বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বের বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থা পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়েছেন। বলেছেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় স্বাক্ষরিত প্যারিস চুক্তি ততক্ষণ পর্যন্ত কার্যকর হবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থা পরিবর্তন না হবে।’
মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার নিউইয়র্ক টাইমস ক্লাইমেট ফরোয়ার্ড সামিটে ড. মুহাম্মদ ইউনূস এই আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা মূলত সর্বাধিক মুনাফার দিকে নজর দেয়, একটি ক্ষুদ্র গোষ্ঠীর জন্য সম্পদ তৈরি করা এবং ব্যাপক বর্জ্য নিষ্কাশনের মতো মূলনীতির ওপর দাঁড়িয়ে আছে।
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, ‘আমরা যে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা তৈরি করেছি, তা-ই এই গ্রহ ধ্বংসের চাবিকাঠি।’’ তিনি বলেন, ‘মানুষ একটি আত্ম-ধ্বংসাত্মক সভ্যতা বা সেলফ ডেস্ট্রাকটিভ সভ্যতা তৈরি করেছে।’ শান্তিতে নোবেলজয়ী ক্ষুদ্রঋণের এই অগ্রদূত বলেন, ‘চুক্তিতে যা–ই পরিবর্তন আনা হোক না কেন, বিশ্বের অন্তর্নিহিত সিস্টেমগুলো বা ব্যবস্থাগুলোকে নতুন করে ডিজাইন না করা পর্যন্ত এটি কোনো পার্থক্য তৈরি করবে না।’
ড. ইউনূস বলেন, ধনী দেশগুলোর কারণে জলবায়ুর যে ক্ষতি, তার বোঝা বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর বহন করা উচিত নয়। এ সময় তিনি ধনী দেশগুলোর উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা আমাদের ওপর যেসব ধ্বংসের ভার চাপিয়েছেন, তার ভার আমরা কেন বহন করব? আপনারা এই ধ্বংসের কারণ, আমরা ভুক্তভোগী।’ তিনি বলেন, প্রত্যেক ব্যক্তির উচিত আরও কম বর্জ্য উৎপাদন এবং জীবাশ্ম জ্বালানি কম ব্যবহার করা।
এদিকে, জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। তার পর থেকেই বাংলাদেশ বড় ধরনের অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ড. ইউনূস জানান, বাংলাদেশে কবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, সে বিষয়ে তাঁর কাছে আপাতত কোনো সময়সীমা নেই। তবে যে কয়টা কমিশন গঠন করা হয়েছে, তারা সামনের মাসগুলোতে তাদের সংস্কার সুপারিশ প্রদান করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তারপরে নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হবে।
অপর দিকে, ভারতে অবস্থান করা শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ করা উচিত কি না—এমন এক প্রশ্নের জবাবে ড. ইউনূস বলেন, ‘কেন তাঁকে প্রত্যর্পণ করা হবেন না? যদি তিনি অপরাধ করে থাকেন, তবে অবশ্যই তাঁকে প্রত্যর্পণ করে বিচারের আওতায় আনা উচিত।’
নিউইয়র্ক টাইমস ক্লাইমেট ফরোয়ার্ড সামিটে ড. ইউনূসের কাছে জানতে চাওয়া হয়, তিনি আগামী দিনে নির্বাচনে লড়বেন কি না? জবাবে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা জানান, তাঁর নির্বাচনে লড়ার কোনো পরিকল্পনা নেই। তিনি বলেন, ‘আমাকে দেখে কি এমন কারও মতো মনে হয়, যার নির্বাচনে লড়াই করা উচিত।’
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বের বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থা পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়েছেন। বলেছেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় স্বাক্ষরিত প্যারিস চুক্তি ততক্ষণ পর্যন্ত কার্যকর হবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থা পরিবর্তন না হবে।’
মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার নিউইয়র্ক টাইমস ক্লাইমেট ফরোয়ার্ড সামিটে ড. মুহাম্মদ ইউনূস এই আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা মূলত সর্বাধিক মুনাফার দিকে নজর দেয়, একটি ক্ষুদ্র গোষ্ঠীর জন্য সম্পদ তৈরি করা এবং ব্যাপক বর্জ্য নিষ্কাশনের মতো মূলনীতির ওপর দাঁড়িয়ে আছে।
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস বলেন, ‘আমরা যে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা তৈরি করেছি, তা-ই এই গ্রহ ধ্বংসের চাবিকাঠি।’’ তিনি বলেন, ‘মানুষ একটি আত্ম-ধ্বংসাত্মক সভ্যতা বা সেলফ ডেস্ট্রাকটিভ সভ্যতা তৈরি করেছে।’ শান্তিতে নোবেলজয়ী ক্ষুদ্রঋণের এই অগ্রদূত বলেন, ‘চুক্তিতে যা–ই পরিবর্তন আনা হোক না কেন, বিশ্বের অন্তর্নিহিত সিস্টেমগুলো বা ব্যবস্থাগুলোকে নতুন করে ডিজাইন না করা পর্যন্ত এটি কোনো পার্থক্য তৈরি করবে না।’
ড. ইউনূস বলেন, ধনী দেশগুলোর কারণে জলবায়ুর যে ক্ষতি, তার বোঝা বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশগুলোর বহন করা উচিত নয়। এ সময় তিনি ধনী দেশগুলোর উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা আমাদের ওপর যেসব ধ্বংসের ভার চাপিয়েছেন, তার ভার আমরা কেন বহন করব? আপনারা এই ধ্বংসের কারণ, আমরা ভুক্তভোগী।’ তিনি বলেন, প্রত্যেক ব্যক্তির উচিত আরও কম বর্জ্য উৎপাদন এবং জীবাশ্ম জ্বালানি কম ব্যবহার করা।
এদিকে, জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দেশ ছাড়েন শেখ হাসিনা। তার পর থেকেই বাংলাদেশ বড় ধরনের অস্থিরতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ড. ইউনূস জানান, বাংলাদেশে কবে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, সে বিষয়ে তাঁর কাছে আপাতত কোনো সময়সীমা নেই। তবে যে কয়টা কমিশন গঠন করা হয়েছে, তারা সামনের মাসগুলোতে তাদের সংস্কার সুপারিশ প্রদান করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তারপরে নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হবে।
অপর দিকে, ভারতে অবস্থান করা শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ করা উচিত কি না—এমন এক প্রশ্নের জবাবে ড. ইউনূস বলেন, ‘কেন তাঁকে প্রত্যর্পণ করা হবেন না? যদি তিনি অপরাধ করে থাকেন, তবে অবশ্যই তাঁকে প্রত্যর্পণ করে বিচারের আওতায় আনা উচিত।’
নিউইয়র্ক টাইমস ক্লাইমেট ফরোয়ার্ড সামিটে ড. ইউনূসের কাছে জানতে চাওয়া হয়, তিনি আগামী দিনে নির্বাচনে লড়বেন কি না? জবাবে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা জানান, তাঁর নির্বাচনে লড়ার কোনো পরিকল্পনা নেই। তিনি বলেন, ‘আমাকে দেখে কি এমন কারও মতো মনে হয়, যার নির্বাচনে লড়াই করা উচিত।’
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৮ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে