নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
বীর মুক্তিযোদ্ধা খচিত স্মার্টকার্ড বিতরণ কার্যক্রম হাতে নেওয়ায় নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের মধ্যে মতানৈক্য ও ভুল বোঝাবুঝি হয়। সেই ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটিয়ে দীর্ঘ দুই বছরের বেশি সময় পর, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে আবার স্মার্টকার্ড বিতরণ শুরু করল কাজী হাবিবুল আউয়াল কমিশন।
আজ বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ১০৪ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ লেখা সংবলিত স্মার্টকার্ড দেওয়া হয়। এ দিন ১১ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে মঞ্চে ডেকে এবং বাকিদের হাতে হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়।
২০২২ সালে বিদায়ী কেএম নূরুল হুদা কমিশনের এ উদ্যোগ আটকে ছিল মন্ত্রণালয় ও কমিশনের রেষারেষিতে। যা দুজন নির্বাচন কমিশনারের বক্তব্যেও উঠে আসে।
মুক্তিযুদ্ধের তাৎপর্য অসীম উল্লেখ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘সংগ্রামের মাধ্যমেই একটি দেশ স্বাধীনতা অর্জন করে। আমাদের মুক্তিযুদ্ধে যে পরিমাণ ত্যাগ বাঙালি জাতিকে করতে হয়েছে, তা বিশ্বের ইতিহাসে স্মরণীয়। মুক্তিযুদ্ধ বেঁচে থাকে গল্পে, কাব্যে, নাটকের মাধ্যমে। মুক্তিযুদ্ধের ঝান্ডা প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম সঞ্চারিত করতে হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘যে চেতনার মূল্যবোধে ত্রিশ লক্ষ বাঙালি শহীদ হয়েছে, নির্বাচনের মাধ্যমে, আর্থিক উন্নয়নে বিশ্বের দরবারে যাতে দাঁড়াতে পারি।’
মুক্তিযোদ্ধাদের এই কার্ড না হারানোর পরামর্শ দিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘এই কার্ড হারাবেন না। এটা বীরত্বের একটি স্মারক। হয়তো আপনি থাকবেন না, আপনার কার্ডটা থেকে যাবে।’
মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের মতানৈক্য হওয়ায় এই কার্যক্রম বিলম্বিত হওয়ার কথা স্বীকার করে নির্বাচন কমিশনার মো. আনিছুর রহমান বলেন, ‘আমি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। আমার দুঃখ আমার বয়স তখন ১০। আমি যেতে পারিনি। এই দুঃখ থাকবে আজীবন।’
মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কমিশনের দূরত্বের কথা জানিয়ে নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেন, ‘এই বিষয় গত কমিশন থেকে শুরু হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। তারা আপত্তি দিয়ে এটা বন্ধ করে দিয়েছিলেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আনিছ সাহেবের মতন আমার বয়সও তখন ১০। মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে পারিনি, এই দুঃখ আজীবন থাকবে।’
অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সচিব শফিক আলম মেহেদী বলেন, ‘জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ খচিত স্মার্ট কার্ড দেওয়া নির্বাচন কমিশনের অনন্য উদ্যোগ।’
মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রিয়াজুল হক বলেন, ‘বর্তমান সরকার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য অনেক কাজ করেছেন। এই সরকারের অধীনেই নির্বাচন কমিশন মুক্তিযোদ্ধাদের এই কার্ড দিয়েছে। তারা শুধু সম্মানটুকু পেতে চায়। এইটাই তাদের (মুক্তিযোদ্ধাদের) দাবি, বেশি না।’
সাবেক নির্বাচন কমিশনার ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জাবেদ আলী বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মানিত করার মাধ্যমে কমিশনও সম্মানিত হয়েছে।’
ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলমের সভাপতিত্বে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. আহসান হাবিব খান, মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের সচিব ইশরাত চৌধুরী, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক মাহবুবুর রহমান, ইসির অতিরিক্ত সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বীর মুক্তিযোদ্ধা খচিত স্মার্টকার্ড বিতরণ কার্যক্রম হাতে নেওয়ায় নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের মধ্যে মতানৈক্য ও ভুল বোঝাবুঝি হয়। সেই ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটিয়ে দীর্ঘ দুই বছরের বেশি সময় পর, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে আবার স্মার্টকার্ড বিতরণ শুরু করল কাজী হাবিবুল আউয়াল কমিশন।
আজ বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ১০৪ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ লেখা সংবলিত স্মার্টকার্ড দেওয়া হয়। এ দিন ১১ জন বীর মুক্তিযোদ্ধাকে মঞ্চে ডেকে এবং বাকিদের হাতে হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়।
২০২২ সালে বিদায়ী কেএম নূরুল হুদা কমিশনের এ উদ্যোগ আটকে ছিল মন্ত্রণালয় ও কমিশনের রেষারেষিতে। যা দুজন নির্বাচন কমিশনারের বক্তব্যেও উঠে আসে।
মুক্তিযুদ্ধের তাৎপর্য অসীম উল্লেখ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘সংগ্রামের মাধ্যমেই একটি দেশ স্বাধীনতা অর্জন করে। আমাদের মুক্তিযুদ্ধে যে পরিমাণ ত্যাগ বাঙালি জাতিকে করতে হয়েছে, তা বিশ্বের ইতিহাসে স্মরণীয়। মুক্তিযুদ্ধ বেঁচে থাকে গল্পে, কাব্যে, নাটকের মাধ্যমে। মুক্তিযুদ্ধের ঝান্ডা প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম সঞ্চারিত করতে হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘যে চেতনার মূল্যবোধে ত্রিশ লক্ষ বাঙালি শহীদ হয়েছে, নির্বাচনের মাধ্যমে, আর্থিক উন্নয়নে বিশ্বের দরবারে যাতে দাঁড়াতে পারি।’
মুক্তিযোদ্ধাদের এই কার্ড না হারানোর পরামর্শ দিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘এই কার্ড হারাবেন না। এটা বীরত্বের একটি স্মারক। হয়তো আপনি থাকবেন না, আপনার কার্ডটা থেকে যাবে।’
মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের মতানৈক্য হওয়ায় এই কার্যক্রম বিলম্বিত হওয়ার কথা স্বীকার করে নির্বাচন কমিশনার মো. আনিছুর রহমান বলেন, ‘আমি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সন্তান। আমার দুঃখ আমার বয়স তখন ১০। আমি যেতে পারিনি। এই দুঃখ থাকবে আজীবন।’
মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কমিশনের দূরত্বের কথা জানিয়ে নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেন, ‘এই বিষয় গত কমিশন থেকে শুরু হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। তারা আপত্তি দিয়ে এটা বন্ধ করে দিয়েছিলেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আনিছ সাহেবের মতন আমার বয়সও তখন ১০। মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে পারিনি, এই দুঃখ আজীবন থাকবে।’
অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সচিব শফিক আলম মেহেদী বলেন, ‘জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ খচিত স্মার্ট কার্ড দেওয়া নির্বাচন কমিশনের অনন্য উদ্যোগ।’
মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী রিয়াজুল হক বলেন, ‘বর্তমান সরকার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য অনেক কাজ করেছেন। এই সরকারের অধীনেই নির্বাচন কমিশন মুক্তিযোদ্ধাদের এই কার্ড দিয়েছে। তারা শুধু সম্মানটুকু পেতে চায়। এইটাই তাদের (মুক্তিযোদ্ধাদের) দাবি, বেশি না।’
সাবেক নির্বাচন কমিশনার ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জাবেদ আলী বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মানিত করার মাধ্যমে কমিশনও সম্মানিত হয়েছে।’
ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলমের সভাপতিত্বে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) মো. আহসান হাবিব খান, মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের সচিব ইশরাত চৌধুরী, জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের মহাপরিচালক মাহবুবুর রহমান, ইসির অতিরিক্ত সচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
২০ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
২০ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
২০ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
২০ দিন আগে