নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
নতুন টেলিযোগাযোগ আইনে আড়ি পাতার ক্ষেত্রে ‘আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড’ নিয়ে আসার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। গতকাল সোমবার (২৮ জুলাই) এ বিষয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ থেকে বিটিআরসিকে (বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন) একটি চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে আড়ি পাতা ছাড়াও টেলিযোগাযোগ আইনে বিভিন্ন বিষয় যুক্ত করতে ফয়েজ আহমদের নির্দেশনা তুলে ধরা হয়।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘আড়ি পাতা প্রশ্নে আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড নিয়ে আসা। এনটিএমসি (ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন্স মনিটরিং সেন্টার) প্রশ্নে বৈধতার প্রশ্ন তৈরি করা। আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড মতে শুধু একটি এজেন্সিকে গেটওয়ে করে বাকি এলইএ (আইন প্রয়োগকারী সংস্থা) এজেন্সিদের আড়ি পাতায় কোয়াসি বা প্যাসিভ জুডিশিয়াল অ্যাকনলেজমেন্টে রেখে আড়ি পাতার কাঠামোগত এবং আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড তৈরি করা।’
ইন্টারনেট বন্ধের বিষয়ে নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ‘ইন্টারনেট যাতে সরকারি বা বেসরকারি কেউ বন্ধ না করতে পারে, সে জন্য মূল ২০০১ আইন সংশোধন ও পরিমার্জিত অর্জন করা।’
নির্দেশনায় বিটিআরসির স্বাধীনতা ও জবাবদিহির মধ্যে সমন্বয় সাধন করতে বলা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতি যথাসম্ভব কমিয়ে আনা, বিটিআরসির নিয়োগপ্রক্রিয়া স্বচ্ছ করা, লাইসেন্স প্রদান, লাইসেন্স নবায়ন, লাইসেন্সের নাম পরিবর্তন, লাইসেন্স শেয়ার হস্তান্তর ইত্যাদিতে সুস্পষ্ট নীতিমালা, বকেয়া আদায়, রাজস্ব লিকেজ ইত্যাদিতে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের অধীন ৬টি টেলিযোগাযোগ কোম্পানি, বিভিন্ন টেলিযোগাযোগ সেবাসংক্রান্ত লাইসেন্স এবং এ-সংক্রান্ত কোম্পানিগুলোর স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে সংশ্লিষ্ট করা এবং শুধু সেসব বিষয়ে পূর্বানুমতির বিধান রেখে বাদবাকি জায়গায় বিটিআরসির পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইন, সাইবার সুরক্ষা আইন, ডেটা গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ইন্টারঅপারেবিলিটি আইন, ন্যাশনাল এআই পলিসি, টেলিযোগাযোগ লাইসেন্স, মেইলিং ই-কমার্স এবং কুরিয়ার সার্ভিস পলিসিগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধন করার বিষয়েও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এসব নির্দেশনা অনুসরণ করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১ সংশোধন ও পরিমার্জন করে এ-সংক্রান্ত খসড়া ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে পাঠানোর জন্য বিটিআরসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, বিটিআরসি টেলিযোগাযোগ আইন সংস্কারের কাজ করছে। এই আইনের খসড়া নিয়ে এরই মধ্যেই বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
নতুন টেলিযোগাযোগ আইনে আড়ি পাতার ক্ষেত্রে ‘আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড’ নিয়ে আসার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। গতকাল সোমবার (২৮ জুলাই) এ বিষয়ে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ থেকে বিটিআরসিকে (বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন) একটি চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিতে আড়ি পাতা ছাড়াও টেলিযোগাযোগ আইনে বিভিন্ন বিষয় যুক্ত করতে ফয়েজ আহমদের নির্দেশনা তুলে ধরা হয়।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘আড়ি পাতা প্রশ্নে আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড নিয়ে আসা। এনটিএমসি (ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন্স মনিটরিং সেন্টার) প্রশ্নে বৈধতার প্রশ্ন তৈরি করা। আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড মতে শুধু একটি এজেন্সিকে গেটওয়ে করে বাকি এলইএ (আইন প্রয়োগকারী সংস্থা) এজেন্সিদের আড়ি পাতায় কোয়াসি বা প্যাসিভ জুডিশিয়াল অ্যাকনলেজমেন্টে রেখে আড়ি পাতার কাঠামোগত এবং আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড তৈরি করা।’
ইন্টারনেট বন্ধের বিষয়ে নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ‘ইন্টারনেট যাতে সরকারি বা বেসরকারি কেউ বন্ধ না করতে পারে, সে জন্য মূল ২০০১ আইন সংশোধন ও পরিমার্জিত অর্জন করা।’
নির্দেশনায় বিটিআরসির স্বাধীনতা ও জবাবদিহির মধ্যে সমন্বয় সাধন করতে বলা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমতি যথাসম্ভব কমিয়ে আনা, বিটিআরসির নিয়োগপ্রক্রিয়া স্বচ্ছ করা, লাইসেন্স প্রদান, লাইসেন্স নবায়ন, লাইসেন্সের নাম পরিবর্তন, লাইসেন্স শেয়ার হস্তান্তর ইত্যাদিতে সুস্পষ্ট নীতিমালা, বকেয়া আদায়, রাজস্ব লিকেজ ইত্যাদিতে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের অধীন ৬টি টেলিযোগাযোগ কোম্পানি, বিভিন্ন টেলিযোগাযোগ সেবাসংক্রান্ত লাইসেন্স এবং এ-সংক্রান্ত কোম্পানিগুলোর স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে সংশ্লিষ্ট করা এবং শুধু সেসব বিষয়ে পূর্বানুমতির বিধান রেখে বাদবাকি জায়গায় বিটিআরসির পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষা আইন, সাইবার সুরক্ষা আইন, ডেটা গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ইন্টারঅপারেবিলিটি আইন, ন্যাশনাল এআই পলিসি, টেলিযোগাযোগ লাইসেন্স, মেইলিং ই-কমার্স এবং কুরিয়ার সার্ভিস পলিসিগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধন করার বিষয়েও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এসব নির্দেশনা অনুসরণ করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১ সংশোধন ও পরিমার্জন করে এ-সংক্রান্ত খসড়া ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগে পাঠানোর জন্য বিটিআরসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, বিটিআরসি টেলিযোগাযোগ আইন সংস্কারের কাজ করছে। এই আইনের খসড়া নিয়ে এরই মধ্যেই বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৭ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৭ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৭ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৭ দিন আগে