নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে অগ্রগতি নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জবাবে সন্তুষ্ট নয় সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি বলে অভিযোগ করেছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।
আজ শুক্রবার ন্যাম ভবনে নিজ বাসায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এমন অভিযোগ করেন।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির সভাপতি এ কে আব্দুল মোমেনের সভাপতিত্বে বৈঠকে আরও অংশ নেন কমিটির সদস্য ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, শাহরিয়ার আলম, নাহিম রাজ্জাক, নিজাম উদ্দিন জলিল (জন), নুরুল ইসলাম নাহিদ, হাবিবুর রহমান, সাইমুম সারওয়ার কমল ও জারা জাবীন মাহবুব।
নির্বাচনের আগে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু না হওয়ার ঘটনা উল্লেখ করে সাবেক এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘কিছু বিদেশি প্রতিষ্ঠান বলল যে রাখাইন এলাকাগুলোতে অনিশ্চয়তা আছে। তারা তখন একটু বাধা দিল। এটার সঙ্গে যাঁরা সম্পৃক্ত তাঁরাও ওই কথায় নাচলেন। যার ফলে সেই কাজটা আর হয়নি। এখন তো অন্য রকম অবস্থা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু দ্বিপক্ষীয়ভাবে বিষয়টা সমাধানের জন্য পদ্ধতিটা চালু করেছিলাম। সেটি এখনো চলমান আছে। কিন্তু কত দূর অগ্রগতি হয়েছে এই মুহূর্তে আমি জানি না। এই বিষয়ে আমরা জিজ্ঞাসা করেছি, তারা (মন্ত্রণালয়) কেউ এ বিষয়ে সদুত্তর দিতে পারেনি।’
প্রবাসী মিশনগুলোয় স্থায়ী সেলফোনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বলেন, ‘আমাদের অনেক দেশে মিশনে রাষ্ট্রদূতদের টেলিফোন আছে। উনি ওখান থেকে বদলি হয়ে গেলে টেলিফোনটা সঙ্গে করে নিয়ে যান। এর ফলে অনেক লোক টেলিফোনে পান না। এ জন্য আমরা বলেছি, প্রত্যেক মিশনে ইউনিক সেলফোন থাকতে হবে। ওই মিশনের রাষ্ট্রদূতদের একটি ইউনিক সেল ফোন থাকলে সাধারণ জনগণের যোগাযোগ করতে সহজ হবে।’
আব্দুল মোমেন বলেন, ‘আমরা গত নির্বাচনের আগে দেখেছি আমাদের স্টেকহোল্ডার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কটা গভীর না। সে জন্য আমরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে প্রস্তাব দিয়েছি যে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ স্টেকহোল্ডার দেশের আইন প্রণেতাদের সঙ্গে যোগসূত্র স্থাপন করা। আমাদের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সঙ্গে অন্যান্য দেশের কমিটির সঙ্গেও সম্পর্ক স্থাপন করা। আর বিদেশি মেহমানরা এলে, তাদের নিয়ে সংসদীয় কমিটির সঙ্গে মিটিংয়ের ব্যবস্থা করার কথা বলেছি।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের মিশনগুলোতে বিভিন্ন উইং রয়েছে—যেমন লেবার উইং, ট্রেড উইং, ইকোনমিক উইং। কিন্তু তাদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। ভবিষ্যতে যারা বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে যাবেন, তাঁদের আমরা শুনানির ব্যবস্থা করব। পাবলিক শুনানি হলে জবাবদিহি বাড়বে। প্রধানমন্ত্রী চান জবাবদিহির সরকার। এটা আমরা ভবিষ্যতে চিন্তাভাবনা করব।’
প্রবাসে জেলে থাকা বাংলাদেশিদের তথ্য বের করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘বহু দেশে বাংলাদেশিরা জেলে আটক আছে। তারা মাসের পর মাস জেলে আটক রয়েছে। আমরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বলেছি কোন কোন দেশে কতজন প্রবাসী জেলা আটক আছে, এর হিসাব নেন এবং সেগুলো আমাদের সঙ্গে শেয়ার করেন। তাদের জেল থেকে বের করার জন্য তার একটি ন্যারেটিভ আমাদের জানান। আমরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বলেছি কোন কোন দেশে কতজন জেলে আটক আছে; তার একটা হিসাব আমাদের দেবেন এবং এদের বের করে নিয়ে আসার জন্য কী কী কাজ করা হয়েছে—এটা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।’
মোমেন বলেন, ‘গত নির্বাচনের আগে মানবাধিকার ইস্যুতে খুব হইচই হতে দেখেছি। ভবিষ্যতেও হয়তো এসব ইস্যুতে হইচই করার সম্ভাবনা আছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে মানবাধিকার সংশ্লিষ্ট উইং করার প্রয়োজন আছে কি না, সেটা যাচাই-বাছাই করার প্রস্তাব দিয়েছি। তারা যাচাই-বাছাই করে এর প্রয়োজন আছে কি না এবং অন্যান্য দেশে এ ধরনের উইং আছে কি না সেটা জানাবে।’
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে অগ্রগতি নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জবাবে সন্তুষ্ট নয় সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি বলে অভিযোগ করেছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।
আজ শুক্রবার ন্যাম ভবনে নিজ বাসায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এমন অভিযোগ করেন।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির সভাপতি এ কে আব্দুল মোমেনের সভাপতিত্বে বৈঠকে আরও অংশ নেন কমিটির সদস্য ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, শাহরিয়ার আলম, নাহিম রাজ্জাক, নিজাম উদ্দিন জলিল (জন), নুরুল ইসলাম নাহিদ, হাবিবুর রহমান, সাইমুম সারওয়ার কমল ও জারা জাবীন মাহবুব।
নির্বাচনের আগে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু না হওয়ার ঘটনা উল্লেখ করে সাবেক এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘কিছু বিদেশি প্রতিষ্ঠান বলল যে রাখাইন এলাকাগুলোতে অনিশ্চয়তা আছে। তারা তখন একটু বাধা দিল। এটার সঙ্গে যাঁরা সম্পৃক্ত তাঁরাও ওই কথায় নাচলেন। যার ফলে সেই কাজটা আর হয়নি। এখন তো অন্য রকম অবস্থা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু দ্বিপক্ষীয়ভাবে বিষয়টা সমাধানের জন্য পদ্ধতিটা চালু করেছিলাম। সেটি এখনো চলমান আছে। কিন্তু কত দূর অগ্রগতি হয়েছে এই মুহূর্তে আমি জানি না। এই বিষয়ে আমরা জিজ্ঞাসা করেছি, তারা (মন্ত্রণালয়) কেউ এ বিষয়ে সদুত্তর দিতে পারেনি।’
প্রবাসী মিশনগুলোয় স্থায়ী সেলফোনের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বলেন, ‘আমাদের অনেক দেশে মিশনে রাষ্ট্রদূতদের টেলিফোন আছে। উনি ওখান থেকে বদলি হয়ে গেলে টেলিফোনটা সঙ্গে করে নিয়ে যান। এর ফলে অনেক লোক টেলিফোনে পান না। এ জন্য আমরা বলেছি, প্রত্যেক মিশনে ইউনিক সেলফোন থাকতে হবে। ওই মিশনের রাষ্ট্রদূতদের একটি ইউনিক সেল ফোন থাকলে সাধারণ জনগণের যোগাযোগ করতে সহজ হবে।’
আব্দুল মোমেন বলেন, ‘আমরা গত নির্বাচনের আগে দেখেছি আমাদের স্টেকহোল্ডার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কটা গভীর না। সে জন্য আমরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে প্রস্তাব দিয়েছি যে আমাদের গুরুত্বপূর্ণ স্টেকহোল্ডার দেশের আইন প্রণেতাদের সঙ্গে যোগসূত্র স্থাপন করা। আমাদের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সঙ্গে অন্যান্য দেশের কমিটির সঙ্গেও সম্পর্ক স্থাপন করা। আর বিদেশি মেহমানরা এলে, তাদের নিয়ে সংসদীয় কমিটির সঙ্গে মিটিংয়ের ব্যবস্থা করার কথা বলেছি।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের মিশনগুলোতে বিভিন্ন উইং রয়েছে—যেমন লেবার উইং, ট্রেড উইং, ইকোনমিক উইং। কিন্তু তাদের মধ্যে সমন্বয়ের অভাব রয়েছে। ভবিষ্যতে যারা বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে যাবেন, তাঁদের আমরা শুনানির ব্যবস্থা করব। পাবলিক শুনানি হলে জবাবদিহি বাড়বে। প্রধানমন্ত্রী চান জবাবদিহির সরকার। এটা আমরা ভবিষ্যতে চিন্তাভাবনা করব।’
প্রবাসে জেলে থাকা বাংলাদেশিদের তথ্য বের করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘বহু দেশে বাংলাদেশিরা জেলে আটক আছে। তারা মাসের পর মাস জেলে আটক রয়েছে। আমরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বলেছি কোন কোন দেশে কতজন প্রবাসী জেলা আটক আছে, এর হিসাব নেন এবং সেগুলো আমাদের সঙ্গে শেয়ার করেন। তাদের জেল থেকে বের করার জন্য তার একটি ন্যারেটিভ আমাদের জানান। আমরা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে বলেছি কোন কোন দেশে কতজন জেলে আটক আছে; তার একটা হিসাব আমাদের দেবেন এবং এদের বের করে নিয়ে আসার জন্য কী কী কাজ করা হয়েছে—এটা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।’
মোমেন বলেন, ‘গত নির্বাচনের আগে মানবাধিকার ইস্যুতে খুব হইচই হতে দেখেছি। ভবিষ্যতেও হয়তো এসব ইস্যুতে হইচই করার সম্ভাবনা আছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে মানবাধিকার সংশ্লিষ্ট উইং করার প্রয়োজন আছে কি না, সেটা যাচাই-বাছাই করার প্রস্তাব দিয়েছি। তারা যাচাই-বাছাই করে এর প্রয়োজন আছে কি না এবং অন্যান্য দেশে এ ধরনের উইং আছে কি না সেটা জানাবে।’
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৯ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৯ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৯ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৯ দিন আগে