বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা
পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট সক্ষমতার প্রথম ইউনিটের নির্মাণকাজ শতভাগ শেষ হয়েছে। কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের পরীক্ষামূলক উৎপাদনে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে। আজ বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে এই কেন্দ্র নির্মাণকারী রাশিয়ার সরকারি প্রতিষ্ঠান রোসাটম।
রোসাটমের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রথম ইউনিটের সব যন্ত্রপাতি ও মেকানিজমের কার্যক্ষমতা যাচাই করা হবে। প্রথমবারের মতো রিঅ্যাক্টর কুল্যান্ট পাম্পগুলো চালু ও পরীক্ষা করে দেখা হবে। কোনো পারমাণবিক জ্বালানির ব্যবহার ছাড়াই ইউনিটের সার্বিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলবে। ডিজাইন প্যারামিটার অনুযায়ী সব ইকুইপমেন্টের (যন্ত্রপাতির) কার্যক্ষমতা নিশ্চিত হওয়ার পর স্টার্টআপ অপারেশনে যাবে বিদ্যুৎ ইউনিটটি।
বিজ্ঞপ্তিতে রোসাটমের প্রথম উপমহাপরিচালক আন্দ্রেই পেত্রোভের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের স্টার্টআপের জন্য আমরা চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু করেছি। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এ সময় সব অপারেটিং মোডে ইউনিটের প্রসেস সিস্টেমের কর্মদক্ষতা যাচাইয়ের জন্য আমরা ব্যাপক হারে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাব।’
আন্দ্রেই পেত্রোভ আরও বলেন, ‘আমাদের ওপর অর্পিত সব দায়িত্ব পালন এবং আমাদের প্রযুক্তির নিরাপত্তা ও নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়ক হবে এবং এটি থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বিশেষভাবে লাভবান হবে।’
রোসাটামের দাবি, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করবে। বাংলাদেশের সামগ্রিক বিদ্যুৎ চাহিদার প্রায় ১০ শতাংশ পূরণ করবে প্রকল্পটি।
রাশিয়ার কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় রূপপুরে নির্মিত হচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। প্রকল্পটিতে দুটি বিদ্যুৎ ইউনিট রয়েছে। প্রতিটি ইউনিট ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াটের। কেন্দ্রটি পরীক্ষামূলকভাবে চলতি ডিসেম্বরে চালু হওয়ার কথা ছিল।
পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট সক্ষমতার প্রথম ইউনিটের নির্মাণকাজ শতভাগ শেষ হয়েছে। কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের পরীক্ষামূলক উৎপাদনে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে। আজ বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে এই কেন্দ্র নির্মাণকারী রাশিয়ার সরকারি প্রতিষ্ঠান রোসাটম।
রোসাটমের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রথম ইউনিটের সব যন্ত্রপাতি ও মেকানিজমের কার্যক্ষমতা যাচাই করা হবে। প্রথমবারের মতো রিঅ্যাক্টর কুল্যান্ট পাম্পগুলো চালু ও পরীক্ষা করে দেখা হবে। কোনো পারমাণবিক জ্বালানির ব্যবহার ছাড়াই ইউনিটের সার্বিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলবে। ডিজাইন প্যারামিটার অনুযায়ী সব ইকুইপমেন্টের (যন্ত্রপাতির) কার্যক্ষমতা নিশ্চিত হওয়ার পর স্টার্টআপ অপারেশনে যাবে বিদ্যুৎ ইউনিটটি।
বিজ্ঞপ্তিতে রোসাটমের প্রথম উপমহাপরিচালক আন্দ্রেই পেত্রোভের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ‘রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের স্টার্টআপের জন্য আমরা চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু করেছি। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এ সময় সব অপারেটিং মোডে ইউনিটের প্রসেস সিস্টেমের কর্মদক্ষতা যাচাইয়ের জন্য আমরা ব্যাপক হারে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাব।’
আন্দ্রেই পেত্রোভ আরও বলেন, ‘আমাদের ওপর অর্পিত সব দায়িত্ব পালন এবং আমাদের প্রযুক্তির নিরাপত্তা ও নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়ক হবে এবং এটি থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বিশেষভাবে লাভবান হবে।’
রোসাটামের দাবি, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করবে। বাংলাদেশের সামগ্রিক বিদ্যুৎ চাহিদার প্রায় ১০ শতাংশ পূরণ করবে প্রকল্পটি।
রাশিয়ার কারিগরি ও আর্থিক সহায়তায় রূপপুরে নির্মিত হচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। প্রকল্পটিতে দুটি বিদ্যুৎ ইউনিট রয়েছে। প্রতিটি ইউনিট ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াটের। কেন্দ্রটি পরীক্ষামূলকভাবে চলতি ডিসেম্বরে চালু হওয়ার কথা ছিল।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৮ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৮ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৮ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৮ দিন আগে