকটা উন্নতি হয়েছে। সংক্রমণ ও প্রাণহানি কমেছে। আশা করা হচ্ছে, চলতি মাসেই একেবারে কমে আসবে। তারপরও আমরা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি।’
ডিএসসিসি প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘সংখ্যায় কম হলেও যেসব ওয়ার্ডে এখনো রোগী পাওয়া যাচ্ছে সেখানে বাড়তি সতর্কতা ও চিকিৎসা ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে। ডেঙ্গু কমে আসলেও কিউলেক্স মশার উপদ্রব বাড়তে শুরু করেছে। তাই, খাল-বিল, জলাশয় ও নির্মিত ভবনগুলোতে মশা নিধনে অভিযান নিয়মিত চলছে, সঙ্গে ওষুধও ছিটানো হচ্ছে। একেবারে শূন্যে না নামা পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলবে।’
এই বিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জোবায়দুর রহমান বলেন, ‘বর্তমানে বৃষ্টি নেই তবে এখনো প্রকোপ একেবারে কমে আসেনি। তাই আমরা নিয়মিত বাসা-বাড়িতে যাচ্ছি, প্রতি ওয়ার্ডে মাইকিং করছি। যেহেতু কমতে শুরু করেছে, আশা করা যায় মাসের শেষের দিকে অথবা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই একেবারে কমে আসবে।’
দুই সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা আশার বাণী শোনালেও বাস্তবতা ভিন্ন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত বিগত ৭ দিনের ডেঙ্গু সংক্রমণের তথ্য থেকে দেখা গেছে—২০ নভেম্বর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৪৬ জন, ২১ নভেম্বর আক্রান্ত হয়েছেন ৬০৬ জন, ২২ নভেম্বর আক্রান্ত হয়েছেন ৫১৫ জন, ২৩ নভেম্বর আক্রান্ত হয়েছেন ৪৭৭ জন, ২৪ নভেম্বর আক্রান্ত হয়েছেন ৫১৯ জন, ২৫ নভেম্বর আক্রান্ত হয়েছেন আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটাই কমে ২২১ জনে দাঁড়ালেও মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে আজ ২৬ নভেম্বর আক্রান্ত হয়েছেন ৪৬২ জন।
এ ছাড়া, চলতি বছরে যেখানে সারা দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২৪৪ জন। অথচ, চলতি মাসের ২৬ দিনেই মারা গেছেন ১০৪ জন। স্বাভাবিকভাবেই দেখা যাচ্ছে নভেম্বর মাসেই মৃত্যুর পরিমাণ অনেক বেশি। ফলে দুই সিটি করপোরেশন আশার বাণী শোনালেও বাস্তবতা কোনোভাবেই তা সমর্থন করছে না।
গত সপ্তাহ থেকেই ডেঙ্গু সংক্রমণ কিছুটা নিম্নমুখী। চলতি মাসের শেষের দিকে সংক্রমণের হার একেবারে কমে আসার সম্ভাবনা দেখছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন। যদিও এখনো প্রতিদিন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে কয়েক শ মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। পাশাপাশি দেশের কোথাও না কোথাও মৃত্যুর খবর আসছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) সারা দেশের হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু নিয়ে ৪৬২ জন মানুষ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। মারা গেছেন আরও ২ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকা মহানগরীতেই রয়েছেন ২৪১ জন। সব মিলিয়ে এ বছর ডেঙ্গুর শিকার হয়েছেন ৫৫ হাজার ৬০৭ জন। গতকাল শনিবার সকাল পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ১ হাজার ৯৮৮ জন। যার অর্ধেকেরও বেশি রাজধানীতে।
এদিকে নতুন করে মারা যাওয়া দুজনকে নিয়ে চলতি মাসের ২৬ দিনে ডেঙ্গুতে ১০৩ জনের প্রাণহানি ঘটল। যা চলতি বছর ১ মাসে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এই নিয়ে এ বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৪৪ জনে পৌঁছেছে। যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ মৃত্যু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, অন্যান্য বছর জুলাই-আগস্টে ডেঙ্গুর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি থাকলেও এ বছর সেপ্টেম্বর-অক্টোবর ও চলতি নভেম্বরে পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ হয়েছে। জানুয়ারির শুরুতে সংক্রমণ শুরু হলেও জুনে প্রথম একজনের প্রাণহানি ঘটে। এরপর প্রতি মাসেই মৃত্যু হয়েছে।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি কবে নাগাদ প্রত্যাশিত মাত্রায় উন্নতি হবে জানতে চাইলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ফজলে শামসুল কবির আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘গত কয়েক দিনে পরিস্থিতির অনেকটা উন্নতি হয়েছে। সংক্রমণ ও প্রাণহানি কমেছে। আশা করা হচ্ছে, চলতি মাসেই একেবারে কমে আসবে। তারপরও আমরা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি।’
ডিএসসিসি প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘সংখ্যায় কম হলেও যেসব ওয়ার্ডে এখনো রোগী পাওয়া যাচ্ছে সেখানে বাড়তি সতর্কতা ও চিকিৎসা ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে। ডেঙ্গু কমে আসলেও কিউলেক্স মশার উপদ্রব বাড়তে শুরু করেছে। তাই, খাল-বিল, জলাশয় ও নির্মিত ভবনগুলোতে মশা নিধনে অভিযান নিয়মিত চলছে, সঙ্গে ওষুধও ছিটানো হচ্ছে। একেবারে শূন্যে না নামা পর্যন্ত এই কার্যক্রম চলবে।’
এই বিষয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জোবায়দুর রহমান বলেন, ‘বর্তমানে বৃষ্টি নেই তবে এখনো প্রকোপ একেবারে কমে আসেনি। তাই আমরা নিয়মিত বাসা-বাড়িতে যাচ্ছি, প্রতি ওয়ার্ডে মাইকিং করছি। যেহেতু কমতে শুরু করেছে, আশা করা যায় মাসের শেষের দিকে অথবা ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই একেবারে কমে আসবে।’
দুই সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তারা আশার বাণী শোনালেও বাস্তবতা ভিন্ন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত বিগত ৭ দিনের ডেঙ্গু সংক্রমণের তথ্য থেকে দেখা গেছে—২০ নভেম্বর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৪৬ জন, ২১ নভেম্বর আক্রান্ত হয়েছেন ৬০৬ জন, ২২ নভেম্বর আক্রান্ত হয়েছেন ৫১৫ জন, ২৩ নভেম্বর আক্রান্ত হয়েছেন ৪৭৭ জন, ২৪ নভেম্বর আক্রান্ত হয়েছেন ৫১৯ জন, ২৫ নভেম্বর আক্রান্ত হয়েছেন আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটাই কমে ২২১ জনে দাঁড়ালেও মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে আজ ২৬ নভেম্বর আক্রান্ত হয়েছেন ৪৬২ জন।
এ ছাড়া, চলতি বছরে যেখানে সারা দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২৪৪ জন। অথচ, চলতি মাসের ২৬ দিনেই মারা গেছেন ১০৪ জন। স্বাভাবিকভাবেই দেখা যাচ্ছে নভেম্বর মাসেই মৃত্যুর পরিমাণ অনেক বেশি। ফলে দুই সিটি করপোরেশন আশার বাণী শোনালেও বাস্তবতা কোনোভাবেই তা সমর্থন করছে না।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৯ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৯ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৯ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৯ দিন আগে