নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
করোনা সংক্রমণ বাড়ার কারণে গত ১৫ জানুয়ারি থেকে আন্তনগর ট্রেনে অর্ধেক যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছিল। কিন্তু চলমান এই বিধিনিষেধ শিথিল করে আজ থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আন্তনগর ট্রেনে শতভাগ যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে।
আজ বুধবার সকাল থেকে ট্রেনে যাত্রী পরিবহনের নতুন নির্দেশনা কার্যকর হয়েছে। কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়া সব আন্তনগর ট্রেনে সব আসনেই যাত্রী নিতে দেখা গেছে।
কমলাপুর রেলস্টেশন ঘুরে সকাল থেকে যাত্রীদের ভালোই চাপ লক্ষ করা গেছে। স্টেশনের কাউন্টারগুলোতেও যাত্রীদের ভিড় ছিল। ট্রেনে শতভাগ যাত্রী পরিবহন করায় ট্রেনের টিকিটও শতভাগ বিক্রি করা হচ্ছে। শতভাগ টিকিটের মধ্যে ৫০ শতাংশ স্টেশনের কাউন্টারে এবং ৫০ শতাংশ রেলের ওয়েবসাইটে দেওয়া হচ্ছে। তবে যাত্রীদের মাস্ক ছাড়া স্টেশনের মধ্যে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
শতভাগ যাত্রী পরিবহনের প্রথম দিনে যাত্রীদের স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখা গেছে। তবে স্টেশনের মধ্যে ঢোকার পরে কিছু যাত্রী মুখের মাস্ক খুলে ফেলছেন। আন্তনগর ট্রেনে স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখা গেলেও কমিউটার-লোকাল ট্রেনগুলোতে স্বাস্থ্যবিধির কিছুটা কমতি রয়েছে।
নতুন সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা থেকে রংপুরগামী যাত্রী হোসেন আলী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সব আসনে যাত্রী পরিবহনের সিদ্ধান্ত নিয়ে রেল ভালো করেছে। অর্ধেক যাত্রী বহন করার কারণে আমরা অনেকেই টিকিট পেতাম না। ফলে বিভিন্ন জায়গায় ট্রেনে যেতে ইচ্ছা থাকলেও যাওয়া হতো না। বাসের চেয়ে ট্রেনে ভ্রমণ করা বেশি স্বাচ্ছন্দ্যের। এখন সবাই টিকিট পাবে আসা করি।’
ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জে যাওয়া আরেক যাত্রী রাহুল শর্মা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘শতভাগ আর অর্ধেক যাত্রী যেটাই নেওয়া হোক, ট্রেনে টিকিটের সংকট সব সময়ই থাকে। সে ক্ষেত্রে ট্রেনের সংখ্যা আরও বাড়ানো উচিত। মানুষ এখন ট্রেনে ভ্রমণ করতে চায়। তবে শতভাগ যাত্রী নেওয়ার সিদ্ধান্ত আমাদের জন্য অবশ্যই একটা ভালো বিষয়। বিভিন্ন সময়ে বাসের ভাড়া বাড়িয়ে দেয়, ট্রেনে অবশ্য কম ভাড়াতেই যাত্রীরা গন্তব্যে যেতে পারে। আমরা চেষ্টা করছি স্বাস্থ্যবিধি মেনে ট্রেনে ভ্রমণ করার।’
এদিকে বুধবার সকাল থেকেই কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে অনেকগুলো ট্রেন ছেড়ে গেছে। অন্যান্য দিনের তুলনায় যাত্রীদের ভিড় বেশি লক্ষ করা গেছে প্রতিটি প্ল্যাটফর্মে।
সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে কমলাপুর রেলস্টেশনের স্টেশন ম্যানেজার মোহাম্মদ মাসুম সারওয়ার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আজ থেকে ট্রেনে শতভাগ যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ট্রেনের সব আসনের টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। যাত্রীদের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে শতভাগ যাত্রী পরিবহনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তবে আমরা যাত্রীদের সচেতন করছি এবং মাস্ক পরা নিশ্চিতের চেষ্টা করছি। ট্রেনে ভ্রমণে যাত্রীদেরও সচেতন হতে হবে স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে। ট্রেনে দাঁড়িয়ে যাত্রী নেওয়া হচ্ছে না, বন্ধ আছে স্ট্যান্ডিং টিকিট বিক্রি।’
লোকাল ট্রেনের বিষয়ে জানতে চাইলে মোহাম্মদ মাসুম সারওয়ার বলেন, ‘লোকাল কমিউটার ট্রেনগুলো বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চলে। স্বাস্থ্যবিধির সব নির্দেশনা তাদের দেওয়া আছে। সেটাই তারা মেনে চলছে।’
ট্রেনে শতভাগ যাত্রী পরিবহনের নির্দেশনায় বলা হয়েছে
কাউন্টারে টিকিট ইস্যু ও ট্রেনে ভ্রমণের ক্ষেত্রে যাত্রীর স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ ও মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করতে হবে। আন্তনগর ট্রেনসমূহের বিদ্যমান আসনসংখ্যার শতভাগ টিকিট দেওয়া হবে। ট্রেনে মোট আসনসংখ্যার ৫০ শতাংশ টিকিট কাউন্টারের মাধ্যমে এবং বাকি ৫০ শতাংশ টিকিট মোবাইল অনলাইনে পাওয়া যাবে। আন্তনগর ট্রেনসমূহের স্ট্যান্ডিং টিকিট ও স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম টিকিট ইস্যু সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকবে। স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে আন্তনগর ট্রেনে ক্যাটারিং সেবা প্রদান ও ট্রেনে রাত্রিকালীন বেডিং সরবরাহ করতে হবে।
করোনা সংক্রমণ বাড়ার কারণে গত ১৫ জানুয়ারি থেকে আন্তনগর ট্রেনে অর্ধেক যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছিল। কিন্তু চলমান এই বিধিনিষেধ শিথিল করে আজ থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে আন্তনগর ট্রেনে শতভাগ যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে।
আজ বুধবার সকাল থেকে ট্রেনে যাত্রী পরিবহনের নতুন নির্দেশনা কার্যকর হয়েছে। কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে ছেড়ে যাওয়া সব আন্তনগর ট্রেনে সব আসনেই যাত্রী নিতে দেখা গেছে।
কমলাপুর রেলস্টেশন ঘুরে সকাল থেকে যাত্রীদের ভালোই চাপ লক্ষ করা গেছে। স্টেশনের কাউন্টারগুলোতেও যাত্রীদের ভিড় ছিল। ট্রেনে শতভাগ যাত্রী পরিবহন করায় ট্রেনের টিকিটও শতভাগ বিক্রি করা হচ্ছে। শতভাগ টিকিটের মধ্যে ৫০ শতাংশ স্টেশনের কাউন্টারে এবং ৫০ শতাংশ রেলের ওয়েবসাইটে দেওয়া হচ্ছে। তবে যাত্রীদের মাস্ক ছাড়া স্টেশনের মধ্যে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
শতভাগ যাত্রী পরিবহনের প্রথম দিনে যাত্রীদের স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখা গেছে। তবে স্টেশনের মধ্যে ঢোকার পরে কিছু যাত্রী মুখের মাস্ক খুলে ফেলছেন। আন্তনগর ট্রেনে স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখা গেলেও কমিউটার-লোকাল ট্রেনগুলোতে স্বাস্থ্যবিধির কিছুটা কমতি রয়েছে।
নতুন সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা থেকে রংপুরগামী যাত্রী হোসেন আলী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সব আসনে যাত্রী পরিবহনের সিদ্ধান্ত নিয়ে রেল ভালো করেছে। অর্ধেক যাত্রী বহন করার কারণে আমরা অনেকেই টিকিট পেতাম না। ফলে বিভিন্ন জায়গায় ট্রেনে যেতে ইচ্ছা থাকলেও যাওয়া হতো না। বাসের চেয়ে ট্রেনে ভ্রমণ করা বেশি স্বাচ্ছন্দ্যের। এখন সবাই টিকিট পাবে আসা করি।’
ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জে যাওয়া আরেক যাত্রী রাহুল শর্মা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘শতভাগ আর অর্ধেক যাত্রী যেটাই নেওয়া হোক, ট্রেনে টিকিটের সংকট সব সময়ই থাকে। সে ক্ষেত্রে ট্রেনের সংখ্যা আরও বাড়ানো উচিত। মানুষ এখন ট্রেনে ভ্রমণ করতে চায়। তবে শতভাগ যাত্রী নেওয়ার সিদ্ধান্ত আমাদের জন্য অবশ্যই একটা ভালো বিষয়। বিভিন্ন সময়ে বাসের ভাড়া বাড়িয়ে দেয়, ট্রেনে অবশ্য কম ভাড়াতেই যাত্রীরা গন্তব্যে যেতে পারে। আমরা চেষ্টা করছি স্বাস্থ্যবিধি মেনে ট্রেনে ভ্রমণ করার।’
এদিকে বুধবার সকাল থেকেই কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে অনেকগুলো ট্রেন ছেড়ে গেছে। অন্যান্য দিনের তুলনায় যাত্রীদের ভিড় বেশি লক্ষ করা গেছে প্রতিটি প্ল্যাটফর্মে।
সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে কমলাপুর রেলস্টেশনের স্টেশন ম্যানেজার মোহাম্মদ মাসুম সারওয়ার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আজ থেকে ট্রেনে শতভাগ যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ট্রেনের সব আসনের টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। যাত্রীদের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে শতভাগ যাত্রী পরিবহনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। তবে আমরা যাত্রীদের সচেতন করছি এবং মাস্ক পরা নিশ্চিতের চেষ্টা করছি। ট্রেনে ভ্রমণে যাত্রীদেরও সচেতন হতে হবে স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে। ট্রেনে দাঁড়িয়ে যাত্রী নেওয়া হচ্ছে না, বন্ধ আছে স্ট্যান্ডিং টিকিট বিক্রি।’
লোকাল ট্রেনের বিষয়ে জানতে চাইলে মোহাম্মদ মাসুম সারওয়ার বলেন, ‘লোকাল কমিউটার ট্রেনগুলো বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চলে। স্বাস্থ্যবিধির সব নির্দেশনা তাদের দেওয়া আছে। সেটাই তারা মেনে চলছে।’
ট্রেনে শতভাগ যাত্রী পরিবহনের নির্দেশনায় বলা হয়েছে
কাউন্টারে টিকিট ইস্যু ও ট্রেনে ভ্রমণের ক্ষেত্রে যাত্রীর স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ ও মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করতে হবে। আন্তনগর ট্রেনসমূহের বিদ্যমান আসনসংখ্যার শতভাগ টিকিট দেওয়া হবে। ট্রেনে মোট আসনসংখ্যার ৫০ শতাংশ টিকিট কাউন্টারের মাধ্যমে এবং বাকি ৫০ শতাংশ টিকিট মোবাইল অনলাইনে পাওয়া যাবে। আন্তনগর ট্রেনসমূহের স্ট্যান্ডিং টিকিট ও স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম টিকিট ইস্যু সম্পূর্ণরূপে বন্ধ থাকবে। স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে আন্তনগর ট্রেনে ক্যাটারিং সেবা প্রদান ও ট্রেনে রাত্রিকালীন বেডিং সরবরাহ করতে হবে।
২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ প্রায় ১৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (প্রায় ২,২৪০ কোটি টাকা) ব্যয় করে ১৬০ টিরও বেশি নজরদারি প্রযুক্তি এবং স্পাইওয়্যার আমদানি ও ব্যবহার করেছে। এসব প্রযুক্তি প্রায়শই অস্বচ্ছ ক্রয় প্রক্রিয়া এবং তৃতীয় দেশের মধ্যস্থতায় আনা হয়েছে।
১৯ দিন আগেজাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মেয়াদ এক মাস বাড়িয়েছে সরকার। এই কমিশনের মেয়াদ আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে গতকাল সোমবার রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গত ১২ ফেব্রুয়ারি সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয়। এই কমিশনকে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য ছ
১৯ দিন আগেরাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন একমাত্র মোবাইল অপারেটর টেলিটক এখন ‘গলার কাঁটা’ পর্যায়ে চলে এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
১৯ দিন আগেবাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট অব এক্সচেঞ্জ সই হয়েছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের উপস্থিতিতে পুত্রজায়ায় এই চুক্তিগুলো স্বাক্ষরি
১৯ দিন আগে