নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা শিক্ষা আইনের খসড়া অনুমোদন দিয়েছে সরকার। আইনে মেডিকেল কাউন্সিলের মতো একটি কাউন্সিল গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি অনুমোদনহীন ওষুধের ব্যবস্থাপত্র দিলে জেল-জরিমানার কথাও বলা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আজ রোববার মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ আইনের খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘উচ্চ আদালতের নির্দেশনায় সামরিক শাসনামলে প্রণীত অধ্যাদেশগুলোকে নতুন করে আইনে পরিণত করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ফলে ১৯৮৩ সালে প্রণীত অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করা হচ্ছে।’
আইনে ঢাকায় একটি আয়ুর্বেদিক বোর্ড থাকার কথা বলা হয়েছে জানিয়ে আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘এই বোর্ডের অনুমোদন নিয়ে যেকোনো স্থানে শাখা করা যাবে। একটি পরিচালনা পর্ষদ থাকবে, চেয়ারম্যান, সভাপতি এবং একজন রেজিস্ট্রার থাকবেন।’
‘মেডিকেল কাউন্সিলের মতো একটি কাউন্সিল থাকবে। তারা একাডেমিক বিষয়গুলো দেখবে। তিন বছরের জন্য কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচন করা হবে। কোনো কারণে কাউন্সিল গঠন না হলে সরকার সভাপতি নির্বাচন করে দেবে। কাউন্সিলে ১৬ শ্রেণির সদস্য থাকবেন। কাউন্সিল ডিপ্লোমা, স্নাতক, স্নাতকোত্তর ডিগ্রির রেজিস্ট্রেশন, গবেষণা বা বিশেষ শিক্ষা প্রবর্তন করাসহ অন্যান্য গবেষণা নিয়ে কাজ করবে।’
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘কোনো সংস্থা, প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি মিথ্যা উপাধি ব্যবহার করলে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড বা ১ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে। অনুমোদনহীন ওষুধের প্রেসক্রিপশন দিলে এক বছরের কারাদণ্ড বা ১ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হবে। এ ছাড়া কোনো সংস্থা, প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি ডিগ্রির অনুকরণ করলে তিন বছরের কারাদণ্ড বা ৫ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।’
ইউনানি চিকিৎসকেরা নামের আগে ‘ডাক্তার’ ব্যবহার করতে পারবেন কি না—এই প্রশ্নে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সেটা কাউন্সিল নির্ধারণ করবে।
ইউনানি ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা শিক্ষা আইনের খসড়া অনুমোদন দিয়েছে সরকার। আইনে মেডিকেল কাউন্সিলের মতো একটি কাউন্সিল গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। পাশাপাশি অনুমোদনহীন ওষুধের ব্যবস্থাপত্র দিলে জেল-জরিমানার কথাও বলা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে আজ রোববার মন্ত্রিসভা বৈঠকে এ আইনের খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে বলেন, ‘উচ্চ আদালতের নির্দেশনায় সামরিক শাসনামলে প্রণীত অধ্যাদেশগুলোকে নতুন করে আইনে পরিণত করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। ফলে ১৯৮৩ সালে প্রণীত অধ্যাদেশকে আইনে পরিণত করা হচ্ছে।’
আইনে ঢাকায় একটি আয়ুর্বেদিক বোর্ড থাকার কথা বলা হয়েছে জানিয়ে আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘এই বোর্ডের অনুমোদন নিয়ে যেকোনো স্থানে শাখা করা যাবে। একটি পরিচালনা পর্ষদ থাকবে, চেয়ারম্যান, সভাপতি এবং একজন রেজিস্ট্রার থাকবেন।’
‘মেডিকেল কাউন্সিলের মতো একটি কাউন্সিল থাকবে। তারা একাডেমিক বিষয়গুলো দেখবে। তিন বছরের জন্য কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচন করা হবে। কোনো কারণে কাউন্সিল গঠন না হলে সরকার সভাপতি নির্বাচন করে দেবে। কাউন্সিলে ১৬ শ্রেণির সদস্য থাকবেন। কাউন্সিল ডিপ্লোমা, স্নাতক, স্নাতকোত্তর ডিগ্রির রেজিস্ট্রেশন, গবেষণা বা বিশেষ শিক্ষা প্রবর্তন করাসহ অন্যান্য গবেষণা নিয়ে কাজ করবে।’
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘কোনো সংস্থা, প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি মিথ্যা উপাধি ব্যবহার করলে সর্বোচ্চ এক বছরের কারাদণ্ড বা ১ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে। অনুমোদনহীন ওষুধের প্রেসক্রিপশন দিলে এক বছরের কারাদণ্ড বা ১ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হবে। এ ছাড়া কোনো সংস্থা, প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তি ডিগ্রির অনুকরণ করলে তিন বছরের কারাদণ্ড বা ৫ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।’
ইউনানি চিকিৎসকেরা নামের আগে ‘ডাক্তার’ ব্যবহার করতে পারবেন কি না—এই প্রশ্নে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, সেটা কাউন্সিল নির্ধারণ করবে।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৯ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৯ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৯ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৯ দিন আগে