অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, বিগত সরকারের শেষ ১০ বছরে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে চীনের যোগাযোগে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছিল।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ডিপ্লোমেটিক করেসপন্ডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিকাব) আয়োজিত ‘ডিকাব টক’ অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।
সম্প্রতি বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধিদলের চীন সফর প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, খোলাখুলিভাবে বললে, গত ১০ বছরে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে যোগাযোগে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছিল। কিন্তু এখন সময় এসেছে, তাই তারা পুনরায় যোগাযোগ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। তারা এ ধরনের সফর–বিনিময় ও যোগাযোগ পুনঃস্থাপন করতে চায়।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হতে কীভাবে বাধা দেওয়া হতো—এমন প্রশ্নের জবাবে ইয়াও ওয়েন সরাসরি কিছু বলতে রাজি হননি। তবে চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন, গত কয়েক বছরের পরিস্থিতি কেমন ছিল, সেটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিকেরা অনুধাবন করতে পারেন। তিনি কী পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন, তা উপস্থিত সাংবাদিকেরা বোঝেন।
ডিকাব সভাপতি এ কে এম মঈনউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আরিফুজ্জামান মামুন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বিভিন্ন বাংলাদেশি প্রতিনিধিদল চীন সফর করেছে। চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) আমন্ত্রণে এই সফরগুলো অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এর মধ্যে গত ২২ জুন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে দলটির উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল চীনে পাঁচ দিনের সফরে যায়। স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, বেগম সেলিমা রহমান, জহির উদ্দিন স্বপন, ইসমাইল জাবিউল্লাহ, অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া, মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেলসহ ৯ সদস্যের প্রতিনিধিদল।
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে দলটির একটি প্রতিনিধিদল ১১ থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত চীন সফর করে। এই প্রতিনিধিদলের সদস্য ছিলেন ৯ জন। এটিকে একটি স্বতন্ত্র সফর হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল চীনে ১১ দিনের সফরে যায়। এই সফরে বিএনপি, জাতীয় নাগরিক কমিটি, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও অন্য আটটি রাজনৈতিক দলের ২২ জন নেতা, শিক্ষাবিদ ও সাংবাদিক ছিলেন।
বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, বিগত সরকারের শেষ ১০ বছরে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে চীনের যোগাযোগে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছিল।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ডিপ্লোমেটিক করেসপন্ডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিকাব) আয়োজিত ‘ডিকাব টক’ অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন।
সম্প্রতি বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধিদলের চীন সফর প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, খোলাখুলিভাবে বললে, গত ১০ বছরে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে যোগাযোগে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছিল। কিন্তু এখন সময় এসেছে, তাই তারা পুনরায় যোগাযোগ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। তারা এ ধরনের সফর–বিনিময় ও যোগাযোগ পুনঃস্থাপন করতে চায়।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত হতে কীভাবে বাধা দেওয়া হতো—এমন প্রশ্নের জবাবে ইয়াও ওয়েন সরাসরি কিছু বলতে রাজি হননি। তবে চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন, গত কয়েক বছরের পরিস্থিতি কেমন ছিল, সেটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত সাংবাদিকেরা অনুধাবন করতে পারেন। তিনি কী পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন, তা উপস্থিত সাংবাদিকেরা বোঝেন।
ডিকাব সভাপতি এ কে এম মঈনউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা দেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আরিফুজ্জামান মামুন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বিভিন্ন বাংলাদেশি প্রতিনিধিদল চীন সফর করেছে। চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) আমন্ত্রণে এই সফরগুলো অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এর মধ্যে গত ২২ জুন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে দলটির উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল চীনে পাঁচ দিনের সফরে যায়। স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, বেগম সেলিমা রহমান, জহির উদ্দিন স্বপন, ইসমাইল জাবিউল্লাহ, অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া, মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেলসহ ৯ সদস্যের প্রতিনিধিদল।
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে দলটির একটি প্রতিনিধিদল ১১ থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত চীন সফর করে। এই প্রতিনিধিদলের সদস্য ছিলেন ৯ জন। এটিকে একটি স্বতন্ত্র সফর হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল চীনে ১১ দিনের সফরে যায়। এই সফরে বিএনপি, জাতীয় নাগরিক কমিটি, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও অন্য আটটি রাজনৈতিক দলের ২২ জন নেতা, শিক্ষাবিদ ও সাংবাদিক ছিলেন।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৭ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে