নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্টের পক্ষ থেকে প্রায় ৫৪ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। আজ রোববার এই টাকা পরিশোধ করা হয় বলে আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন ইউনূসের আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল মামুন।
মামুন বলেন, হাইকোর্টে আপিল করার জন্য ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে ডেপুটি কমিশনারের নিকট এই টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। এর আগে গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্টের রিটের পরিপ্রেক্ষিতে জারি করা রুল গত ১২ ফেব্রুয়ারি খারিজ করে রায় দেন হাইকোর্ট।
জানা যায়, গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্টের কাছে ২০১১-১২ অর্থবছরে ১৭ কোটি ৩৭ লাখ ৬৩ হাজার ৭৭৯ টাকা এবং ২০১২-১৩ অর্থবছরে ১৯৭ কোটি ৭০ লাখ ৯১ হাজার ২১৯ টাকা আয়কর দাবি করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নোটিশ দেয়। এ নোটিশের বিরুদ্ধে প্রথমে কমিশনার অব ট্যাক্সেসে আপিল করলে সেটি খারিজ হয়। পরে ট্যাক্সেস অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালে গেলে সেখানেও তাদের আবেদন খারিজ হয়।
এদিকে গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্টের পক্ষ থেকে হাইকোর্টে আয়কর রেফারেন্স মামলা করার শর্ত হিসেবে ২৫ ভাগ টাকা জমা দেওয়ার শর্ত মওকুফ চেয়ে এনবিআরে আবেদন করা হয়। সেটি খারিজ হলে রিভিউ আবেদন করে তারা। তবে তা-ও খারিজ করে দেয় এনবিআর। আর ওই রিভিউ খারিজের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ২০২০ সালে রিট করলে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। শুনানি শেষে সেই রুল ১২ ফেব্রুয়ারি খারিজ করে রায় দেন আদালত।
রায়ের পর সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার তাহমিনা পলি আজকের পত্রিকাকে বলেন, হাইকোর্টে রেফারেন্স আপিল করতে হলে ২৫ ভাগ টাকা জমা দিতে হয়। গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্টের পক্ষ থেকে ২৫ ভাগ টাকা জমা দেওয়ার শর্ত মওকুফ চেয়ে এনবিআরে আবেদন করা হয়েছিল। সেটি খারিজ হলে রিভিউ আবেদন করা হয়। তা-ও খারিজ করে দেয় এনবিআর। আর ওই রিভিউ খারিজের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ২০২০ সালে রিট করলে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। শুনানি শেষে সেই রুল খারিজ করে রায় দেন আদালত।
নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্টের পক্ষ থেকে প্রায় ৫৪ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। আজ রোববার এই টাকা পরিশোধ করা হয় বলে আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন ইউনূসের আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল মামুন।
মামুন বলেন, হাইকোর্টে আপিল করার জন্য ট্রেজারি চালানের মাধ্যমে ডেপুটি কমিশনারের নিকট এই টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। এর আগে গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্টের রিটের পরিপ্রেক্ষিতে জারি করা রুল গত ১২ ফেব্রুয়ারি খারিজ করে রায় দেন হাইকোর্ট।
জানা যায়, গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্টের কাছে ২০১১-১২ অর্থবছরে ১৭ কোটি ৩৭ লাখ ৬৩ হাজার ৭৭৯ টাকা এবং ২০১২-১৩ অর্থবছরে ১৯৭ কোটি ৭০ লাখ ৯১ হাজার ২১৯ টাকা আয়কর দাবি করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নোটিশ দেয়। এ নোটিশের বিরুদ্ধে প্রথমে কমিশনার অব ট্যাক্সেসে আপিল করলে সেটি খারিজ হয়। পরে ট্যাক্সেস অ্যাপিলেট ট্রাইব্যুনালে গেলে সেখানেও তাদের আবেদন খারিজ হয়।
এদিকে গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্টের পক্ষ থেকে হাইকোর্টে আয়কর রেফারেন্স মামলা করার শর্ত হিসেবে ২৫ ভাগ টাকা জমা দেওয়ার শর্ত মওকুফ চেয়ে এনবিআরে আবেদন করা হয়। সেটি খারিজ হলে রিভিউ আবেদন করে তারা। তবে তা-ও খারিজ করে দেয় এনবিআর। আর ওই রিভিউ খারিজের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ২০২০ সালে রিট করলে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। শুনানি শেষে সেই রুল ১২ ফেব্রুয়ারি খারিজ করে রায় দেন আদালত।
রায়ের পর সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার তাহমিনা পলি আজকের পত্রিকাকে বলেন, হাইকোর্টে রেফারেন্স আপিল করতে হলে ২৫ ভাগ টাকা জমা দিতে হয়। গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্টের পক্ষ থেকে ২৫ ভাগ টাকা জমা দেওয়ার শর্ত মওকুফ চেয়ে এনবিআরে আবেদন করা হয়েছিল। সেটি খারিজ হলে রিভিউ আবেদন করা হয়। তা-ও খারিজ করে দেয় এনবিআর। আর ওই রিভিউ খারিজের সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে ২০২০ সালে রিট করলে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। শুনানি শেষে সেই রুল খারিজ করে রায় দেন আদালত।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৮ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে