কূটনৈতিক প্রতিবেদক, ঢাকা
সৌদি আরবের হাইল প্রদেশের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী। রাষ্ট্রদূত আজ বৃহস্পতিবার হাইলের চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আবদুল আজিজ খালাফ আল জাকদির সঙ্গে বৈঠককালে এ আহ্বান জানান। রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, সৌদি ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে সরকারি বেসরকারি অংশীদারত্বের আওতায় বিনিয়োগ করতে পারে। সম্প্রতি এ বিষয়ে সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের সমঝোতা সই হওয়ায় এ সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে অর্থনৈতিক অঞ্চল সমূহে বিনিয়োগে এগিয়ে আসার জন্য সৌদি ব্যবসায়ীদের অনুরোধ করেন। সৌদি ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে সকল সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এ সময় চেম্বার সভাপতি বাংলাদেশের হালনাগাদ অর্থনৈতিক অগ্রগতি, সম্ভাব্য ব্যবসায়িক খাতসমূহ যেখানে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা রয়েছে এবং সৌদি আরবের সঙ্গে ব্যবসা করার সুযোগ রয়েছে সে সম্পর্কে সাম্প্রতিক তথ্য প্রদানের অনুরোধ জানায়। এ ছাড়া বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের ব্যবসায়িক খাতসহ বিস্তারিত পাঠাতে অনুরোধ করেন, যা চেম্বার সদস্যদের মাঝে বিতরণ করা হবে এবং বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা করতে উদ্বুদ্ধ করবে।
চেম্বার সভাপতি জানান, তাঁরা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং বাংলাদেশের বিনিয়োগ ও ব্যবসার সুযোগের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত হয়ে সফলতার অংশীদার হতে চায়। হাইল চেম্বার বাংলাদেশকে তাঁদের পরবর্তী ব্যবসায়িক গন্তব্য হিসেবে বিবেচনা করছে বলে জানান চেম্বার সভাপতি।
এ সময় রাষ্ট্রদূত ওষুধ শিল্পে বাংলাদেশের অগ্রগতি তুলে ধরে বাংলাদেশ থেকে প্রয়োজনীয় ওষুধ আমদানির জন্য ব্যবসায়ীদের অনুরোধ জানান। এ ছাড়া বাংলাদেশের হস্তশিল্প, সিরামিক, তৈরি পোশাক ও চামড়াজাত পণ্য আমদানির জন্য ও ব্যবসায়ীদের অনুরোধ করেন রাষ্ট্রদূত।
সৌদি আরবের বাণিজ্যিক গোপনীয়তা বিরোধী আইন এর বিষয় তুলে ধরে চেম্বার সভাপতিকে রাষ্ট্রদূত জানান, অনেক বাংলাদেশি অভিবাসী ব্যবসায়ীরা তাঁদের ব্যবসা নিবন্ধন করতে আগ্রহ প্রকাশ করছে কিন্তু দ্বিধার মধ্যে রয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে তাঁদের দূতাবাস থেকে বিভিন্ন সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। এ ছাড়া অভিবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের নিয়ে নিয়মিত পরামর্শ সভা ও করা হচ্ছে। রাষ্ট্রদূত অভিবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা তাঁদের ব্যবসা নিবন্ধনে যেন কোন হয়রানির শিকার না হন সে বিষয়ে চেম্বার সভাপতিকে অনুরোধ করেন। তিনি চেম্বার সভাপতিকে বাণিজ্যিক গোপনীয়তা বিরোধী আইন বিষয়ে কোন পরামর্শমূলক সভা আহ্বান করলে দূতাবাস ও অভিবাসী বাংলাদেশিদের অন্তর্ভুক্ত করার অনুরোধ জানান। রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০ বাস্তবায়ন ও বাংলাদেশের ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়নে একযোগে কাজ করার বিষয়ে সহায়তা কামনা করেন।
এর আগে সকালে রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী হাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি রেক্টর রাশিদ বিন মুসলাত আল শরীফের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় তিনি সৌদি আরবের সবুজায়ন উদ্যোগের আওতায় মরুভূমির উপযোগী বৃক্ষরোপণ, মরুভূমির বিলুপ্ত বৃক্ষসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ফেলোশিপের আওতায় যৌথ গবেষণার প্রস্তাব দেন। এ ছাড়া এ বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের ছাত্রদের বৃত্তি বৃদ্ধির জন্য অনুরোধ করেন। হাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৩২ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। এ বিশ্ববিদ্যালয় মধ্যপ্রাচ্যে তিন নম্বর র্যাঙ্কিং-এ অবস্থান করছে।
এ সভাগুলোতে দূতাবাসের ইকোনমিক কাউন্সেলর মুর্তুজা জুলকার নাঈন নোমান ও কাউন্সেলর মো. বেলাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
সৌদি আরবের হাইল প্রদেশের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী। রাষ্ট্রদূত আজ বৃহস্পতিবার হাইলের চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আবদুল আজিজ খালাফ আল জাকদির সঙ্গে বৈঠককালে এ আহ্বান জানান। রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, সৌদি ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে সরকারি বেসরকারি অংশীদারত্বের আওতায় বিনিয়োগ করতে পারে। সম্প্রতি এ বিষয়ে সৌদি আরবের সঙ্গে বাংলাদেশের সমঝোতা সই হওয়ায় এ সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে অর্থনৈতিক অঞ্চল সমূহে বিনিয়োগে এগিয়ে আসার জন্য সৌদি ব্যবসায়ীদের অনুরোধ করেন। সৌদি ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে সকল সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
এ সময় চেম্বার সভাপতি বাংলাদেশের হালনাগাদ অর্থনৈতিক অগ্রগতি, সম্ভাব্য ব্যবসায়িক খাতসমূহ যেখানে প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা রয়েছে এবং সৌদি আরবের সঙ্গে ব্যবসা করার সুযোগ রয়েছে সে সম্পর্কে সাম্প্রতিক তথ্য প্রদানের অনুরোধ জানায়। এ ছাড়া বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের ব্যবসায়িক খাতসহ বিস্তারিত পাঠাতে অনুরোধ করেন, যা চেম্বার সদস্যদের মাঝে বিতরণ করা হবে এবং বাংলাদেশের সঙ্গে ব্যবসা করতে উদ্বুদ্ধ করবে।
চেম্বার সভাপতি জানান, তাঁরা বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং বাংলাদেশের বিনিয়োগ ও ব্যবসার সুযোগের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত হয়ে সফলতার অংশীদার হতে চায়। হাইল চেম্বার বাংলাদেশকে তাঁদের পরবর্তী ব্যবসায়িক গন্তব্য হিসেবে বিবেচনা করছে বলে জানান চেম্বার সভাপতি।
এ সময় রাষ্ট্রদূত ওষুধ শিল্পে বাংলাদেশের অগ্রগতি তুলে ধরে বাংলাদেশ থেকে প্রয়োজনীয় ওষুধ আমদানির জন্য ব্যবসায়ীদের অনুরোধ জানান। এ ছাড়া বাংলাদেশের হস্তশিল্প, সিরামিক, তৈরি পোশাক ও চামড়াজাত পণ্য আমদানির জন্য ও ব্যবসায়ীদের অনুরোধ করেন রাষ্ট্রদূত।
সৌদি আরবের বাণিজ্যিক গোপনীয়তা বিরোধী আইন এর বিষয় তুলে ধরে চেম্বার সভাপতিকে রাষ্ট্রদূত জানান, অনেক বাংলাদেশি অভিবাসী ব্যবসায়ীরা তাঁদের ব্যবসা নিবন্ধন করতে আগ্রহ প্রকাশ করছে কিন্তু দ্বিধার মধ্যে রয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে তাঁদের দূতাবাস থেকে বিভিন্ন সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। এ ছাড়া অভিবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের নিয়ে নিয়মিত পরামর্শ সভা ও করা হচ্ছে। রাষ্ট্রদূত অভিবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা তাঁদের ব্যবসা নিবন্ধনে যেন কোন হয়রানির শিকার না হন সে বিষয়ে চেম্বার সভাপতিকে অনুরোধ করেন। তিনি চেম্বার সভাপতিকে বাণিজ্যিক গোপনীয়তা বিরোধী আইন বিষয়ে কোন পরামর্শমূলক সভা আহ্বান করলে দূতাবাস ও অভিবাসী বাংলাদেশিদের অন্তর্ভুক্ত করার অনুরোধ জানান। রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০ বাস্তবায়ন ও বাংলাদেশের ভিশন ২০৪১ বাস্তবায়নে একযোগে কাজ করার বিষয়ে সহায়তা কামনা করেন।
এর আগে সকালে রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী হাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি রেক্টর রাশিদ বিন মুসলাত আল শরীফের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় তিনি সৌদি আরবের সবুজায়ন উদ্যোগের আওতায় মরুভূমির উপযোগী বৃক্ষরোপণ, মরুভূমির বিলুপ্ত বৃক্ষসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ফেলোশিপের আওতায় যৌথ গবেষণার প্রস্তাব দেন। এ ছাড়া এ বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশের ছাত্রদের বৃত্তি বৃদ্ধির জন্য অনুরোধ করেন। হাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় ৩২ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। এ বিশ্ববিদ্যালয় মধ্যপ্রাচ্যে তিন নম্বর র্যাঙ্কিং-এ অবস্থান করছে।
এ সভাগুলোতে দূতাবাসের ইকোনমিক কাউন্সেলর মুর্তুজা জুলকার নাঈন নোমান ও কাউন্সেলর মো. বেলাল হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৮ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে