নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য সেক্টরের উন্নয়ন ছাড়া ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গঠন করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মো. আব্দুর রহমান।
আজ শনিবার ঢাকার এক হোটেলে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প এবং ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচারাল অর্গানাইজেশন (এফএও) আয়োজিত অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
মন্ত্রী বলেন, লাইভ স্টক ও মৎস্য সেক্টরকে বাদ দিয়ে তা অর্জন করা যাবে না। তবে সে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে একটা সঠিক পলিসি নির্ধারণের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।
মন্ত্রী আব্দুর রহমান বলেন, ১৯৭৩ সালে এক আবেগঘন বক্তৃতায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, আমাদের এই জাতিকে, আমাদের এই যাত্রাপথকে কেউ রুখতে পারবে না। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, আমরা বাংলাদেশের মানুষ, আমাদের মাটি আছে, আমার সোনার বাংলা আছে, আমার পাট আছে, আমার মাছ আছে, আমার লাইভ স্টক আছে। যদি ডেভেলপ করতে পারি ইনশা আল্লাহ এদিন থাকবে না। বঙ্গবন্ধুর এই বক্তব্যের স্প্রিটটি ধরেই আমরা এ পর্যায়ে এসেছি।
প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, আমাদের এই লাইভ স্টকের উন্নয়নের জন্য ও এর গতিশীলতা বৃদ্ধির জন্য সঠিক নীতি প্রণয়ন খুবই জরুরি এবং এর একটি আইনগত ভিত্তিও থাকা দরকার। লাইভ স্টক সেক্টর আমাদের দেহের শুধু পুষ্টিই জোগায় না বরং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও বড় ভূমিকা রাখছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২০ শতাংশ প্রাণিসম্পদ খাতের ওপর সরাসরি নির্ভরশীল।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মোহাম্মদ রেয়াজুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দর, এফএও রিপ্রেজেনটেটিভ অ্যাড ইন্টেরিম অব বাংলাদেশ মিস্টার দিয়া সানো প্রমুখ।
প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য সেক্টরের উন্নয়ন ছাড়া ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গঠন করা সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মো. আব্দুর রহমান।
আজ শনিবার ঢাকার এক হোটেলে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প এবং ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচারাল অর্গানাইজেশন (এফএও) আয়োজিত অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
মন্ত্রী বলেন, লাইভ স্টক ও মৎস্য সেক্টরকে বাদ দিয়ে তা অর্জন করা যাবে না। তবে সে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে হলে একটা সঠিক পলিসি নির্ধারণের মধ্য দিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।
মন্ত্রী আব্দুর রহমান বলেন, ১৯৭৩ সালে এক আবেগঘন বক্তৃতায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, আমাদের এই জাতিকে, আমাদের এই যাত্রাপথকে কেউ রুখতে পারবে না। বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, আমরা বাংলাদেশের মানুষ, আমাদের মাটি আছে, আমার সোনার বাংলা আছে, আমার পাট আছে, আমার মাছ আছে, আমার লাইভ স্টক আছে। যদি ডেভেলপ করতে পারি ইনশা আল্লাহ এদিন থাকবে না। বঙ্গবন্ধুর এই বক্তব্যের স্প্রিটটি ধরেই আমরা এ পর্যায়ে এসেছি।
প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, আমাদের এই লাইভ স্টকের উন্নয়নের জন্য ও এর গতিশীলতা বৃদ্ধির জন্য সঠিক নীতি প্রণয়ন খুবই জরুরি এবং এর একটি আইনগত ভিত্তিও থাকা দরকার। লাইভ স্টক সেক্টর আমাদের দেহের শুধু পুষ্টিই জোগায় না বরং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও বড় ভূমিকা রাখছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ২০ শতাংশ প্রাণিসম্পদ খাতের ওপর সরাসরি নির্ভরশীল।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মোহাম্মদ রেয়াজুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব সাঈদ মাহমুদ বেলাল হায়দর, এফএও রিপ্রেজেনটেটিভ অ্যাড ইন্টেরিম অব বাংলাদেশ মিস্টার দিয়া সানো প্রমুখ।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৮ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে