অনলাইন ডেস্ক
দেশে বর্তমানে ৩৫ লাখ ৭৬ হাজার ৭৫০ জন বিভিন্ন শ্রেণির প্রতিবন্ধী ব্যক্তি রয়েছেন। এর মধ্যে ৩২ লাখ ৩৪ হাজার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে সরকারি ভাতা দেওয়া হচ্ছে। আর ১ লাখ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে শিক্ষা উপবৃত্তির আওতায় আনা হয়েছে।
আজ শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন প্রাঙ্গণে বাংলা ইশারা ভাষা দিবস-২০২৫ উদ্যাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ। তিনি বলেন, প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর দরিদ্রতা নিরসন ও জীবনমান উন্নয়নে নতুনভাবে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ এখন সময়ের দাবি। শ্রবণ ও বাক্প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উপযোগী চিকিৎসা, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রদান করে লক্ষ্যভিত্তিক পরিকল্পিত কার্যক্রম গ্রহণ জরুরি। এখন পর্যন্ত দেশে ৩৫ লক্ষাধিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে। তার মধ্যে বাক্প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সংখ্যা ১ লাখ ৮১ হাজার ৮৪৮ এবং শ্রবণ প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সংখ্যা ১ লাখ ১২ হাজার ৬২৬।
বাচ্চাদের একটি সুন্দর ভবিষ্যতের লক্ষ্যে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের বিদ্যমান শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও সম্প্রসারণ করার উদ্যোগ নিয়েছে। শ্রবণ প্রতিবন্ধী ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের জন্য সারা দেশের সাতটি সরকারি বাক্ ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় পরিচালিত হচ্ছে।
অনুষ্ঠানের এবারের প্রতিপাদ্য ‘এক ভুবন এক ভাষা, চাই সর্বজনীন ইশারা ভাষা’। অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মহিউদ্দিন সভাপতিত্ব করেন। স্বাগত বক্তব্য দেন জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিজয় কৃষ্ণ দেবনাথ।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সামাজিকভাবে অবহেলিত প্রতিবন্ধী মেয়েদের পুনর্বাসন ও স্বনির্ভরতা অর্জনের জন্য বর্তমানে সরকারিভাবে দেশের ছয় বিভাগে ছয়টি সামাজিক প্রতিবন্ধী মেয়েদের প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্র চালু রয়েছে। এসব কেন্দ্রের মাধ্যমে সামাজিকভাবে নিগৃহীত বাক্ ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী মেয়েদেরও সামাজিক সুরক্ষা বেষ্টনীর আওতায় আনা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এ দেশের বাক্ ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীসহ সব ধরনের প্রতিবন্ধী জনগণের জন্য চিকিৎসাসেবা, শিক্ষা কার্যক্রম, কর্মসংস্থান সহায়ক উপকরণ বিতরণ, প্রশিক্ষণ, আবাসন সুবিধা, উন্নয়ন মেলা ইত্যাদি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এতে এ দেশের প্রতিবন্ধী জনগণ নিজেদের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে নিজেদের উৎপাদনশীল কাজে সম্পৃক্ত করে আত্মনির্ভরশীলতার মাধ্যমে জীবনমান উন্নয়ন করছেন।
মো. মহিউদ্দিন বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের নেতৃত্বদানকারী তরুণ ছাত্র-জনতার স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় দেশের দুস্থ, অবহেলিত, পশ্চাৎপদ, দারিদ্র্য, এতিম প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, গণ-অভ্যুত্থানে আহত ছাত্র-জনতাসহ অনগ্রসর মানুষের কল্যাণ ও উন্নয়নের লক্ষ্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় বহুমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে চলেছে। প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর সম্মান ও উন্নয়নের প্রতীক হিসেবে ‘সুবর্ণ নাগরিক’ আখ্যা দিয়ে সরকার কর্তৃক জরিপের মাধ্যমে এ দেশের প্রত্যেকটি প্রতিবন্ধী মানুষকে প্রতিবন্ধী শনাক্তকরণ কার্ড দেওয়া হচ্ছে। প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূল স্রোতোধারায় সম্পৃক্তকরণের লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ও বিশেষ শিক্ষাকেন্দ্রের শিক্ষক এবং বাক্ ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
দেশে বর্তমানে ৩৫ লাখ ৭৬ হাজার ৭৫০ জন বিভিন্ন শ্রেণির প্রতিবন্ধী ব্যক্তি রয়েছেন। এর মধ্যে ৩২ লাখ ৩৪ হাজার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে সরকারি ভাতা দেওয়া হচ্ছে। আর ১ লাখ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে শিক্ষা উপবৃত্তির আওতায় আনা হয়েছে।
আজ শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন প্রাঙ্গণে বাংলা ইশারা ভাষা দিবস-২০২৫ উদ্যাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ। তিনি বলেন, প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর দরিদ্রতা নিরসন ও জীবনমান উন্নয়নে নতুনভাবে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ এখন সময়ের দাবি। শ্রবণ ও বাক্প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উপযোগী চিকিৎসা, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রদান করে লক্ষ্যভিত্তিক পরিকল্পিত কার্যক্রম গ্রহণ জরুরি। এখন পর্যন্ত দেশে ৩৫ লক্ষাধিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে শনাক্ত করা হয়েছে। তার মধ্যে বাক্প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সংখ্যা ১ লাখ ৮১ হাজার ৮৪৮ এবং শ্রবণ প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সংখ্যা ১ লাখ ১২ হাজার ৬২৬।
বাচ্চাদের একটি সুন্দর ভবিষ্যতের লক্ষ্যে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের বিদ্যমান শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও সম্প্রসারণ করার উদ্যোগ নিয়েছে। শ্রবণ প্রতিবন্ধী ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের জন্য সারা দেশের সাতটি সরকারি বাক্ ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় পরিচালিত হচ্ছে।
অনুষ্ঠানের এবারের প্রতিপাদ্য ‘এক ভুবন এক ভাষা, চাই সর্বজনীন ইশারা ভাষা’। অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মহিউদ্দিন সভাপতিত্ব করেন। স্বাগত বক্তব্য দেন জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিজয় কৃষ্ণ দেবনাথ।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সামাজিকভাবে অবহেলিত প্রতিবন্ধী মেয়েদের পুনর্বাসন ও স্বনির্ভরতা অর্জনের জন্য বর্তমানে সরকারিভাবে দেশের ছয় বিভাগে ছয়টি সামাজিক প্রতিবন্ধী মেয়েদের প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্র চালু রয়েছে। এসব কেন্দ্রের মাধ্যমে সামাজিকভাবে নিগৃহীত বাক্ ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী মেয়েদেরও সামাজিক সুরক্ষা বেষ্টনীর আওতায় আনা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এ দেশের বাক্ ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীসহ সব ধরনের প্রতিবন্ধী জনগণের জন্য চিকিৎসাসেবা, শিক্ষা কার্যক্রম, কর্মসংস্থান সহায়ক উপকরণ বিতরণ, প্রশিক্ষণ, আবাসন সুবিধা, উন্নয়ন মেলা ইত্যাদি কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এতে এ দেশের প্রতিবন্ধী জনগণ নিজেদের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে নিজেদের উৎপাদনশীল কাজে সম্পৃক্ত করে আত্মনির্ভরশীলতার মাধ্যমে জীবনমান উন্নয়ন করছেন।
মো. মহিউদ্দিন বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের নেতৃত্বদানকারী তরুণ ছাত্র-জনতার স্বপ্নের নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় দেশের দুস্থ, অবহেলিত, পশ্চাৎপদ, দারিদ্র্য, এতিম প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, গণ-অভ্যুত্থানে আহত ছাত্র-জনতাসহ অনগ্রসর মানুষের কল্যাণ ও উন্নয়নের লক্ষ্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় বহুমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে চলেছে। প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর সম্মান ও উন্নয়নের প্রতীক হিসেবে ‘সুবর্ণ নাগরিক’ আখ্যা দিয়ে সরকার কর্তৃক জরিপের মাধ্যমে এ দেশের প্রত্যেকটি প্রতিবন্ধী মানুষকে প্রতিবন্ধী শনাক্তকরণ কার্ড দেওয়া হচ্ছে। প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূল স্রোতোধারায় সম্পৃক্তকরণের লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের ও বিশেষ শিক্ষাকেন্দ্রের শিক্ষক এবং বাক্ ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৮ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে