নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে চীনের সিনোফার্মের আরও ৬ কোটি ডোজ টিকা কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। চীনের টিকাসহ বৈঠকে ৭৪৪ কোটি ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৯টি প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী অ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে গতকাল বুধবার অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ২২তম এবং সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ২৭তম বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকের পর অর্থমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. সামসুল আরেফিন ভার্চুয়ালি ব্রিফিং করেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চীনের সিনোফার্ম থেকে ৬ কোটি ডোজ টিকা কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছি। হিসাব করে দেখেছি, দেশের ১৩ কোটি ৮২ লাখ জনগোষ্ঠীকে টিকার আওতায় আনতে হবে। এ জন্য ২৭ কোটি ৬৫ লাখ টিকা কেনা প্রয়োজন। এর মধ্যে ২ কোটি ৫৫ লাখ আমাদের হাতে আছে। বাকিটা সংগ্রহ করতে হবে। আজ আমরা ৬ কোটি ডোজ কেনার জন্য অনুমোদন দিলাম। বাকি টিকা আমরা পর্যায়ক্রমে আনব।’
চীনের টিকার দাম কত পড়বে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘দাম বলব না। তবে আগের নির্ধারিত যে দাম আছে তার চেয়ে বাড়েনি। সব মিলিয়ে যে ২৭ কোটি ডোজ টিকা লাগবে তার জন্য সরকারের কত টাকা খরচ হতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এ হিসাব আমাদের কাছে নেই। কারণ বাকিগুলো নিয়ে এখনো আলোচনা চলছে। দাম এখনো চূড়ান্ত হয়নি। সে জন্য আমরা বলতে পারছি না।’
এর আগে সরকার চীনের কাছ থেকে সিনোফার্মের দেড় কোটি ডোজ টিকা কিনেছে। তার মধ্যে ৭০ লাখ ডোজ টিকা ইতিমধ্যে দেশে এসেছে। এ ছাড়া কোভ্যাক্স ফ্যাসিলিটির আওতায় দেশে আরও ১৭ লাখ ডোজ সিনোফার্মের টিকা এসেছে। আর চীন থেকে উপহার হিসেবে বাংলাদেশ পেয়েছে আরও ১১ লাখ ডোজ টিকা।
অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত কমিটির অনুমোদনের জন্য দুটি এবং ক্রয় কমিটির অনুমোদনের জন্য ১০টি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এর মধ্যে ৯টি প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়, ১টি প্রস্তাব ফেরত দেওয়া হয়েছে।
সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে চীনের সিনোফার্মের আরও ৬ কোটি ডোজ টিকা কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। চীনের টিকাসহ বৈঠকে ৭৪৪ কোটি ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৯টি প্রস্তাব অনুমোদিত হয়েছে।
অর্থমন্ত্রী অ হ ম মুস্তফা কামালের সভাপতিত্বে গতকাল বুধবার অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ২২তম এবং সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ২৭তম বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকের পর অর্থমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. সামসুল আরেফিন ভার্চুয়ালি ব্রিফিং করেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চীনের সিনোফার্ম থেকে ৬ কোটি ডোজ টিকা কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছি। হিসাব করে দেখেছি, দেশের ১৩ কোটি ৮২ লাখ জনগোষ্ঠীকে টিকার আওতায় আনতে হবে। এ জন্য ২৭ কোটি ৬৫ লাখ টিকা কেনা প্রয়োজন। এর মধ্যে ২ কোটি ৫৫ লাখ আমাদের হাতে আছে। বাকিটা সংগ্রহ করতে হবে। আজ আমরা ৬ কোটি ডোজ কেনার জন্য অনুমোদন দিলাম। বাকি টিকা আমরা পর্যায়ক্রমে আনব।’
চীনের টিকার দাম কত পড়বে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘দাম বলব না। তবে আগের নির্ধারিত যে দাম আছে তার চেয়ে বাড়েনি। সব মিলিয়ে যে ২৭ কোটি ডোজ টিকা লাগবে তার জন্য সরকারের কত টাকা খরচ হতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এ হিসাব আমাদের কাছে নেই। কারণ বাকিগুলো নিয়ে এখনো আলোচনা চলছে। দাম এখনো চূড়ান্ত হয়নি। সে জন্য আমরা বলতে পারছি না।’
এর আগে সরকার চীনের কাছ থেকে সিনোফার্মের দেড় কোটি ডোজ টিকা কিনেছে। তার মধ্যে ৭০ লাখ ডোজ টিকা ইতিমধ্যে দেশে এসেছে। এ ছাড়া কোভ্যাক্স ফ্যাসিলিটির আওতায় দেশে আরও ১৭ লাখ ডোজ সিনোফার্মের টিকা এসেছে। আর চীন থেকে উপহার হিসেবে বাংলাদেশ পেয়েছে আরও ১১ লাখ ডোজ টিকা।
অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত কমিটির অনুমোদনের জন্য দুটি এবং ক্রয় কমিটির অনুমোদনের জন্য ১০টি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এর মধ্যে ৯টি প্রস্তাবে অনুমোদন দেওয়া হয়, ১টি প্রস্তাব ফেরত দেওয়া হয়েছে।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৯ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৯ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৯ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৯ দিন আগে