বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা
২০১৯ সালে দুই বছরের জন্য লিয়েন নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় চাকরি করতে গিয়েছিলেন ওএসডি সিনিয়র সহকারী সচিব সোনিয়া আফরিন। লিয়েন শেষে দেশে না ফেরায় অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগে তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করেছে সরকার।
বিসিএস ২৪তম ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা সোনিয়াকে চাকরিচ্যুত করে গত বৃহস্পতিবার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, যেটি আজ শনিবার প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থিত ‘অস্ট্রেলিয়ান এক্সপোর্ট গ্রেইন ইনোভেশন সেন্টারে’ গ্রেইন কোয়ালিটি টেকনিক্যাল অফিসার পদে চাকরি করতে ২০১৯ সালের ১৪ নভেম্বর লিয়েনের আবেদন করেন সোনিয়া। এরপর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ২০১৯ সালের ২২ ডিসেম্বর থেকে ২০২১ সালের ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাঁর লিয়েন মঞ্জুর করে। এই সময় শেষে সোনিয়া কাজে যোগদান করবেন বলে ৩০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পের মাধ্যমে অঙ্গীকারনামা দাখিল করেন।
লিয়েনের মেয়াদ শেষে অঙ্গীকারনামা অনুযায়ী কাজে যোগ না দিয়ে ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত লিয়েন বাড়াতে ২০২১ সালের ৭ ডিসেম্বর আবেদন করেন সোনিয়া। কিন্তু আবেদন মুঞ্জর না করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ২০২২ সালের ৮ আগস্ট তাকে অবিলম্বে চাকরিতে যোগ দিতে চিঠি পাঠায় এবং ই-মেইল ও ফোনেও বিষয়টি অবহিত করে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, লিয়েনের মেয়াদ শেষ হওয়ার চার সপ্তাহের মধ্যে চাকরিতে যোগদানের বাধ্যবাধকতা থাকলেও সোনিয়া এখনো চাকরিতে যোগ দেননি। অনুমতিসহ দেশত্যাগ করার পর অনুমোদিত সময়ের ৬০ দিনের বেশি অননুমোদিতভাবে বিদেশে অবস্থান করার মাধ্যমে কর্তৃপক্ষের আদেশ অমান্য করা ও কর্তব্যে চরম অবহেলা প্রদর্শন করায় সোনিয়ার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা মোতাবেক অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগে ২০২৪ সালের ১৪ মার্চ বিভাগীয় মামলা হয়। এরপর তাঁর কাছে কৈফিয়ত তলব করা হলেও তিনি জবাব না দেওয়ায় তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তদন্তে অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগ প্রমাণিত হয়।
এরপর সোনিয়াকে দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। কিন্তু ওই নোটিশের জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় তাকে চাকরি থেকে অপসারণের গুরুদণ্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়। সরকারি কর্ম কমিশন এ বিষয়ে একমত পোষণ করে এবং রাষ্ট্রপতিও বিষয়টি অনুমোদন করেন। ফলে সোনিয়াকে ২০২১ সালের ২২ ডিসেম্বর থেকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে।
২০১৯ সালে দুই বছরের জন্য লিয়েন নিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় চাকরি করতে গিয়েছিলেন ওএসডি সিনিয়র সহকারী সচিব সোনিয়া আফরিন। লিয়েন শেষে দেশে না ফেরায় অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগে তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করেছে সরকার।
বিসিএস ২৪তম ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা সোনিয়াকে চাকরিচ্যুত করে গত বৃহস্পতিবার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, যেটি আজ শনিবার প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থিত ‘অস্ট্রেলিয়ান এক্সপোর্ট গ্রেইন ইনোভেশন সেন্টারে’ গ্রেইন কোয়ালিটি টেকনিক্যাল অফিসার পদে চাকরি করতে ২০১৯ সালের ১৪ নভেম্বর লিয়েনের আবেদন করেন সোনিয়া। এরপর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ২০১৯ সালের ২২ ডিসেম্বর থেকে ২০২১ সালের ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাঁর লিয়েন মঞ্জুর করে। এই সময় শেষে সোনিয়া কাজে যোগদান করবেন বলে ৩০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পের মাধ্যমে অঙ্গীকারনামা দাখিল করেন।
লিয়েনের মেয়াদ শেষে অঙ্গীকারনামা অনুযায়ী কাজে যোগ না দিয়ে ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত লিয়েন বাড়াতে ২০২১ সালের ৭ ডিসেম্বর আবেদন করেন সোনিয়া। কিন্তু আবেদন মুঞ্জর না করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ২০২২ সালের ৮ আগস্ট তাকে অবিলম্বে চাকরিতে যোগ দিতে চিঠি পাঠায় এবং ই-মেইল ও ফোনেও বিষয়টি অবহিত করে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, লিয়েনের মেয়াদ শেষ হওয়ার চার সপ্তাহের মধ্যে চাকরিতে যোগদানের বাধ্যবাধকতা থাকলেও সোনিয়া এখনো চাকরিতে যোগ দেননি। অনুমতিসহ দেশত্যাগ করার পর অনুমোদিত সময়ের ৬০ দিনের বেশি অননুমোদিতভাবে বিদেশে অবস্থান করার মাধ্যমে কর্তৃপক্ষের আদেশ অমান্য করা ও কর্তব্যে চরম অবহেলা প্রদর্শন করায় সোনিয়ার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা মোতাবেক অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগে ২০২৪ সালের ১৪ মার্চ বিভাগীয় মামলা হয়। এরপর তাঁর কাছে কৈফিয়ত তলব করা হলেও তিনি জবাব না দেওয়ায় তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়। তদন্তে অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগ প্রমাণিত হয়।
এরপর সোনিয়াকে দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। কিন্তু ওই নোটিশের জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় তাকে চাকরি থেকে অপসারণের গুরুদণ্ড দেওয়ার সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়। সরকারি কর্ম কমিশন এ বিষয়ে একমত পোষণ করে এবং রাষ্ট্রপতিও বিষয়টি অনুমোদন করেন। ফলে সোনিয়াকে ২০২১ সালের ২২ ডিসেম্বর থেকে চাকরি থেকে অপসারণ করা হয়েছে।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৮ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে