নোয়াখালী প্রতিনিধি
ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আজ আনন্দ মিছিল করেছেন ভাসানচরের রোহিঙ্গারা। ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা দিতে গতকাল জাতিসংঘের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর হওয়ায় তাঁরা এ মিছিল করে।
আজ দুপুর আড়াইটা থেকে বিকেল তিনটা পর্যন্ত রোহিঙ্গারা এ আনন্দ মিছিল চলে। ক্যাম্প হেড ফোকালদের নেতৃত্বে রোহিঙ্গারা এ আনন্দ মিছিলের আয়োজন করেন। মিছিলটি সিআইসি অফিস (শেল্টার-০৯) থেকে হাসপাতাল রোড হয়ে ১ নম্বর রোহিঙ্গা বাজারের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
এ আনন্দ মিছিলে অংশগ্রহণ করেন ১ হাজার থেকে ১২ শ রোহিঙ্গা সদস্য। মিছিলে রোহিঙ্গারা নানা ইতিবাচক স্লোগান দেন; স্লোগান সংবলিত প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার বহন করে। এর মধ্যে ‘ওয়েলকাম ইউএন, ওয়েলকাম ইউএনএইচসিআর, থ্যাংক ইউ ইউএন, উই আর হ্যাপি এট ভাসানচর’।
মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের কক্সবাজারে আশ্রয় দেওয়ার পর থেকে মানবিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে জাতিসংঘ। এরই ধারাবাহিকতায় ভাসানচরে স্থানান্তরিত রোহিঙ্গাদেরও মানবিক সহায়তা দিতে সংস্থাটি গতকাল (৯ অক্টোবর) শনিবার বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সমঝোতা স্মারকটি (এমওইউ) সই করে। বাংলাদেশের পক্ষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মহসীন এবং জাতিসংঘের পক্ষে ইউএনএইচসিআরের কান্ট্রি ডিরেক্টর চুক্তি স্বাক্ষর করেন।
ইউএনএইচসিআর বলছে, এ চুক্তির ফলে ভাসানচরে অবস্থানরত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য সেবা ও সহায়তা কার্যক্রমে সরকার ও জাতিসংঘের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা সম্ভব হবে। সুরক্ষা, শিক্ষা, দক্ষতা, প্রশিক্ষণ, জীবিকা ও স্বাস্থ্যসেবায় সহায়তার মাধ্যমে শরণার্থীরা দ্বীপে মানসম্মত জীবনযাপন করতে পারবেন। এ ছাড়া তারা ভবিষ্যতে মিয়ানমারে টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে পারবে।
প্রসঙ্গত, কক্সবাজার থেকে ১ লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। কিন্তু জাতিসংঘসহ নানা সংস্থা শুরু থেকেই এর বিরোধিতা করে আসছে। এর মাঝেই কয়েক ধাপে নোয়াখালীর ভাসানচরে ১৮ হাজারের বেশি রোহিঙ্গাকে পাঠানো হলো।
ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আজ আনন্দ মিছিল করেছেন ভাসানচরের রোহিঙ্গারা। ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা দিতে গতকাল জাতিসংঘের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর হওয়ায় তাঁরা এ মিছিল করে।
আজ দুপুর আড়াইটা থেকে বিকেল তিনটা পর্যন্ত রোহিঙ্গারা এ আনন্দ মিছিল চলে। ক্যাম্প হেড ফোকালদের নেতৃত্বে রোহিঙ্গারা এ আনন্দ মিছিলের আয়োজন করেন। মিছিলটি সিআইসি অফিস (শেল্টার-০৯) থেকে হাসপাতাল রোড হয়ে ১ নম্বর রোহিঙ্গা বাজারের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
এ আনন্দ মিছিলে অংশগ্রহণ করেন ১ হাজার থেকে ১২ শ রোহিঙ্গা সদস্য। মিছিলে রোহিঙ্গারা নানা ইতিবাচক স্লোগান দেন; স্লোগান সংবলিত প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার বহন করে। এর মধ্যে ‘ওয়েলকাম ইউএন, ওয়েলকাম ইউএনএইচসিআর, থ্যাংক ইউ ইউএন, উই আর হ্যাপি এট ভাসানচর’।
মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের কক্সবাজারে আশ্রয় দেওয়ার পর থেকে মানবিক সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে জাতিসংঘ। এরই ধারাবাহিকতায় ভাসানচরে স্থানান্তরিত রোহিঙ্গাদেরও মানবিক সহায়তা দিতে সংস্থাটি গতকাল (৯ অক্টোবর) শনিবার বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সমঝোতা স্মারকটি (এমওইউ) সই করে। বাংলাদেশের পক্ষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মহসীন এবং জাতিসংঘের পক্ষে ইউএনএইচসিআরের কান্ট্রি ডিরেক্টর চুক্তি স্বাক্ষর করেন।
ইউএনএইচসিআর বলছে, এ চুক্তির ফলে ভাসানচরে অবস্থানরত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য সেবা ও সহায়তা কার্যক্রমে সরকার ও জাতিসংঘের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা সম্ভব হবে। সুরক্ষা, শিক্ষা, দক্ষতা, প্রশিক্ষণ, জীবিকা ও স্বাস্থ্যসেবায় সহায়তার মাধ্যমে শরণার্থীরা দ্বীপে মানসম্মত জীবনযাপন করতে পারবেন। এ ছাড়া তারা ভবিষ্যতে মিয়ানমারে টেকসই প্রত্যাবাসনের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে পারবে।
প্রসঙ্গত, কক্সবাজার থেকে ১ লাখ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। কিন্তু জাতিসংঘসহ নানা সংস্থা শুরু থেকেই এর বিরোধিতা করে আসছে। এর মাঝেই কয়েক ধাপে নোয়াখালীর ভাসানচরে ১৮ হাজারের বেশি রোহিঙ্গাকে পাঠানো হলো।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৭ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে